১৪ ব্যক্তির সঙ্গে সাফজয়ী নারী ফুটবল দল পাচ্ছে একুশে পদক
বিভিন্ন খাতে ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছরের ‘একুশে পদক ২০২৫‘-এর জন্য ১৪ নাগরিকের নামের তালিকা চূড়ান্ত করেছে সরকার। তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল এ বছর এ পদকে ভূষিত হবে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ বছর যে ১৪ জন একুশে পদক পাচ্ছেন তাদের মধ্যে ছয়জন মরণোত্তর হিসেবে এ পদকে ভূষিত হবেন।
এ বছর ক্রীড়া খাতে একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল। এই দলটি গত বছরের ৩০ অক্টোবর দশরথ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে নেপালকে হারিয়ে দেশের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ছিনিয়ে আনে।
এ বছর যে ছয়জন মরণোত্তর একুশে পদক পাচ্ছেন তারা হলেন— ভাষা ও সাহিত্যে কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) ও কবি হেলাল হাফিজ; শিল্পকলার চলচ্চিত্র শাখায় চলচ্চিত্র পরিচালক আজিজুর রহমান (ছুটির ঘণ্টার পরিচালক) ও সংগীত শাখায় ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া; সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা; এবং সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী।
এ বছরের একুশে পদকের জন্য মনোনীত বাকিরা হলেন— গবেষণায় মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১-এর রচয়িতা), সংস্কৃতি ও শিক্ষায় ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী, দৃকের প্রতিষ্ঠাতা), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহেদী হাসান খান (অভ্রর জনক), সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান (দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক), শিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. নিয়াজ জামান এবং শিল্পকলার সংগীত শাখায় নজরুল সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন ও চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
একুশে পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বিভিন্ন খাতে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের জন্য দেশের নাগরিক বা প্রতিষ্ঠানকে এ পদকে ভূষিত করা হয়। এ পদকের নামের প্রেরণা এসেছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে। পদকটি প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।