থানায় ঝুলছিল পুলিশ হেফাজতে থাকা নারীর মরদেহ

Tajuddin Ahmed
Tajuddin Ahmed Tajuddin Ahmed
প্রকাশিত: ৩:২৯ অপরাহ্ন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১১:২৬ অপরাহ্ন, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লায় হোমনা থানা পুলিশ হেফাজতে থাকা ববিতা নামের এক নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুমিল্লার হোমনা থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কের একটি কক্ষ থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, কক্ষে নিহত ববিতার সঙ্গে আরও একজন নারী আসামি এবং একজন নারী গ্রাম পুলিশ ছিলেন। ভোরের দিকে স্টাফরুমে যাওয়ার সুযোগে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সকালে ববিতার মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) পুলিশ ওই নারীকে নিয়মিত একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। আজ তাকে আদালতে সোপর্দ করার কথা ছিল।


হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্শেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, বুধবার সকালে ববিতা তার সতীনের ১১ বছর বয়সী ছেলে সায়মনকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করেন। ছুরিকাঘাতে শিশুটির নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়রা ববিতাকে আটক করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া হোমনা থানায় মামলা করেন।