ভারত থেকে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৯টি নতুন কোচ

Newsdesk | প্রকাশিত: ১:২০ অপরাহ্ন, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ভারতের কাপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ ফ্যাক্টরি (আরসিএফ) তৈরি করেছে ১৯টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের প্রথম রেক।

বুধবার (১২ আগস্ট) এই রেকটি আনুষ্ঠানিকভাবে রোল আউট করার কথা রয়েছে।

ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রথম রেকে রয়েছে তিনটি এসি স্লিপার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, ১১টি নন-এসি চেয়ার কোচ এবং দুটি পাওয়ার কার। বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী ও পরিচালনাগত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে বিশেষভাবে এসব কোচের নকশা ও বিভিন্ন সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে।


কোচগুলোতে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বিশেষভাবে তৈরি রিক্লাইনিং চেয়ার, স্টেইনলেস স্টিলের আর্মরেস্ট ও ফুটরেস্ট রয়েছে। পাশাপাশি এসি কোচে ফ্যান, সমন্বিত সিসিটিভি নজরদারি ব্যবস্থা, যাত্রীদের জন্য অ্যালার্ম সিস্টেম, আংশিক খোলা যায় এমন জানালা, শিশু পরিচর্যা কক্ষ এবং নামাজের কক্ষ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের বিশেষ পরিচালন পরিস্থিতি বিবেচনায় কোচের ছাদও শক্তিশালী করা হয়েছে।

নিরাপত্তার দিক থেকেও কোচগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ইউরোপীয় মানদণ্ড ইএন ১৫২২৭ অনুসরণ করে সংঘর্ষে তুলনামূলক বেশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো নকশা রাখা হয়েছে। এ জন্য কোচের বডি শেলের নকশায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া ভারতীয় রেলের প্রচলিত ৭৫০ ভোল্টের পরিবর্তে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী এসব কোচে ৪১৫ ভোল্টের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


পিআইবি জানিয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরির সহযোগিতার ইতিহাসও রয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করেছিল। এরপর ২০২৪ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে সাত ধরনের ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ তৈরির নতুন অর্ডার দেয়। এবারের ১৯ কোচের রেক সেই অর্ডারেরই প্রথম চালান।


পরবর্তী খবর

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

| প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ন, ১২ অগাস্ট ২০২৬
সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে তরুণ-তরুণীদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আলোকিতে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক যুব দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ব্যবসা করার আর্থিক সামর্থ্য নেই এমন তরুণদের সিড মানি দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চলতি বাজেটে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার মূল শক্তি। তরুণদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে তারা শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো বিশ্বের সম্পদে পরিণত হবে।

জনমিতিক লভ্যাংশ বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অধ্যাপক জাহিদ হোসেন বলেন, সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে চায়। এ লক্ষ্য অর্জনে সমাজের সব মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের আলোচকরা বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষতা অর্জন এবং নেটওয়ার্কিং বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা তরুণদের শিক্ষার্থী, দক্ষ কর্মী, উদ্যোক্তা, নেতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ও পরিবর্তনের নেতৃত্বদাতা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তী খবর

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ন, ১২ অগাস্ট ২০২৬
আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা হলেও উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না। এক্সিলারেট টার্মিনাল আংশিক সক্ষমতায় চলছে। পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হবে। এটি বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে কথা বলছি। আজও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক আছে। কোন সময়ে টার্মিনাল বন্ধ রাখলে সবচেয়ে কম জনদুর্ভোগ হবে, সেটির সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে, এটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। সে কারণে বারবার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কাছে কারও কিছু করার নেই। আমরা অসহায়, প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। প্রকৃতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করতে পারব এবং সে ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

তিনি আরও বলেন, গ্যাস পর্যাপ্ত সরবরাহ না দিতে পারলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সংকট হবে। এ কারণে একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা গতকাল সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। আশা করছি, আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা হলেও উন্নতি হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে মিটিং করেছি, টিমও সেখানে গেছে। তাদের অফার নিয়ে কাজ চলছে। তাদের কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাব বলে আশা করছি। এটি মধ্যমেয়াদি সমাধান। হাতে যতগুলো বিকল্প আছে, সবগুলো নিয়েই কাজ করছি।

সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, সেটি দিনক্ষণ বেঁধে বলা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার প্রাণান্তকর চেষ্টা করছে। জনগণ নিশ্চয়ই বিষয়টি বুঝতে পারছেন। চেষ্টার ন্যূনতম কোনো ত্রুটি নেই। ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজির ব্যাপারে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

বিগত সরকারগুলো মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজেনি দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে গেছে। এ কারণেই হঠাৎ করে সংকট দেখা দিয়েছে। একটি সময়ে এই পরিস্থিতির মুখে পড়তেই হতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গ্রীষ্মকালীন সময়ে এ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।
পরবর্তী খবর

হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র : বাণিজ্যমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৪:৫৪ অপরাহ্ন, ১২ অগাস্ট ২০২৬
বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রচলিত রপ্তানি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন সম্ভাবনাময় খাতের দিকে নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির আব্দুল মুক্তাদির। এ ক্ষেত্রে তিনি আসিয়ান অঞ্চলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহবান জানান।

বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত “আসিয়ান অঞ্চলে হালাল ইকোসিস্টেম: বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান। 

সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, হালাল অর্থনীতিকে এখন আর শুধু খাদ্য ও পানীয় খাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সুযোগ নেই। এটি বর্তমানে খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনী, মোডেস্ট ফ্যাশন, পর্যটন, লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি বৃহৎ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য প্রথমে আমাদের নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও আকর্ষণীয় পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার বিনিয়োগ আকর্ষণের অন্যতম প্রধান শর্ত। এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি সুবিধা ধরে রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক হালাল বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দেশে একটি স্বাধীন, নির্ভরযোগ্য ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হালাল সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। এটি বাংলাদেশের পণ্যের প্রতি বৈশ্বিক আস্থা বাড়াবে এবং নতুন বাজার তৈরিতে সহায়তা করবে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি খাত দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাকনির্ভর হলেও ভবিষ্যতের বৈশ্বিক বাণিজ্যে টিকে থাকতে হলে পণ্য ও বাজার—দুই ক্ষেত্রেই বহুমুখীকরণ প্রয়োজন। হালাল অর্থনীতি হতে পারে সেই নতুন সম্ভাবনার অন্যতম বড় ক্ষেত্র।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হালাল পণ্যের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। শুধু খাদ্য নয়, বরং ওষুধ, প্রসাধনী, ফ্যাশন, পর্যটন ও জীবনধারাভিত্তিক পণ্যেও হালাল মানের গুরুত্ব বাড়ছে। এই বাজারে প্রবেশের জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ ও সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা।

আলোচনায় উঠে আসে, আসিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ার হালাল ইকোসিস্টেম বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হতে পারে। দেশটি হালালকে শুধু একটি পণ্য হিসেবে দেখেনি; বরং উৎপাদন থেকে শুরু করে গবেষণা, সার্টিফিকেশন, বিপণন ও রপ্তানি পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় রূপ দিয়েছে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রয়েছে বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার, শক্তিশালী কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাত, ওষুধ শিল্প, চামড়া শিল্প এবং পোশাক খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। এসব সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বৈশ্বিক হালাল সরবরাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে।

সেমিনারে বাংলাদেশের হালাল খাতকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে পাঁচটি কৌশলগত অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো- 

১. আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য জাতীয় হালাল নিশ্চয়তা কাঠামো তৈরি করা।
২. আধুনিক পরীক্ষাগার ও উন্নত লজিস্টিক সুবিধাসহ বিশেষায়িত হালাল শিল্প ক্লাস্টার গড়ে তোলা।
৩. বিদ্যমান উৎপাদন খাতগুলোকে আন্তর্জাতিক মান ও প্রতিযোগিতার উপযোগী করা।
৪. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), গবেষক ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করা।
৫. অর্থনৈতিক কূটনীতির মাধ্যমে “বাংলাদেশ হালাল ব্র্যান্ড”কে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠিত করা।

বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রেদওয়ানুর রহমান সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইআইএসএসের গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর।

প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হালাল সার্টিফিকেশন (লাইভস্টক) বিভাগের উপপরিচালক আকতার হোসেন এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) উপপরিচালক (হালাল সার্টিফিকেশন) এস এম আবু সাঈদ।

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধের পাশাপাশি পণ্যের মান, নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক আস্থা নিশ্চিত করতে পারলে হালাল অর্থনীতি বাংলাদেশের রপ্তানির নতুন ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

এখন প্রয়োজন সরকারি উদ্যোগ, বেসরকারি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং একটি কার্যকর হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু হালাল পণ্য রপ্তানিকারক নয়, বরং বৈশ্বিক হালাল বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৪:৫২ অপরাহ্ন, ১২ অগাস্ট ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুল নেওয়ার খবরটিকে গুজব বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (১২আগস্ট) রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে বিশ্ব যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি গুজবের একটি অংশ। তিনি আরও বলেন, ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন কোনো জটিলতা নেই যা সমাধান করা সম্ভব নয়।

মন্ত্রী বলেন, তরুণরাই একটি দেশ ও জাতির মূল শক্তি। তরুণরাই একটি দেশের জন্য আশীর্বাদ। বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাদের সঠিক স্কিল এবং শিক্ষা দিতে পারলে তারা দেশের জন্য অবদান রাখবে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। পৃথিবী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করছে। মন্ত্রী আরও বলেন, তরুণদের শক্তি একটি দেশের উন্নতিতে ইতিবাচক মাত্রা যোগ করে। ইতোমধ্যেই বর্তমান সরকার তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

পরবর্তী খবর

কোকোর জন্মদিন, বনানী কবরস্থানে বিএনপি নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধা

| প্রকাশিত: ১:১৬ অপরাহ্ন, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন পালিত হচ্ছে আজ বুধবার (১২ আগস্ট)। দিবসটি উপলক্ষে সকালে বনানী কবরস্থানে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।


সেই সঙ্গে বিকেল সাড়ে ৫টায় মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের (এসবিএনসিএস) মিডিয়া সেন্টারে তার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো। তিনি ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ায় মারা যান।


তিনি স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।


পরবর্তী খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডিশ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

| প্রকাশিত: ৬:০৯ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুইডেনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা ও প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সুইডেনসহ ইউরোপের বাজারে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষণ জোরদার এবং দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানির ক্ষেত্রে সুইডেন সরকারের নিবিড় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

আলোচনায় সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের ‘দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কৌশল’ (Bilateral Cooperation Strategy) রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই গভীর হচ্ছে বলেও জানান তিনি। রেডিমেড গার্মেন্টস, স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে।

রাষ্ট্রদূত জানান, বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি অবস্থান করছেন, যাদের বড় একটি অংশ শিক্ষার্থী।

সুইডেনে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, অসাধু মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে কিছু নিরপরাধ মানুষ অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। উন্নত জীবনের প্রত্যাশা এবং পাচারকারীদের প্রলোভনই অনিয়মিত অভিবাসনের অন্যতম প্রধান কারণ। এ সমস্যা দূর করতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা সংকটকে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সুইডেন রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হওয়ায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে রাখতে দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর অনুরোধ জানান।

সুইডিশ রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে কাজ করার সুইডিশ আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র সমাধান।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডিশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তী খবর

এনার্জি সেক্টরে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি: জ্বালানিমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৬:০৬ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, আমাদের সরকার প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেন্ডলি। বিশেষ করে এনার্জি সেক্টরে প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে আমরা আগ্রহী। এনার্জি সেক্টরে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট : সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রাইসিস মোমেন্টে অনেকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। তাদের বলতে চাই, দেশের ক্রাইসিসকে বাড়িয়ে দিয়ে আপনারা কিছু হাসিল করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, অতীতের সরকার উন্নয়নের নাম দিয়ে ১৬ বছর ক্ষমতায় ছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে দেখলাম, কোথায় পয়সা বানানো যাবে, সেখানে উন্নয়ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখন একটা এফএসআরইউ বন্ধ হয়েছে আর সারা দেশে গ্যাসের জন্য হাহাকার লেগে গেছে। গ্যাস সংকট নিয়ে আমরা শিল্পমালিকদের সঙ্গে বসব। আমাদের দেশের শিল্পমালিকরা যেন বিপদে না পড়ে, সেদিকে আমরা খেয়াল রাখছি।

মন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে খুব সতর্কতার সঙ্গে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে আগাতে হবে। কেননা এগুলো করার কারণে অনেক ফাইন্যান্স বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, সোলারের ব্যাপারে আমরা অ্যাগ্রেসিভ। এটাকে বিজনেস অরিয়েন্টেড করার জন্য আমরা কাজ করেছি। দুই মাসের মধ্যে আমরা পলিসি তৈরি করেছি। আমরা যা পলিসিতে বলেছি, ওটাই বাস্তবায়ন হবে। ওপেক্স মডেলে ঢাকা শহর থেকে শুরু করে সারা দেশে সোলার ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

| প্রকাশিত: ৬:০৪ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সভায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, বিরোধী দলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং হুইপ আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম বকুল, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া ও এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) অংশ নেন।

সভায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, রাষ্ট্র কাঠামোর সর্বক্ষেত্রে ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে হবে। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ একটি ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ।



সভায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষ ব্যবহার, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা প্রদান এবং সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ বিষয়ে সভার কার্যবিবরণী প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ অনুমোদন করা হয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা ও অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়।


উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ৩ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

সভায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পরবর্তী খবর

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে ২৭ আগস্ট

| প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আগামী ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১-এর পরিচালক মনির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রপতির আদেশ উদ্ধৃত করে বলা হয়, আগামী ২৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবিধান অনুযায়ী, একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর পরবর্তী অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতি ৬০ দিনের বেশি হওয়ার সুযোগ নেই। সেই আইনি বাধ্যবাধকতা থেকেই সংসদীয় এই অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। অধিবেশনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপন ও নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে।
পরবর্তী খবর

‘সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী’

| প্রকাশিত: ৬:০১ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬
সরকার গঠনের ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই জনগণের সামনে সরকারের অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরতে পারেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

১৮০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর মন্ত্রিসভায় রদবদল করা হবে সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো সময় মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কাজ মূল্যায়ন করে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা বলেন, রেলপথ সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ইশতেহারে ঘোষিত আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেন সেবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রিক কমিউটার’ নামে নতুন এক জোড়া ট্রেন চালু করা হয়েছে।

সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রম মূল্যায়নের বিষয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, এই সময়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কী ধরনের কাজ করেছে, তা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীদের সমন্বয়ে একটি কমিটি রয়েছে। তিনি নিজেও ওই কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড ও অগ্রগতি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ১৮০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই জনগণের সামনে সরকারের অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।

এদিকে ভারতের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও পৃথক একটি আমন্ত্রণ রয়েছে।

তিনি জানান, সরকার গঠনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই সফর যেকোনো সময় হতে পারে বলেও জানান তিনি।

সাকিব আল হাসান ও শেখ হাসিনার প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা। সাকিব আল হাসান ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে শেখ হাসিনার সঙ্গে এলাইনড হয় এবং এখনো আছে, সে নষ্ট-পচে যাওয়া মানুষ।

সাকিব আল হাসানের বক্তব্যকে সরকারকে কিছুটা চাপে ফেলার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শুধু সাকিব আল হাসান নন, শেখ হাসিনাও বাংলাদেশে এলে পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে আসবেন এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় তিনি পূর্ণ অধিকার ভোগ করবেন। এরপর আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সবাই তা মেনে নেবেন।

তিনি বলেন, ‘এটি ফ্যাসিস্ট আমল নয়, এটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।’ সাকিব আল হাসান কিংবা শেখ হাসিনা—যেই হোন না কেন, তাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকলেও তারা নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না।