ড্রোন হামলায় হিজবুল্লাহর শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১:৩৯ অপরাহ্ন, ২৫ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ২:৪০ অপরাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর একজন শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইল।

গতকাল (শুক্রবার) ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে ড্রোন হামলা চালিয়ে হিজবুল্লাহর দক্ষিণ ফ্রন্ট সদর দপ্তরের লজিস্টিকপ্রধান কমান্ডার আব্বাস হাসান কার্কিকে হত্যা করা হয়েছে।

আইডিএফের দাবি, শুক্রবার ভোরে দক্ষিণ লেবাননের তুল শহরে গাড়ি চালানোর সময় কার্কিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আব্বাস কার্কি হিজবুল্লাহর যুদ্ধ ক্ষমতা পুনর্গঠন প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং যুদ্ধের সময় ভেঙে ফেলা অবকাঠামো পুনর্র্নিমাণের সহায়তা করেছেন। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ লেবাননে অস্ত্র স্থানান্তর ও সংরক্ষণ পরিচালনা এবং হিজবুল্লাহর অন্যান্য উচ্চপদস্থ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

আইডিএফ আরও বলেছে, ‘কার্কির কর্মকাণ্ড ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যে সমঝোতার লঙ্ঘন করেছে।’

এদিকে লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দক্ষিণ লেবাননের তুল শহরে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুজন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে। তবে হামলায় হিজবুল্লাহ কমান্ডার নিহত হওয়ার ইসরাইলের দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর লেবাননে ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল, যা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়।

সরকারী তথ্য অনুসারে, এই সংঘাতে কমপক্ষে ৪ হাজার মানুষ নিহত, ১৭ হাজারের বেশি মানুষ আহত এবং প্রায় ১৪ লাখ লেবানিস বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুপক্ষ যুদ্ধবিরতি রাজি হয়। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলি বাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করার কথা ছিল। কিন্তু তারা এখনো পর্যন্ত কেবল আংশিকভাবে সেনা প্রত্যাহার করেছে এবং পাঁচটি সীমান্ত চৌকিতে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে প্রায় প্রতিদিনই আক্রমণ চালিয়ে আসছে ইসরাইলি বাহিনী।