সংখ্যালঘুদের ওপর নির্দিষ্ট আক্রমণের প্রমাণ মেলেনি: কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৫:৪১ অপরাহ্ন, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৩ অপরাহ্ন, ১৫ জুলাই ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমন-পীড়নের ঘটনা পর্যবেক্ষক দল প্রত্যক্ষ করেনি বলে জানিয়েছে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল।

আজ শনিবার রাজধানীর Iহোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন দলটির চেয়ার ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পর্যবেক্ষক দলের কাছে এমন কোনো সরাসরি রিপোর্ট আসেনি যে নির্বাচনের সময় কোনো সংখ্যালঘু গোষ্ঠী আক্রান্ত হয়েছে।’

তবে তিনি উল্লেখ করেন, কিছু অঞ্চলে সংখ্যালঘু ভোটারদের উপস্থিতির হার তুলনামূলক কম ছিল এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটাররা তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এসব বিষয় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

নানা আকুফো-আডো বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এটি একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পর্যবেক্ষকরা দেখেছেন, দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলেও প্রায় সব প্রার্থীর জন্য ভোটাধিকার, প্রার্থী নিবন্ধন ও ফল গণনা প্রক্রিয়া উন্মুক্ত ছিল। প্রায় দুই হাজার প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে পর্যবেক্ষক দলের প্রধান বলেন, ভোটগ্রহণকালে বড় ধরনের কোনো জালিয়াতি বা ফ্রডের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিছু ছোটখাটো অনিয়ম থাকলেও আপিল ও অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়েছে।

জুলাই চাটার বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রেফারেন্ডামের মাধ্যমে চাটারের শর্তাবলি বৈধতা পেয়েছে এবং তা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক। এটি নতুন সংসদ ও সরকারের ওপর প্রযোজ্য। জনগণের ভোটের মাধ্যমে এ দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং রেফারেন্ডাম সরকারের দায়িত্ব আরও সুস্পষ্ট করেছে।