মাচাদোর নোবেল পুরস্কার নিতে ‘রাজি’ ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো তার পাওয়া শান্তিতে নোবেল পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন আগেই। এবার ট্রাম্প জানালেন, সেই পুরস্কারের ভাগ নিতে তিনি রাজি।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ফক্স নিউজের উপস্থাপন শেন হ্যানিটির এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ কথা বলেছেন।
এর আগে টিভি ও রেডিও অনুষ্ঠানে হ্যানিটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেই মাচাদো জানিয়েছিলেন, ভেনেজুয়েলাকে ‘মুক্ত’ করার জন্য তিনি তার নোবেল পুরস্কারটি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিতে চান।
এ কথা জানিয়ে হ্যানিটি জানতে চান, মাচাদোর সঙ্গে সাক্ষাতের কোনো পরিকল্পনা ট্রাম্পের রয়েছে কি না এবং সাক্ষাতে মাচাদো যদি তার নোবেল পুরস্কারটি সত্যিই ট্রাম্পকে দিতে চান, তিনি গ্রহণ করবেন কি না।
এ প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, আগামী সপ্তাহের কোনো একটি সময়ে তিনি এখানে আসবেন বলে জেনেছি। এবং আমি তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এবং আমি জেনেছি তিনি এটি করতে (নোবেল পুরস্কার দিতে) চান। এটি আমার জন্য সম্মানের বিষয় হবে।
তবে নোবেল বিজয়ী তার পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে তার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে বলেও জানান এরিক আসহেইম।
ট্রাম্প নিজে অবশ্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা কখনো গোপন করেননি। গত বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার আগেও তিনি বলেছিলেন, তিনি নোবেলের যোগ্য দাবিদার। শুধু তাই নয়, সাতটি যুদ্ধ বন্ধ করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, এর জন্য তাকে সাতটি নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া উচিত।
ট্রাম্প-মাচাদোর বৈঠকটি হলে সেটি এমন এক সময়ে হবে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট মাচাদোর দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ও তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক বাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে গেছেন।
ট্রাম্পের এ অভিযানকে বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে অভ্যন্তরীণ রজনীতিসহ সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে মাচাদো এ অভিযানে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, এ অভিযানের মাধ্যমে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাকে ‘মুক্ত’ করেছেন।