খালেদা জিয়ার জন্য ভাড়া করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় নামতে পারে মঙ্গলবার

newsdesk
newsdesk newsdesk
প্রকাশিত: ৪:১৯ অপরাহ্ন, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য জার্মানির যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ভাড়া করা হয়েছে, সেটি আগামী মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকায় অবতরণ করতে পারে। পরে মঙ্গলবার রাতেই তা আবার রওয়ানা দিতে পারে খালেদা জিয়াকে নিয়ে।

জার্মানভিত্তিক এয়ারলাইন্স এফএআই অ্যাভিয়েশন গ্রুপ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। সে আবেদনে সাড়া দিয়ে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এমন সময়সূচি দিয়ে অনুমতি দিয়েছে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) বেবিচকের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এফএআই অ্যাভিয়েশন গ্রুপের আবেদন গ্রহণ করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি মঙ্গলবার সকাল ৮টার সময় নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আবার রাত ৯টার দিতে ঢাকা থেকে রওয়ানা দিতে পারবে।


নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত খালেদা জিয়া সবশেষ ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন গত ২৩ নভেম্বর। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে দেশের বাইরের চিকিৎসকদেরও যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য ও চীন থেকে একাধিক চিকিৎসককে ঢাকাও নিয়ে আসা হয়েছে।

খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার কথা হচ্ছে। এর মধ্যে জানানো হয়েছিল, কাতারের আমির তাদের রাজপরিবারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি বাংলাদেশে পাঠাবে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য, যেটি ব্যবহার করে গত জানুয়ারিতেও তাকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছিলেন, গত শুক্রবার তাকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে।

পরে জানা গেছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে কাতার আমিরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি পাঠানো সম্ভব হয়নি। এর বদলে কাতারের পক্ষ থেকেই জার্মান একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে খালেদা জিয়ার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অবশ্য জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের ওপর। সেই বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনো তাকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সবুজ সংকেত মেলেনি।