ইরানে বিক্ষোভ দমনের পর এবার শুরু হয়েছে ‘গণগ্রেপ্তার’

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ন, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:৪৭ অপরাহ্ন, ২১ অগাস্ট ২০২৬

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম কঠিন ও রক্তক্ষয়ী সময় পার করছে। সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক ধরপাকড়। নতুন কোনো গণঅভ্যুত্থান রুখতে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করে অস্থায়ী বন্দিশালায় রাখা হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে।

রয়টার্স ইরানের অভ্যন্তরে থাকা পাঁচ মানবাধিকার কর্মীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী দেশজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অনেককেই পরিচয় গোপন রাখা ‘সেফ হাউস’ বা গোপন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আইনজীবী, চিকিৎসক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যা এতই বেশি যে নিয়মিত কারাগারগুলোতে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন, অনেক বন্দিকে গুদামঘর বা বিভিন্ন অস্থায়ী বন্দিশালায় রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশটির বিচার বিভাগকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে আটককৃতদের মামলাগুলো প্রক্রিয়া করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে নতুন কোনো গণঅভ্যুত্থান ঠেকানোই এই ব্যাপক অভিযানের মূল লক্ষ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।