প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি: একুশ শতকের প্রাসঙ্গিকতা - প্রফেসার ড. আসিফ মিজান
একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিবর্তন ও অর্থনৈতিক মুক্তির অভিযাত্রায় দূরদর্শী নেতৃত্বের গৃহীত কর্মসূচি কেবল সমকালীন সংকট মোচনের সাময়িক হাতিয়ারই নয়; বরং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাষ্ট্র বিনির্মাণের এক শাশ্বত পথনকশাও বটে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক জটিল ক্রান্তিলগ্নে, সত্তরের দশকের শেষভাগে, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং জাতীয় উন্নয়নের রূপরেখা হিসেবে ‘১৯ দফা কর্মসূচি’ ঘোষণা করেছিলেন। তৎকালীন ভঙ্গুর অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিতিশীলতা এবং উত্তর-উপনিবেশবাদী (Post-colonial) ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার নিরিখে প্রণীত এই ১৯ দফা কেবল একটি সাময়িক রাজনৈতিক ইশতেহার ছিল না; বরং তা ছিল একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মপরিচয় ও টেকসই বুনিয়াদ গড়ার তাত্ত্বিক দলিল। বর্তমান একুশ শতকের বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে যখন আমরা একটি কল্যাণমুখী, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছি, তখন প্রেসিডেন্ট জিয়ার এই ১৯ দফা কর্মসূচির উপযোগিতা ও প্রাসঙ্গিকতা নতুন করে প্রাতিষ্ঠানিক, রাষ্ট্রবৈজ্ঞানিক ও সমাজতাত্ত্বিক পর্যালোচনার দাবি রাখে।
নিবন্ধের তাত্ত্বিক গভীরতার স্বার্থে প্রথমে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ১৯ দফা কর্মসূচিটি নিচে উপস্থাপন করা হলো:
১. সর্বতোভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
২. রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বস্তরে শাসনতন্ত্রের চারটি মূলনীতি, অর্থাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র অর্থাৎ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার প্রতিফলিত করা।
৩. সর্বপ্রকারে নিজেদের একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা।
৪. দেশের উৎপাদন বৃদ্ধির গতিকে ত্বরান্বিত করা এবং দেশবাসীকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলা।
৫. সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে গ্রামভিত্তিক প্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও সমবায় ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৬. কৃষি ব্যবস্থার বৈপ্লবিক সংস্কার ও পরিবর্তনের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদনে দেশবাসীকে স্বনির্ভর করে তোলা।
৭. কোনো লোক যেন না খেয়ে মরে, তার ব্যবস্থা করা এবং দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত করা।
৮. নিরক্ষরতা দূরীকরণের মাধ্যমে দেশে গণশিক্ষা প্রসারের এক ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা।
৯. দেশের সব নাগরিকের জন্য ন্যূনতম চিকিৎসা সুযোগের ব্যবস্থা করা।
১০. সমাজ জীবন থেকে সব রকম দুর্নীতি ও কুসংস্কার দূর করা।
১১. শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন এবং কলকারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
১২. নারী সমাজকে উপযুক্ত মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করা এবং জাতীয় গঠনমূলক কাজে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া।
১৩. যুব সমাজকে সুসংগঠিত করা এবং যুব শক্তিকে দেশ গঠনে নিয়োজিত করা।
১৪. জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৫. সব বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে friendship গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করা।
১৬. দেশের শাসনব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা এবং বিচার ব্যবস্থার সংস্কার সাধন করা।
১৭. সব নাগরিকের জানমাল, মৌলিক অধিকার রক্ষা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা।
১৮. সরকারি কর্মচারীদের জনসেবামূলক মনোভাব গড়ে তোলা এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা ও দক্ষতার মান উন্নয়ন করা।
১৯. উপজাতি এবং পার্বত্য এলাকার মানুষের সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রগণ্য দফাসমূহ এবং রাজনৈতিক তত্ত্বের আলোকে সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা
এই ১৯টি দফার প্রতিটিই একটি আধুনিক রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভিত্তি নির্দেশ করে। বর্তমান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক রূপান্তর, সুশাসনের সংকট এবং ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে কয়েকটি দফা ‘সবার আগে’ এবং ‘সবচেয়ে বেশি’ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, যা সমকালীন রাজনৈতিক তত্ত্বের (Political Theories) কষ্টিপাথরে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন:
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও সমতার পররাষ্ট্রনীতি (দফা ১ ও ১৫): 'নিও-রিয়ালিজম' এবং 'কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন'
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিকতা: বর্তমান বহুমুখী ও জটিল ভূ-রাজনৈতিক (Geopolitical) প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক রাজনীতির ‘নব্য-বাস্তববাদ’ (Neo-realism) তত্ত্ব অনুযায়ী, একটি নৈরাজ্যবাদী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় (Anarchic International System) রাষ্ট্রের টিকে থাকা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তার নিজস্ব শক্তির ওপর নির্ভর করে। প্রেসিডেন্ট জিয়ার প্রথম দফায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ১৫ নম্বর দফায় ‘সমতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক’ ও ‘মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্ক জোরদার’ করার যে দর্শন ছিল, তা মূলত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের 'কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন' (Strategic Autonomy) তত্ত্বের সাথে সংগতিপূর্ণ। বর্তমান বৈশ্বিক মেরুকরণে বাংলাদেশ যখন বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে, তখন কোনো বিশেষ ব্লকের দিকে অন্ধভাবে ঝুঁকে না পড়ে সমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক দরকষাকষির নীতি এবং আঞ্চলিক জোট গঠন অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সার্বভৌমত্বকে কেবল সামরিক নয়, বরং ভূ-অর্থনৈতিক দিক থেকে সুরক্ষিত করতে এই তত্ত্বের প্রয়োগ আজ রাষ্ট্র বিনির্মাণে অপরিহার্য।
২. শাসনব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ (দফা ৫ ও ১৬): 'সাবসিডিয়ারিটি' ও 'অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র'
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিকতা: একটি কার্যকর ও টেকসই রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রধান শর্ত হলো ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralization)। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের 'সাবসিডিয়ারিটি তত্ত্ব' (Principle of Subsidiarity) নির্দেশ করে যে, কোনো সামাজিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সর্বদা কেন্দ্র থেকে না নিয়ে তৃণমূল বা সম্ভাব্য সর্বনিম্ন স্তর থেকে নেওয়া উচিত। বর্তমান বাংলাদেশে সব উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অতি-মাত্রায় ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে, যা আঞ্চলিক বৈষম্য তীব্র করছে। ১৯ দফার ১৬ নম্বর দফায় ‘শাসনব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও বিচার ব্যবস্থার সংস্কার’ এবং ৫ নম্বর দফায় ‘গ্রামভিত্তিক প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার’ গঠনের যে তাগিদ দেওয়া হয়েছিল, তা মূলত 'অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র' (Participatory Democracy) তত্ত্বের বাস্তব রূপ। তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা ছাড়া আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ববাদ ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।
৩. দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন (দফা ১০): 'সুশাসন তত্ত্ব' এবং 'সামাজিক চুক্তি'
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিকতা: সমসাময়িক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা ধরে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হলো পদ্ধতিগত দুর্নীতি ও অর্থ পাচার। ১০ নম্বর দফায় ‘সমাজ জীবন থেকে সব রকম দুর্নীতি ও কুসংস্কার দূর করার’ যে অঙ্গীকার ছিল, তা আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের 'সুশাসন তত্ত্ব' (Governance Theory) এবং জন লক-এর 'সামাজিক চুক্তি তত্ত্ব' (Social Contract Theory)-এর মূল ভিত্তি। সুশাসন তত্ত্ব মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। দুর্নীতি যখন রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্রকে গ্রাস করে, তখন জনগণের সাথে রাষ্ট্রের সামাজিক চুক্তি ভেঙে পড়ে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমতাধর্মী ও আইনি কাঠামোর বাংলাদেশ গড়তে ১৯ দফার এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন দর্শনটি আজ রাষ্ট্রীয় শুদ্ধাচার নীতির প্রধানতম চালিকাশক্তি হওয়া উচিত।
