যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুলকে ‘গার্ড অব অনারে’ শেষ বিদায়

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ৫:২৭ পূর্বাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামকে ‘গার্ড অব অনারে’র মাধ্যমে শেষ বিদায় জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন ও জনতা। এ সময় দিদারুলের বীরত্বগাঁথা স্মরণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সবাই।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল দিদারুলকে বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা। সেখানেই শ্রদ্ধা আর সম্মানের সঙ্গে জাতীয় বীরের মর্যাদায় অন্তিম যাত্রা হয় দিদারুলের।

ঝড়-বৃষ্টির পাশাপাশি বন্যার সতর্কতাও চলছিল নিউইয়র্কে। সবকিছু উপেক্ষা করেই বন্দুক হামলায় নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের জানাজায় উপস্থিত হন প্রায় ২০ হাজার মানুষ। এর মধ্যে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের সদস্যই উপস্থিত ছিলেন প্রায় পাঁচ হাজার। দিদারুলের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা ছিল তাদের সবার কণ্ঠে।

দিদারুলের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় ছিলেন নিউইয়র্কের গভর্নর, সিটি মেয়র, পুলিশ কমিশনার, আইন প্রণেতাসহ বিভিন্ন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং আসন্ন মেয়র নির্বাচনের প্রার্থীরা। তাদের বক্তব্যে বারবার উচ্চারিত হয়েছে বাংলাদেশের নাম।

জানাজা শেষে দিদারুলের মরদেহ দাফনের উদ্দেশে নেওয়া হলে রাস্তার ধারে হাজার হাজার পুলিশ সদস্য তাকে শেষবারের মতো স্যালুট জানান। আকাশ পথেও হেলিকপ্টারে দেওয়া হয় গার্ড অব অনার।

বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, দিদারুল ইসলামকে মরণোত্তর ফার্স্ট গ্রেড ডিটেকটিভ হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এতে দিদারুলের স্ত্রী, সন্তান ও পরিবার পেনশন থেকে শুরু করে সব ধরনের সুবিধা পাবে।

এর আগে গত সোমবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে পার্ক অ্যাভিনিউয়ে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। একটি বহুতল ভবনে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলামসহ চারজন। হামলার পর আত্মহত্যা করে বন্দুকধারী নিজেও।