বিদেশে প্রথম বাংলাদেশি ভিসি ড. আসিফ মিজানকে সংবর্ধনা

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৭:১৬ অপরাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬



নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা


রাজধানীর মতিঝিলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো ‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩ ও বাউল সংগীত অনুষ্ঠান’। বরিশাল বিভাগ সমিতি, ঢাকা আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি গতকাল ১লা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) শেকড়ের টানে আসা মানুষের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। 


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোমালিয়ার দারুসসালাম ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর এবং আন্তর্জাতিক ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ পদকে ভূষিত প্রফেসর ড. আসিফ মিজান।


বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি ভিসি হওয়ার গৌরব অর্জন করায় এবং মানবাধিকার রক্ষায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. আসিফ মিজানকে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।


অনুষ্ঠানের শুরুতে বরিশাল বিভাগ সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুবেল হাওলাদারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ড. মিজানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন।


সংবর্ধনার প্রতিক্রিয়ায় ড. আসিফ মিজান বলেন, “শেকড়ের টানে আপন মানুষের মাঝে এমন অসাধারণ আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অভিভূত। শুদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় বরিশাল বিভাগ সমিতির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আশা করি, তাদের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করা ড. আসিফ মিজান দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও সোমালিয়ার বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যাপনা করছেন। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি মানবাধিকার রক্ষায় তার অসামান্য অবদানের জন্য তাকে ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও তিনি রোটারি ক্লাব অব ঢাকা স্কলারসের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম-সম্পাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত।


সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল ঐতিহ্যবাহী বাউল সংগীতের আসর। বাউল সুরের মূর্ছনা এবং গুণীজনদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।


অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে 

উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ জিয়াউর রহমান নবু, রুহুল আমিন হাওলাদার এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


আয়োজকরা জানান, বরিশালের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে রাজধানীর বুকে ছড়িয়ে দিতেই প্রতি বছর এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।