লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ২:৩৪ অপরাহ্ন, ০৩ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১২:২৭ অপরাহ্ন, ০৪ মার্চ ২০২৬

লেলেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সব ধরনের সামরিক কার্যক্রমের ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম। সেই সঙ্গে গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক কার্যক্রমও সীমিত করেছেন তিনি।

সোমবার বৈরুতের প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে মন্ত্রিসভার এক বিশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, লেবাননের সরকারি সেনাবাহিনী ব্যতীত অন্য কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির সামরিক তৎপরতা এখন থেকে অবৈধ বলে গণ্য হবে। সেই বৈঠকে ছিলেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে নাওয়াফ বলেন, “আজ থেকে লেবাননের সরকারি সেনাবাহিনী ব্যতীত অন্য কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সবধরনের সামরিক তৎপরতা নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভা বৈধ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বাইরে যেকোনও সামরিক অভিযান নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ যুদ্ধ ও শান্তি বিষয়ক যেকোনও সিদ্ধান্ত এককভাবে রাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের রাজধানী তেহরানসহ ছয় শহরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ। যুদ্ধে ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ১ মার্চ থেকে ইসরয়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া শুরু করে হিজবুল্লাহ।

২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এটি ছিল হিজবুল্লাহর প্রথম সামরিক পদক্ষেপ।

নাওয়াফ সালাম অবশ্য ওই দিনই হিজবুল্লাহর এই হামলাকে ‘দায়িত্বহীন’ উল্লেখ করে কঠোর সমালোচনা করেন।