রাশিয়ার গ্যাস আমদানি বন্ধ করবে ইইউ

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, ২১ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ১২:৪২ অপরাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়ার জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নতুন আইন অনুমোদন করেছে।

এই আইন অনুসারে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পাইপলাইন ও এলএনজি আমদানি বন্ধ হবে, তবে বিদ্যমান চুক্তিগুলোর জন্য ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এটি ইইউ-এর 'আরই-পাওয়ার-ইইউ' পরিকল্পনার অংশ। বর্তমানে ইইউ-এর মোট গ্যাস আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ রাশিয়া থেকে আসে। ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ইইউ।

২০২৫ সালের ১৭ জুনের আগে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত চালু থাকবে, আর দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ২০২৮ সালের শুরু পর্যন্ত বহাল থাকবে।

ইইউ জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত তাদের ‘আরই-পাওয়ার-ইইউ’ পরিকল্পনার অংশ, যার লক্ষ্য রাশিয়ার জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করা। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যেসব দেশ এখনও রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল, তাদের দ্রুত বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে নিজস্ব পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।

ইইউ কমিশন জানিয়েছে, নতুন আইন কার্যকরের পর দুই বছরের মধ্যে এর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে। প্রয়োজনে সরবরাহ সংকট দেখা দিলে সাময়িক ছাড় দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

এর আগে ইইউ রাশিয়ার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত থাকবে।

ইইউর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে সংস্থাটিতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমে ৩ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। তবে রুশ গ্যাস এখনও মোট আমদানির প্রায় ১৩ শতাংশ, যার বার্ষিক আর্থিক মূল্য ১৫ বিলিয়ন ইউরোরও বেশি