ছয়টিরও বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে চায়: পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১:২৪ অপরাহ্ন, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৪:০৮ পূর্বাহ্ন, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বের ছয়টিরও বেশি দেশ 'মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে' যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার।

গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানী ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইসহাক দার। তিনি স্পষ্ট করেন, এই জোটটি সম্পূর্ণ রক্ষণাত্মক (defensive) এবং অন্য কোনো দেশের ওপর কোনো ধরনের আগ্রাসন চালানোর ইচ্ছা জোট সদস্যদের নেই।

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে এই সামরিক জোট গঠন করে। মক্কায় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় এটি বিশ্বজুড়ে 'মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি' নামে পরিচিতি পায়। তবে কোন কোন দেশ নতুন করে এই জোটে যুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, কৌশলগত কারণে তাদের নাম উল্লেখ করেননি পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আটলান্টিক মহাসাগরীয় সামরিক জোট ন্যাটোর (NATO) আদলে গড়ে তোলা এই চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে—সদস্য দেশগুলোর যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হলে, তা সব সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ইসহাক দার জানান, গত ৩১ আগস্ট মক্কা চুক্তির প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জোটটির স্থায়ী সদর দপ্তর স্থাপন করা হচ্ছে সৌদি আরবে। অপরদিকে জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নওমান মাহমুদকে। সংবাদ সম্মেলনে তাঁকে একজন 'অত্যন্ত দক্ষ ও ধর্মানুরাগী কর্মকর্তা' হিসেবে অভিহিত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

হুথি বিদ্রোহীদের দ্বারা সৌদি আরবে সাম্প্রতিক সময়ের হামলা প্রসঙ্গ টেনে ইসহাক দার বলেন, "সৌদি আরবের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে জোটের একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। আমরা সৌদি আরবের সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।" জাতিসংঘের সনদেও এ ধরনের আঞ্চলিক ও যৌথ প্রতিরক্ষা জোট গঠন ও ব্যবস্থা নেওয়ার স্বীকৃতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।