১৫ দিনের জন্য বন্ধ দেশের ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ন, ০৬ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৭:১৫ অপরাহ্ন, ১৫ জুলাই ২০২৬

গ্যাস সংকটের মুখে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ইউরিয়া সার কারখানায় উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) আওতাধীন পাঁচটি কারখানার মধ্যে বর্তমানে চালু রয়েছে কেবল শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।

এদিকে বেসরকারি খাতের কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানিও (কাফকো) উৎপাদন বন্ধ রাখায় দেশের মোট ছয়টি বড় কারখানার মধ্যে পাঁচটিতেই সারের উৎপাদন স্থবির হয়ে পড়েছে।

গ্যাস সংকটের কারণে বর্তমানে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার, চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার, যমুনা ফার্টিলাইজার এবং আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডে সার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

বিসিআইসির পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘১৫ দিনের জন্য বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। এরপর কী সিদ্ধান্ত হবে, জানি না।’

এর বাইরে বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। ফলে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে দেশের ছয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটিতেই বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ।

মনিরুজ্জামান বলেন, বিসিআইসির পাঁচটি ইউরিয়া কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন হয়। চালু থাকা শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানার দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন।

এদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভবাবে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার জারি করা নির্দেশনায় প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার কমানো, গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার এবং পাইপলাইনে লিক রোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া জ্বালানি তেল সাশ্রয়ের জন্য ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।