আজ ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন
নিজস্ব মেধা ও যোগ্যতায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ ২৫ অক্টোবর ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি জাইমা রহমান আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
জাইমা রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা। তাঁর দাদা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর নানা প্রয়াত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ছিলেন বাংলাদেশের নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত একজন ব্যক্তিত্ব।
লন্ডনে শিক্ষা ও ব্যারিস্টারি অর্জন
জাইমা রহমানের শিক্ষাজীবনের সূচনা ঢাকায়। যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আগে তিনি ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক (এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ঐতিহ্যবাহী আইনি প্রতিষ্ঠান ইনার টেম্পলের মাধ্যমে ব্যারিস্টারি পেশার যোগ্যতা অর্জন করেন।
তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক আইন ও আইনি কাঠামো সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করেছে। পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি আইন পেশায় নিজস্ব অবস্থান তৈরি করাও তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।
আন্তর্জাতিক পরিসরে অংশগ্রহণ
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নেন জাইমা রহমান—এমন তথ্য বিভিন্ন আলোচনায় উঠে এসেছে। ওই সফরে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও প্রতিনিধিদলে ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়।
আন্তর্জাতিক পরিসরে এ ধরনের অংশগ্রহণ তাঁর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হয়। তবে তাঁর বর্তমান পেশাগত পদ ও জাতিসংঘে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রকাশের আগে আনুষ্ঠানিক তথ্যসূত্র নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মানবিক মূল্যবোধ ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা
পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, সুশাসন ও মানবাধিকারের মতো বিষয়ে কাজ করার আগ্রহের কথাও জাইমা রহমানকে ঘিরে আলোচনায় উঠে আসে। আইন ও জনসেবার ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে কাজে লাগবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে তাঁর শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে।
জন্মদিন শুধু ব্যক্তিজীবনের একটি বিশেষ দিন নয়; এটি অতীতের অর্জন পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতের নতুন লক্ষ্য নির্ধারণেরও উপলক্ষ। সেই বিবেচনায় জাইমা রহমানের জন্মদিনে তাঁর শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা ও জনকল্যাণমূলক কাজে আরও সাফল্য কামনা করছেন শুভানুধ্যায়ীরা।
শুভ জন্মদিন, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। নতুন বছর তাঁর জীবনে বয়ে আনুক সাফল্য, সুস্থতা ও সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত।