রাশিয়ার হামলায় কিয়েভে ১৬ শিশুসহ নিহত ৩১

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ৫:৫১ পূর্বাহ্ন, ১১ জুলাই ২০২৬

নতুন করে রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ১৬ শিশুসহ ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও ১৫০ জন।

গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত থেকে গতকাল শুক্রবার (১ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত কিয়েভে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে রুশ বাহিনী। এতে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে ১৬ জনই শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। সবচেয়ে কমবয়সী নিহত শিশুর বয়স ২ বছর। নিহতদের স্মরণে আজ শনিবার (২ আগস্ট) ইউক্রেনে জাতীয় শোকদিবস পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (১ আগস্ট) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামের এক পোস্টে এসব তথ্য জানান। এছাড়াও নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

জেলেনস্কির দাবি, রুশ বাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাড়িঘর, আবাসিক ভবন, স্কুল, কিন্ডারগার্টেন, চিকিৎসাকেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ভবনসহ বিভিন্ন ধরনের ১০০টিরও বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজধানী কিয়েভের আবাসিক এলাকার একটি বড় ৯ তলা ভবনের বিশাল অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

“ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবনের ধ্বংস্তূপগুলোতে দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা অনুসন্ধান চালাচ্ছেন। আমরা এখনও জানি না— কত মানুষ এসব ধ্বংসস্তূপের তলায় চাপা পড়েছেন”, টেলিগ্রামবার্তায় বলেন জেলেনস্কি।

হতাহতের সংখ্যা, ধ্বংসের মাত্রার হিসেবে এটি ছিল কিয়েভে রুশ বাহিনীর দ্বিতীয় বৃহত্তম হামলা। গত বছর জুলাই মাসে রুশ বাহিনীর রাতভর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তখন বলেছিলেন, অভিযানে শুধু ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

অভিযানের ৮ মাসের মাথায় ২০২২ সালের অক্টোবরে কিয়েভে হামলা করে রুশ সেনারা। সেটি ছিল ইউক্রেনের রাজধানীতে রাশিয়ার প্রথম হামলা।

শুক্রবারের টেলিগ্রামবার্তায় জেলেনস্কি জানান, সদ্য বিদায় নেওয়া জুলাই মাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইউক্রেনে মোট ৫ হাজার ১০০টিরও বেশি গ্লাইড বোমা, ৩ হাজার আট শতাধিক শাহেদ ড্রোন ও প্রায় ২৬০টি বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রুশ বাহিনী। নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে ১২৮টি ছিল ব্যালিস্টিক।