কাশ্মির নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের ‘বাগ্‌যুদ্ধ’ চলছেই

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:০১ পূর্বাহ্ন, ৩১ মে ২০২৫ | আপডেট: ৯:৪১ পূর্বাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর অস্ত্রবিরতি হয়েছে আরও প্রায় তিন সপ্তাহ আগে। কিন্তু দুই দেশের মধ্যে বাগযুদ্ধ থেমে নেই। দুই প্রতিবেশী দেশই প্রতিপক্ষের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পালটাপালটি মন্তব্য এবং একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের দেশের অবস্থানের কথা তুলে ধরার চেষ্টাও জারি আছে।

ইরান সফরে গিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, পাকিস্তান শান্তির বিষয়ে কথা বলতে প্রস্তুত এবং তারা পানি, বাণিজ্য ও সন্ত্রাস মোকাবিলার বিষয়ে আলোচনায় বসতে পারে যদি ভারত গুরুত্ব দেয়।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এর মধ্যেই কাশ্মির ইস্যু নিয়ে আবার পালটাপালটি বিবৃতিতে জড়িয়েছে দুই দেশ। ভারত আরও একবার নিজেদের পক্ষ স্পষ্ট করে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা হলে তা ‘সন্ত্রাসবাদ’ নির্মূল করা এবং পাকিস্তানশাসিত কাশ্মির ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েই হবে। অন্যদিকে ইসলামাবাদের বক্তব্য, পাকিস্তান কখনোই কাশ্মির ছেড়ে যাবে না।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এক অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেছেন, পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের বাসিন্দাদের তিনি পরিবারের অংশ বলেই মনে করেন। তার দৃঢ় বিশ্বাস, পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের বাসিন্দারা একসময় নিজেদের ইচ্ছায় ভারতে ফিরে আসবেন।

পরে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে কাশ্মির ইস্যুতে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হলে তা দ্বিপাক্ষিকভাবেই হবে এবং এ বিষয়ের ওপর হবে যে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মির তারা (পাকিস্তান) কবে খালি করবে।

এরপর ইসলামাবাদও পালটা জবাব দেয়। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির জানিয়ে দেন, কাশ্মির নিয়ে কোনো সমঝোতা সম্ভব না। পাশাপাশি তার অভিযোগ ‘সন্ত্রাস’ নিয়ে। তার কথায়, সন্ত্রাস ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এর মূল কারণ দীর্ঘদিন ধরে দমিয়ে রাখা এবং সংখ্যালঘু, বিশেষত মুসলমানদের বিষয়ে তাদের বৈষম্যমূলক আচরণ। আর কাশ্মীর ইস্যুকে বৈশ্বিক বিষয় বলে অভিহিত করেন তিনি।