বিস্ফোরক মামলা : মির্জা ফখরুলসহ ৫২ জনকে অব্যাহতি
বিস্ফোরক মামলায় বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫২ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
অব্যাহতিপ্রাপ্ত উলে¬খযোগ্য আসামিরা হলেন, বিএনপি নেতা বরকতউল¬াহ বুলু, আমানউল¬াহ আমান, জয়নুল আবেদীন ফারুক, খায়রুল কবীর খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, মীর সরাফত আলী সপু, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাইফুল ইসলাম নীরব, রাজীব আহসান ও ডা. জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৫ বিশেষ ট্রাইবুনালের আদালত কুদরত এ ইলাহীর আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী মামলার দায় হতে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। অপর দিকে রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করার মতো কোন আলামত না থাকায় মামলায় দায় হতে তাদের অব্যাহতি প্রদান করা হয়।
মির্জা ফখরুলের আইনজীবী জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি দেশব্যাপী অবরোধ চলাকালে রাজধানীর পল্টন এলাকায় বিএনপির একদল নেতাকর্মী মিছিল বের করে। এক পর্যায়ে তারা কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পরের দিন গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, পেট্রোলবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পল্টন থানার পুলিশের উপপরিদর্শক মোস্তাক আহম্মেদ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এরপর মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই দেওয়ান উজ্জল হোসেন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনার কথা জানালেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী
প্রতিবছর দেশে ৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী
শিক্ষা ব্যবস্থায় টেকসই পরিবর্তন আনতে সময় প্রয়োজন: ববি হাজ্জাজ
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৪
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১ দল
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষকে এই সংকট থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা বসে নেই। এই চক্র কৌশলে দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে বেশ সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খাত নিয়ে তারা নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
আজ শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অস্বীকার করেনি যে বর্তমানে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে রয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে পূর্বে যে অপরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশ, দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে পেয়েছে। নানা সংকট কাটিয়ে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে ইতোমধ্যে আমরা নানা কাজ শুরু করেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে যেন গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকট থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে বের করে আনা যায়।
এর আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে চিকিৎসক সমাবেশ শুরু হয়। এ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।
ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।
স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর