দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআইতে হামলা-নাশকতা প্রতিরোধে কাজ করছে সেনাবাহিনী: সেনা সদর
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআইতে হামলা-নাশকতা প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তা বিষয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এ বিষয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয় বলে জানিয়েছেন সেনাসদরের কর্নেল-স্টাফ কর্নেল ইন্তেখাব হায়দার খান।
বৃহস্পতিবার ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন করা সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত সংবাদসম্মে
সেনাবাহিনী কত দিন মাঠে দায়িত্ব পালন করবে, সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয় উল্লেখ করে কর্নেল ইন্তেখাব বলেন, ‘সরকারের সিদ্ধান্তে সেনাবাহিনী শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে। সুতরাং সরকারের সিদ্ধান্তেই সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চাপ নেওয়ার জন্যই সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ নিয়েছে। তবে অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।’
কক্সবাজার এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কিনা– প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সার্বভৌমত্বের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি এই মুহূর্তে নেই। সেনাবাহিনী সবসময় ওই এলাকায় সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে। যদি কখনও ঝুঁকি আসে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সেনাবাহিনী প্রস্তুত। তা ছাড়া রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নিয়ে বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ অন্যান্য বাহিনী কাজ করছে।’
কর্নেল ইন্তেখাব বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ৩ হাজার ৫৮৯ ছাত্র–জনতাকে দেশের বিভিন্ন সিএমএইচে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যার মধ্যে ৩৬ জন এখনও চিকিৎসাধীন। শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হুসেন রংপুর সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।