নিম্ন আদালতে বিচারাধীন মামলা ৪০ লাখের বেশি: সংসদে আইনমন্ত্রী

Shahinur Rahman Uzzol | প্রকাশিত: ৪:২০ অপরাহ্ন, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিম্ন আদালতে ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি আইন (সংশোধন)-২০২৬ পাসের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, উক্ত বিলে এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে সমন জারি করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে আরজি ও লিখিত জবাব দাখিল করা এবং সরাসরি জেরা করার বিধান প্রবর্তন করা হয়েছে। এ ছাড়া, ডিক্রি জারির জন্য পৃথক মামলা না করে মূল মামলায় সরাসরি দরখাস্ত দাখিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

মামলার জট নিরসনে ৮৭১ আদালত এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃজন করা হয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী। এ ছাড়া আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃজন প্রক্রিয়াধীন আছে। নতুন ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ কার্যক্রম চলমান আছে। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে অধস্তন আদালতের স্টেনো-টাইপিস্ট, স্টেনোগ্রাফার, অফিস সহায়ক ও চালকের শূন্যপদে ৭০৮ জন বিচার বিভাগীয় কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। বিভিন্ন পদে আরও ৫৫৩ কর্মচারী নিয়োগ চলমান আছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং মামলার জট নিরসনে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিরোধী দলের এমপি শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ছিল না। তবে, ফ্যাসিস্ট সরকার বিচারকদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্যকে মুখ্য মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে দলের প্রতি অনুগত বিচারকদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করত এবং যাঁরা স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনার চেষ্টা করতেন, সুপ্রিম কোর্টের সহায়তায় তাঁদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বদলির মাধ্যমে কার্যত শাস্তি দেওয়া হতো।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সেই পথ ধরে না হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সততা-দক্ষতা এবং বিচারকদের বিচারিক আচরণই হবে মানদণ্ড। সে লক্ষ্যেই আইন মন্ত্রণালয় সুপ্রিম কোর্টে সুপারিশ করবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের। সরকারের এ ক্ষেত্রে একক ক্ষমতা নেই।

বিএনপি দলীয় এমপি ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের যেসব আইন বর্তমান প্রেক্ষাপটে অকার্যকর বা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণপূর্বক সরকার পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা নতুনভাবে প্রণয়ন করবে। এ লক্ষ্যে ল কমিশন কাজ করছে এবং কমিশন হতে সুপারিশ প্রাপ্তির পর সরকার তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সরকারদলীয় এমপি মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ২০২৫ সালে ৪৬৭টি বিচারককে পেশাগত দক্ষতা, আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং বিচার কার্য পরিচালনায় সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া ২০২৬ সালের এখন পর্যন্ত ৯৩ বিচারককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে ২টি জেলায় ই-ফ্যামিলি কোর্ট চালু রয়েছে। এই ব্যবস্থায় পারিবারিক মামলা দায়ের, শুনানিসহ মামলার যাবতীয় কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হচ্ছে, যার ফলে মামলা পরিচালনা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কম খরচে সম্পন্ন হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও দূরবর্তী এলাকার মানুষ এই সুবিধার মাধ্যমে সহজে বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় ই-ফ্যামিলি কোর্ট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে। বিচার ব্যবস্থাকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্যে ‘ই-জুডিশিয়ারি’ শীর্ষক প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের পর্যবেক্ষণের আলোকে ডিপিপি পুনর্গঠনের কাজ চলমান আছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বিচারপ্রার্থী মানুষের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে।

স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। ফলে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ভুয়া মামলাগুলোর মধ্যে কত সংখ্যক মামলা তদন্তে বা আদালতের রায়ে মিথ্যা/ভিত্তিহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা সম্ভব নয় এবং এ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।

সরকার দলীয় এমপি মনোয়ার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মামলা প্রত্যাহারের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটির নীতিগত সিদ্ধান্তে কোনো হত্যা মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে বর্তমান সরকার কমিটি গঠন করেছে। রাজনৈতিক মামলা মামলাগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রত্যাহারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সরকার দলের এমপি রফিকুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তিতে গড়ে কত সময় লাগে তা নিয়ে কোনো সমীক্ষা হয়নি। এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য সরকারের কাছে নেই। ফৌজদারি দণ্ডবিধি অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৮০ দিন ও দায়রা আদালতে ৩৬০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির বিধান আছে। দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তির কোন সময়সীমা না থাকলেও কিছু গাইডলাইন রয়েছে। মামলার প্রকৃতি ও জটিলতা ভেদে কোনো মামলা এক বছরে নিষ্পত্তি হতে পারে। আবার কোনো মামলায় ৫ বছর বা তার থেকে বেশি সময় লাগতে পারে।

পরবর্তী খবর

সাড়ে ৭ ঘণ্টা ধরে রোম বিমানবন্দরে আটকা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট

| প্রকাশিত: ১:২২ পূর্বাহ্ন, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

ইতালির রোমের ফিউমিচিনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা ধরে আটকা পড়ে আছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিমানটির ২৫৯ জন যাত্রী।

জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বিমানটি রোম বিমানবন্দরে জ্বালানি ও ক্যাটারিং (খাবার) সংগ্রহের পর লন্ডনের উদ্দেশে পুনরায় উড্ডয়নের কথা ছিল। তবে টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমানটি উড্ডয়ন করতে পারেনি। সাড়ে ৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিমানটি রোম বিমানবন্দর ছাড়তে পারেনি। এ সময় যাত্রীরা বিমানবন্দরেই অপেক্ষা করছেন।

পরবর্তী খবর

বিটিভির মহাপরিচালক কে এই কাজী জেসিন?

| প্রকাশিত: ১০:৪৬ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নতুন মহাপরিচালক (গ্রেড-১) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন উপস্থাপক কাজী জেসিন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


বাংলাদেশের গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ কাজী জেসিন। তিনি একাধারে সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক, লেখক ও কবি হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সাংবাদিকতায় সক্রিয় থাকা কাজী জেসিন বিভিন্ন সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন।

গাইবান্ধা জেলায় জন্ম নেওয়া কাজী জেসিন যুক্তরাজ্যের কামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেকসই উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। লেখালেখির শুরু করেন ১৯৯৭ সালে লিটল ম্যাগাজিনে প্রবন্ধ লেখার মাধ্যমে। পরবর্তীতে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন।


পেশাগত জীবনে কাজী জেসিন দৈনিক আমার দেশ, এনটিভি, চ্যানেল ওয়ান, একুশে টেলিভিশন, বাংলাভিশন ও যমুনা টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।

টেলিভিশন সাংবাদিকতায় তার অন্যতম আলোচিত কাজ হলো রাজনৈতিক টকশো ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক বিষয়, জনস্বার্থ ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এই অনুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের সামনে ফিরছেন তিনি।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাহিত্য অঙ্গনেও রয়েছে কাজী জেসিনের পরিচিতি। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘জোৎস্নামত্ত যাত্রা’ (১৯৯৭) এবং ‘তানানুম তানানুম’ (২০১০)।

বর্তমানে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করছেন কাজী জেসিন। সাংবাদিকতা, টেলিভিশন উপস্থাপনা ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।

পরবর্তী খবর

দেশ ছাড়ার পর হাসিনা পরিবারের সদস্যরা এখন কোথায়?

| প্রকাশিত: ৭:২০ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগে ও পরে তার পরিবারের সদস্য এবং নিকটাত্মীয়দের প্রায় সবাই দেশ ছেড়েছেন। জানা গেছে, তাদের অধিকাংশ বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এ ছাড়া কেউ কেউ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও দুবাইয়ে রয়েছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। জানা যায়, তিনি বর্তমানে লন্ডন ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করছেন। সেদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। সরকার পতনের পর তিনি ভারতে গিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), যিনি ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন, বর্তমানে দিল্লি ও দুবাইয়ে অবস্থান করছেন বলে গণমাধ্যমের খবর প্রকাশিত হয়েছে।

শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি) সরকার পতনের সময় থাইল্যান্ডে ছিলেন। তার স্ত্রী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। রেহানার আরেক মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের নাগরিক ও দেশটির পার্লামেন্ট সদস্য। অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীও যুক্তরাজ্যে থাকেন।

পরিবারের বাইরে শেখ হাসিনার নিকটাত্মীয়দের বড় অংশও দেশ ছেড়েছেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। তার ছেলে শেখ ফজলে নাঈমও কলকাতায় রয়েছেন এবং আরেক ছেলে শেখ ফজলে ফাহিম সরকার পতনের আগেই দেশ ছাড়েন।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ সরকার পতনের পর ভারত হয়ে কানাডায় যান। পরে তিনি আবার ভারতে ফিরেছেন। শেখ ফজলুর রহমান মারুফ বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।

শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সরকার পতনের আগেই ভারতে যান বলে জানা গেছে। তার ছেলে আশিক আবদুল্লাহও তার সঙ্গে ভারতে গেছেন। আরেক ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ ভারত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবুল খায়ের আবদুল্লাহও সরকার পতনের পর ভারতে চলে যান বলে দলীয় সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন ও শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে তারা বসবাস করছেন বলে বিভিন্ন সময়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। শেখ হেলালের ছেলে শেখ তন্ময়ও ভারতে রয়েছেন। শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের স্ত্রী শাহানা ইয়াসমিন শম্পাও তার সঙ্গে আছেন। তবে শেখ হেলালের আরেক ভাই শেখ সোহেলের অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়নি।

শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) ও মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী) সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান।জানা গেছে, তারাও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার স্বজনদের মধ্যে কেবল আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ঢাকায় গ্রেফতার হন। তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং রাজনৈতিকভাবে তেমন পরিচিত ছিলেন না।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রের দাবি, শেখ হাসিনার স্বজনদের অনেকেই সাতক্ষীরা, সিলেট ও ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক যোগাযোগ এবং বিপুল অর্থের বিনিময়ে তারা নিরাপদে দেশ ছাড়তে সক্ষম হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ। তবে দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী দেশ ছাড়তে না পারায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলেও দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।

