রংপুরে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন দাবীতে ঐতিহ্যবাহী সিটি বাজার এদিনের জন্য বন্ধ
রংপুরে ব্যবসায়ীদের কয়েক দফা দাবীতে ঐতিহ্যবাহী সিটি বাজার এদিনের জন্য বন্ধ রয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (১৮.০১.২০২২) অবহেলিত সিটি বাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে সর্বস্থ সিটি বাজার ব্যবসায়ীবৃন্দের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা গেছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী সিটি বাজারের ৩৫ বৎসর থেকে উন্নয়ন না হওয়ায় এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে একাধিকবার নির্বাচিত রংপুর সিটি মেয়র দের নিকট দ্বারস্থ হয়েও, সারা না পাওয়ার প্রতিবাদে সমস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে সিটি বাজার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
দোকানদারগণ জানান- এক দিনে সিটি বাজার বন্ধে প্রায় ২০ কোটি টাকা লোকসান হবে তাদের। ব্যবসায়ীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- যুগোপযোগী আধুনিক মানের মহিলা ও পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা টয়লেট ব্যবস্থা , মোটরসাইকেল ও গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার জন্য গেটের ব্যবস্থা, সিটি বাজারের ক্রেতা চলাচলের সকল রাস্তা প্রশস্ত ও সংস্কার সহ পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে সিটি বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল বলেন, বিগত ৩৫ বছরে অবহেলিত রংপুর সিটি বাজারে যুগোপযোগী আধুনিক কোন উন্নয়ন হয়নি।
এ বিষয়ে কয়েক দফা নির্বাচিত মেয়র এর কাছে শরণাপন্ন হয়েও আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় গত ৩১/০৩/২০২১ইং সিটি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে গত ০২/০৪/২০২১ইং মেয়র সিটি বাজার ব্যবসায়ী কমিটির অফিস এসে পূর্বের ন্যায় অনেক আশার বাণী শুনিয়ে যান। কিন্তু মেয়র ৯ মাস পার হয়ে গেলেও উন্নয়নের কোন প্রকার উদ্যোগ নেননি। তিনি আরো বলেন, তাই আমরা সিটি বাজার ব্যবসা কমিটির উন্নয়ন সভায় সকল ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে আজকে প্রতিবাদ সমাবেশ ও সকল দোকান বন্ধ্যর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
উক্ত সময় সিটি বাজারের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন ছোট বাবু বলেন, রংপুর সিটি বাজার উত্তরবঙ্গের একটি বৃহৎ বাজার, যেখানে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটে। জলাবদ্ধতা, রাস্তা ভাঙা, ড্রেনেজ সমস্যা, পাবলিক টয়লেট, গাড়ি পার্কিংসহ বাজারটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। এ বিষয়ে শতাধিকবার রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে জানালেও কোন উন্নয়ন হয়নি কিংবা কোন উদ্যোগ নেয়নি। অথচ প্রতিবছর এই সিটি বাজার থেকে সিটি কর্পোরেশন প্রায় কয়েক কোটি টাকা আয় করে।
এই আয় থেকে বাজার উন্নয়নের জন্য (৪০%) ব্যয় করতো। তাহলে মেনে নেওয়া যেত।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, সহ- সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম বাবলু, নবাবগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী সকল ব্যবসায়ীবৃন্দ।
আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনার কথা জানালেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী
প্রতিবছর দেশে ৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী
শিক্ষা ব্যবস্থায় টেকসই পরিবর্তন আনতে সময় প্রয়োজন: ববি হাজ্জাজ
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৪
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১ দল
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষকে এই সংকট থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা বসে নেই। এই চক্র কৌশলে দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে বেশ সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খাত নিয়ে তারা নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
আজ শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অস্বীকার করেনি যে বর্তমানে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে রয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে পূর্বে যে অপরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশ, দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে পেয়েছে। নানা সংকট কাটিয়ে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে ইতোমধ্যে আমরা নানা কাজ শুরু করেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে যেন গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকট থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে বের করে আনা যায়।
এর আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে চিকিৎসক সমাবেশ শুরু হয়। এ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।
ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।
স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর