যে কারণে বিধ্বস্ত হলো দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান, পাখির আঘাতের প্রমান

newsdesk
newsdesk newsdesk
প্রকাশিত: ১:২২ অপরাহ্ন, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪ | আপডেট: ৫:২৬ পূর্বাহ্ন, ২২ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেজু এয়ারের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তে ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিমানটিতে ১৮১ আরোহী ছিল। বাকি দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে অবতরণের সময় জিওলা প্রদেশের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  বিমান বিধ্বস্তের দুটি করাণ জানিয়েছেন দেশটির অগ্নিনির্বাপন সংস্থার প্রধান।

বিধ্বস্ত বিমানটির বিভিন্ন অংশে আগুন জ্বলতে ও ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। সকাল ৮টা ৩০ মিটিটে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণের কথা ছিল বিমানটির। পাইলট বিমানের ক্রটি বুঝতে পেরে প্রথমবার অবতরণের প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হন। পাইলট আকাশের উপরে উঠে আরেকটি গো-অ্যারাউন্ড করে। কর্তৃপক্ষের মতে, দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটি দেখা দেয়। 

ল্যান্ডিং গিয়ারের ত্রুটির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে প্রাথমিক তদন্তে পাখির আঘাতের প্রমান পাওয়া গেছে। বিমানটি পাখির ঝাঁকের সাথে সংঘর্ষ হয় এবং পাখি ইঞ্জিনে প্রবেশ করেছে ধারণ করা হচ্ছে। এদিকে মুয়ান বিমানবন্দরে সমস্ত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ইয়োনহাপ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সমস্ত অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জেজু এয়ার দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম শীর্ষ বাজেট এয়ারলাইন। তাদের কোনো বিমান এই প্রথম প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় পড়ল। এমন এক সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটল, যখন দক্ষিণ কোরিয়া ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সুং-মককে দায়িত্ব নেয়ার দুই দিনের মাথায় এই সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে।