যুক্তরাষ্ট্র ইরানে এবং ইরান কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটিতে হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে।

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১২:৪৮ অপরাহ্ন, ২৪ জুন ২০২৫ | আপডেট: ১:২২ অপরাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে এবং ইরান কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটিতে হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৭০ দশমিক ৫১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তেলের বৈশ্বিক বাজারে এটি একটি বিশাল পতন।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেলের দরপতন বিপরীতমুখী মনে হলেও ওয়াশিংটনের থিংক ট্যাংক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের রবিন ব্রুকস, সোশ্যাল মিডিয়ায় উল্লেখ করেছেন, এটি সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত।

গোল্ডম্যান স্যাক্স ও আইএমএফের সাবেক এই অর্থনীতিবিদ বলছেন, যদি ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার ব্যাপারে সিরিয়াস হতো, তাহলে তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি তেলের ট্যাংকার ডুবিয়ে দিত।

বাজারের প্রতিক্রিয়া এই চিন্তাভাবনাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে বলেই মনে করছেন বিবিসির বাণিজ্য সংবাদদাতা জোনাথন জোসেফস। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশই জাহাজ চলাচলের সরু এই পথের ওপর নির্ভরশীল। ইরান এই পথকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে এমন শঙ্কা আপাতত কম বলেই মনে হচ্ছে।

সম্প্রতি জাহাজের নেভিগেশন সিস্টেমে ইলেকট্রনিক হস্তক্ষেপের পরিমাণ বাড়লেও এই অঞ্চল পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সামরিক বাহিনী বলছে, সমুদ্রের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই।