ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো খোলা: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, ২০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১:০৮ অপরাহ্ন, ২১ জুলাই ২০২৬

ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে নিজেরাই আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করছে।

রোববার (১৯ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।


মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সবসময় কূটনৈতিক সমাধানের জন্য প্রস্তুত। আমরা ইরানের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সেই চেষ্টা চালিয়ে যাব। আলোচনার সেই দরজা যদি উন্মুক্ত হয়, তবে আমরা অবশ্যই তা স্বাগত জানাব।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিরতি আরও শক্তিশালী করা এবং হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। কিন্তু ইরান ধারাবাহিকভাবে সেই শর্ত লঙ্ঘন করে চলেছে।


মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা যদি সমঝোতার শর্তই ভঙ্গ করে, তবে সেই এমওইউ কার্যকর থাকতে পারে না। তারা একদিকে আলোচনার আগ্রহের কথা বলছে, অন্যদিকে জাহাজের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। এমনকি আজ রাতেও এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে।’

ক্রমবর্ধমান এই সংঘাত থেকে কূটনৈতিকভাবে বেরিয়ে আসার কোনো পথ এখনো অবশিষ্ট আছে কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা কূটনীতির জন্য সবসময়ই প্রস্তুত। তবে তা বাস্তবসম্মত হতে হবে। এমন একটি চুক্তি হতে হবে, যা মেনে চলতে তারা নিজেরাও ইচ্ছুক।’


পরিশেষে সিএনএনের এক প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যদি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়, তবে তার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হবে ইরানকেই। আমি মনে করি না সেটি ইরানের জন্য ভালো হবে, কারণ তাদের অর্থনীতি ইতোমধ্যেই ভেঙে পড়েছে।’