জনগণের আস্থাই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন, নির্যাতিতদের ডাটাবেজ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি জরুরি: ড. আসিফ মিজান

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ৯:৪৯ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৩:০২ অপরাহ্ন, ২২ এপ্রিল ২০২৬


নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় আসার দুই মাস পূর্ণতার উপলক্ষে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘সরকারের দুই মাস: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শিরোনামে একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সেমিনারে বক্তারা সরকারের বহুমুখী উন্নয়নকাজ, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা এবং ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জনগণের আস্থা অর্জন

সোমালিয়ার দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আসিফ মিজান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একের পর এক নির্বাচনী ওয়াদা পালনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর ডায়নামিক নেতৃত্বে সরকারের কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে এবং মানুষ রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের সুফল পেতে শুরু করেছে।”


নির্যাতিতদের জন্য ডাটাবেজ ও স্বীকৃতির দাবি

বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক নির্যাতনের প্রেক্ষাপট টেনে ড. মিজান বলেন, “জুলুম, নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার যারা হয়েছেন, তাদের জন্য সরকারের সঠিক তথ্যভাণ্ডার বা ডাটাবেজ জরুরি। ত্যাগ স্বীকারকারীদের অবদান মূল্যায়ন করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বা ফিডব্যাক নিশ্চিত করতে হবে।”


জিয়াউর রহমানের স্মৃতি ও সরকারের বিদায়ের প্রত্যাশা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান স্বল্প শাসনকালে অসামান্য অবদান রেখে বিশ্ববাসীর হৃদয় জয় করেছেন। বর্তমান সরকার কতদিন ক্ষমতায় থাকবে, তা দেশবাসী ও আল্লাহ নির্ধারণ করবেন। তবে আমার প্রত্যাশা- বিদায় যেন রাজসিক হয়, দুই যুগ বা দুইশ বছর পরই হোক, জনগণের অকৃত্রিম ভালোবাসা নিয়ে যেন তারা যান।”


অন্যান্য অংশগ্রহণকারী ও আলোচনা

প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আব্দুল লতিফ মাসুম। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল রিসার্চ পার্টি সেলের চেয়ারম্যান ড. গাজী মিজানুর রহমান। অন্যান্য বক্তা- জনাব শরীফ হোসেন, প্রফ. ড. সৈয়দ শামসুদ্দোহা, প্রফ. ড. শাহাবুদ্দীন, প্রফ. গোলাম রাব্বি, নায়েমের পরিচালক আতিকুল ইসলাম পাঠানসহ অ্যাডভোকেট আব্দুস সাল্লাম, ফরিদ হোসেন, ফাতেমা তাসনিম প্রমুখ তাদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। 


এই আলোচনা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবশ পুনরুদ্ধারে নির্যাতিতদের পুনর্বাসন ও জনগণের আস্থা ধরে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে।