ইয়েমেনে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬, আহত ৮৬

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ৭:২৮ অপরাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরায়েলের হামলায় ছয়জন নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইয়েমেনের হুতি বাহিনীর নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে তারা এই পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইয়েমেন ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

হুতি বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজার ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে তারা ইসরায়েলে হামলা অব্যাহত রাখবে।

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরায়েলের হামলায় ছয়জন নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছেন বলে দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইসরায়েলে ইয়েমেনের হুতি বাহিনীর নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে রোববার এ হামলা চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী, জানিয়েছে রয়টার্স।

গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ইয়েমেন ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টের বাসভবন যে সমারিক কমপ্লেক্সের মধ্যে অবস্থিত সেখানে, দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ও একটি জ্বালানি সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে।

এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, “ইসরায়েল রাষ্ট্র ও এর বেসামরিকদের বিরুদ্ধে হুতি সন্ত্রাসী শাসনের বারবার আক্রমণের জবাবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে। সম্প্রতি হুতিরা ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ইউএভি ছুড়েছে।”

ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সামাজিক মাধ্যম এক্স এ জানিয়েছেন, এই হামলায় ছয়জন নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার হুতিরা জানিয়েছিল, সর্বশেষ হামলায় তারা ইসরায়েলের দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। গাজার ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে এ হামলা চালানো হয়।

রোববার ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই ক্ষেপণাস্ত্রটিতে সম্ভবত অনেকগুলো যুদ্ধাস্ত্র ছিল ‘যেগুলো আঘাত হানার সময় বিস্ফোরণ ঘটানোর উদ্দেশ্যে তৈরি কর ‘।

তিনি বলেন, “এই প্রথমবারের মতো ইয়েমেন থেকে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হল।”

ঊর্ধ্বতন হুতি কর্মকর্তা আব্দুল কাদের মুরতাদা রোববার বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে হুতিরা ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে যাবে।

এক্সে তিনি বলেন, “(ইসরায়েল) অবশ্যই জানে যে আমরা আমাদের গাজার ভাইদের ছেড়ে যাবো না, এর জন্য যত ত্যাগই করা লাগুক।”

২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই ইরান সমর্থিত হুতিরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে লোহিত সাগরে ইসরায়েলি ও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজগুলোতে হামলা শুরু করে। পাশাপাশি তারা প্রায়ই ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ও ড্রোন পাঠিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। তবে ইসরায়েল এগুলোর অধিকাংশকেই বাধা দিয়ে ধ্বংস করে আর জবাবে ইয়েমেনে পাল্টা হামলা চালায়।