 

নিউজ সূত্র: যুগান্তর

পরবর্তী খবর

দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানি মন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৬:৫৯ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির সমাধান শেষে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আজ বিকেল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করবে। এর ফলে আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।  

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এফএসআরইউ মেরামত বিকেলের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিকেল থেকে গ্যাস সঞ্চালন আবার শুরু হবে। সঞ্চালন শুরু হয়ে গেলে আস্তে আস্তে আমাদের যেখানে প্রেসার কমে গেছে, প্রেসারটা উন্নত হবে এবং মোটামুটি যে সমস্যার মধ্যে পড়েছি, সে সমস্যা উৎরে করতে পারবো।  

গ্যাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত দিন লাগবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাভাবিক হতে দুই-তিন দিন তো লাগবে। মিনিমাম দুই-তিন দিন লাগবে। এটা (এফএসআরইউ) বন্ধ হওয়ার আগে যেমন ছিল, তেমনই হবে।

লোডশেডিং নিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্বাভাবিকভাবে গ্যাস না থাকলে মানুষও পাবে না, আমার পাওয়ার স্টেশনও পাবে না। এখন আমার যে পাওয়ার স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে, ওগুলা আবার চালু করবো। 
পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

| প্রকাশিত: ৬:৫৭ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই মারা গেছে ৪ শিশু। একইসঙ্গে নতুন করে ৮৬০ জনের শরীরে ধরা পড়েছে হামের উপসর্গ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৬০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে সারাদেশে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৬ শিশু। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮৫ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৬ হাজার ৭৪০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৭৩৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৭ জন।
পরবর্তী খবর

মহেশখালী থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

| প্রকাশিত: ৬:৫৫ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ- ফ্লোটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে এখন ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে বেড়েছে ২৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) চট্টগ্রামের উপ-মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মো. নাছির উদ্দীন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সঞ্চালন করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এফএসআরইউ কয়েকদিনের মধ্যে পুরোপুরি মেরামত সম্পন্ন হলে পুরোদমে গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে।

এর আগে, গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় টার্মিনালটির পুরো অপারেশন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রাকৃতিক গ্যাস সবররাহ অর্ধেকে নেমে আসে। নিয়মিতভাবে ৯৫০ থেকে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে আরপিজিসিএল
পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে পাঠিয়েছে সংসদ

| প্রকাশিত: ৬:৫৩ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ভোটার তালিকা পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইসির কাছে এই তালিকা পাঠানো হয়।তালিকা পাওয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বা তারিখ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। 

এর আগে সংসদ সচিবালয়ের কাছে ভোটার তালিকা চায় নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি ইসি সচিব ভোটার তালিকা চাওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন।

গত সোমবার নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছিলেন, তারা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে অনুরোধ করেছেন।
ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল এই জিনিসগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। সেই পদেই এখন ভোটের প্রস্তুতি চলছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে থাকেন।
তাই তাদের তালিকা নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।

পরবর্তী খবর

২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

| প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
আগামী ২০ আগস্ট ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ আগস্ট ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৮ আগস্ট।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে ১৩ আগস্ট ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন কক্ষে।

ইসি সচিব বলেন, সংসদ থেকে আমরা ভোটার তালিকা পেয়েছি।

ভোটার তালিকা এবং সিডিউলটা রেডি করে আপনাদের জানিয়ে দিলাম। এখন বাকিটুকু আমাদের এডমিনিস্ট্রেটিভ যে প্রসিডিউর আছে সেটুকু আমরা করব।

ইসির তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের 'নির্বাচন কর্তার' দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা।

‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই বিকেলে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আর সেই শূন্যতায় স্পিকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরাই এ নির্বাচনে ভোটার হন। প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হয়। পাশাপাশি প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হয়। সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল একবারই সংসদের কক্ষে ভোট করতে হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন।
পরবর্তী খবর

সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী

| প্রকাশিত: ২:০৪ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে গ্যাস, হাম, ডেঙ্গুসহ সব ধরনের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তার অঙ্গীকার মোতাবেক জনগণকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি কাজ করছেন।কিন্তু সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েও তাকে ব্যর্থ করতে নানা চক্রান্ত হয়েছে। এখনো তেমন চক্রান্ত হচ্ছে।

পরবর্তী খবর

ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

| প্রকাশিত: ২:০২ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ রক্ষা-সংক্রান্ত সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

সভা শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যে এ কর্ম পরিকল্পনা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, দূষণ যেন না বাড়ে, সেজন্য প্রতিটি কারখানায় ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নদী না বাঁচলে ক্ষতির মুখে পড়বে মানুষ ও পরিবেশ। যারা এ নির্দেশনা মানবে না, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

সারা দেশের নদী দূষণমুক্ত করা হবে জানিয়েছে সিটি প্রশাসক জানান, সারা দেশের জন্যই হবে। তবে এই মুহূর্তে ঢাকাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রমটি শুরু হবে।