ভোলায় তোফায়েল আহমেদের জানাজার আগে ছাত্রদল-যুবদলের বিক্ষোভ

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১১:৪৭ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজার আগে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্রদল ও যুবদলের একদল নেতাকর্মী। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা জানাজাস্থল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।

ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা তোফায়েল আহমেদকে ছাত্রদল নেতা নুরে আলম ও যুবদলের রহিমের হত্যাকারী দাবি করে বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা না পড়ানোর দাবি জানান। পরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা এসে তাদের সরিয়ে নেয়।


উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক তোফায়েল আহমেদ গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভোগা তোফায়েল আহমেদ গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গতকাল বাদ মাগ‌রিব রাজধানীর ধানম‌ন্ডির তাকওয়া মস‌জিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পারিবারিক উদ্যোগে প্রবীণ এ আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ভোলায় নেওয়া হয়। ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তার মরদেহ নেওয়া হবে নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায়। সেখানে স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।


১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা তোফায়েল আহমেদ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা আন্দোলন ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।