ক্যামব্রিজে ট্রেনে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ৯, দুজন গ্রেপ্তার

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১২:১৯ অপরাহ্ন, ০২ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১২:৪৬ অপরাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ক্যামব্রিজের কাছে একটি ট্রেনে একাধিক ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অন্তত ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। এই হামলায় সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (১ নভেম্বর) ডনকাস্টার থেকে কিংস ক্রসগামী স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটের ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। জরুরির সেবা ৯৯৯-এ কল পাওয়ার পর স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৯ মিনিটে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ হামলাকে 'ভয়াবহ ঘটনা' হিসেবে অভিহিত করেছেন।

এক্সে এক পোস্টে স্টারমার বলেন, এটি একটি উদ্বেগজনক ঘটনা। আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালানোয় জরুরি সেবার কর্মীদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

ব্রিটিশ ট্রান্সপোর্ট পুলিশ (বিটিপি) জানায়, পুরো ঘটনা ও এর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা জানতে তদন্ত চলছে। ব্রিটিশ পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটও এ ঘটনা তদন্তে সহায়তা করছে।

বিটিপির চিফ সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস কেসি বলেন, 'সঠিক তথ্য জানতে আমরা দ্রুত তদন্ত চালাচ্ছি। তদন্তে কিছুটা সময় লাগবে, তাই এখনই কোনো অনুমান করা ঠিক হবে না।'

ক্যামব্রিজশায়ার পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৮টার দিকে তারা খবর পায়, উত্তর ইংল্যান্ডের ডনকাস্টার থেকে লন্ডনের কিংস ক্রসগামী একটি ট্রেনে একাধিক যাত্রীকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ট্রেনটি হান্টিংডন স্টেশনে থামানো হয়, যেখানে পুলিশ ট্রেনে প্রবেশ করে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

রেন চেম্বার্স নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, রক্তাক্ত হাতে এক ব্যক্তি কামরার ভেতর দৌড়ে এসে চিৎকার করে বলেন, তাদের কাছে ছুরি আছে, দৌড়াও। এ সময় রেন ও তার বন্ধু ট্রেনের সামনের দিকে দৌড়ে যান এবং এক ব্যক্তিকে মেঝেতে লুটিয়ে পড়তে দেখেন।

লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের কর্মী ডিন ম্যাকফারলেন বলেন, তিনি ওই ট্রেনে এক যাত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। ট্রেন থামার পর একাধিক ব্যক্তি প্ল্যাটফর্মে রক্তাক্ত অবস্থায় দৌড়াতে শুরু করে, একজনের সাদা শার্ট পুরোটাই রক্তে ভেজা ছিল।

ইস্ট অব ইংল্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানায়, তারা হান্টিংডন রেলওয়ে স্টেশনে উদ্ধার অভিযান অংশ নিয়েছে। সেখানে অসংখ্য অ্যাম্বুলেন্স, ক্রিটিক্যাল কেয়ার টিম ও তিনটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়।