৪. যুবশক্তির উপযোগিতা এবং দেশ গঠন (দফা ১৩): 'মানব পুঁজি তত্ত্ব'
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিকতা: বাংলাদেশ বর্তমানে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ (Demographic Dividend) বা জনমিতিক লভ্যাংশের এক স্বর্ণালী সন্ধিক্ষণ পার করছে, যেখানে কর্মক্ষম যুবশক্তির সংখ্যা ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ স্তরে। ১৩ নম্বর দফায় ‘যুব সমাজকে সুসংগঠিত করা এবং যুব শক্তিকে দেশ গঠনে নিয়োজিত করার’ কথা বলা হয়েছিল, যা থিওডোর শুলৎজ ও গ্যারি বেকারের 'মানব পুঁজি তত্ত্ব' (Human Capital Theory)-এর সাথে হুবহু মিলে যায়। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও দক্ষতার বিকাশ ঘটানোর মাধ্যমে জনসংখ্যাকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব। বর্তমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (4IR) যুগে যদি এই বিশাল যুবসমাজকে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত, দক্ষ ও প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন মানবসম্পদে রূপান্তর করা না যায়, তবে এই জনমিতিক সুবিধা জনবিস্ফোরণ ও সামাজিক নৈরাজ্যে রূপ নেবে। মেধা পাচার (Brain Drain) রোধ করে যুবশক্তিকে রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজে লাগানোর তত্ত্বটি আজ তাই সর্বাধিক প্রাসঙ্গিক।
৫. বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক সুবিচার ও স্বনির্ভরতা (দফা ২, ৪ ও ৭): 'ডিস্ট্রিবিউটিভ জাস্টিস' বা 'বণ্টনমূলক ন্যায়বিচার'
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিকতা: সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অস্থিতিশীলতা, মূল্যস্ফীতি এবং ক্রমবর্ধমান ধনী-দরিদ্রের বৈষম্যের প্রেক্ষাপটে জন রলসের 'বণ্টনমূলক ন্যায়বিচার' (Distributive Justice) তত্ত্বটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যা ১৯ দফার ২ নম্বর দফার ‘অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার’ এবং ৪ ও ৭ নম্বর দফার ‘দেশবাসীকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তোলা’ দর্শনের সাথে চমৎকারভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। রলসের তত্ত্ব মতে, সমাজের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব। উৎপাদনশীল খাতের বিকাশ, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা এবং একটি আত্মমর্যাদাশীল স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার এই দর্শন বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীলতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করার জন্য আজ একুশ শতকের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক এজেন্ডা। [
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি কেবল একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল বা সাময়িক স্লোগান নয়; এটি মূলত একটি রাষ্ট্রের কাঠামোগত রূপান্তরের এক সুসংহত তাত্ত্বিক দর্শন (Holistic Paradigm)। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নব্য-বাস্তববাদ ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মানব পুঁজির সঠিক ব্যবহার এবং বণ্টনমূলক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার যে দূরদর্শিতা এই কর্মসূচিতে প্রতিফলিত হয়েছিল, তা সমকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংকট উত্তরণে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর। একটি প্রগতিশীল, বৈষম্যহীন, সার্বভৌম এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে আকাঙ্ক্ষা আজ এ দেশের আপামর জনসাধারণের মনে প্রোথিত, ১৯ দফা কর্মসূচির সফল, প্রাতিষ্ঠানিক ও আধুনিক তাত্ত্বিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তার চূড়ান্ত রূপ দেওয়া সম্ভব।
লেখকঃ - প্রফেসর ড. আসিফ মিজান
উপাচার্য, দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়, সোমালিয়া এবং রাজনীতি বিশ্লেষক।