গাজায় ইসরায়েলের বোমা হামলায় আরও ৭৩ জন নিহত
গাজায় ইসরায়েলের বোমা হামলায় একদিনে আরও অন্তত ৭৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ৪৩ জনই গাজা শহরের। ইসরায়েল পুরো পরিবারকেই টার্গেট করে হত্যা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হামাস এই হামলাকে গণহত্যা বলছে এবং জাতিসংঘকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর তীব্র বোমা হামলায় মানুষজন আশ্রয়কেন্দ্র ও তাঁবুতেও নিরাপদ নয়। এক নারী জানান, ইসরায়েলের হামলায় তার ভাই ও তার পুরো পরিবার শেষ হয়ে গেছে।
এই পরিস্থিতিকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে। খাবারের অভাবে এখন পর্যন্ত ৩৬৭ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে ১৩১ জন শিশু। ইউনিসেফ সতর্ক করেছে যে দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়ছে এবং সামনে আরও অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যেতে পারে।
আশ্রয়কেন্দ্র ও তাঁবুতে থাকা পুরো পরিবারকে একসঙ্গে হত্যা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গাজায় বাস্তুচ্যুত সাবরিন আল-মাবহুহ আল জাজিরাকে বলেন, “আমার ভাইকে তার ঘরেই মেরে ফেলেছে। তার স্ত্রী-সন্তানসহ সবাইকে মুছে দিয়েছে। কেউ বেঁচে নেই।”
শেখ রাদওয়ান এলাকায় স্কুলে আশ্রয় নেওয়া মানুষের তাঁবুতে ইসরায়েলি গ্রেনেডে আগুন ধরে যায়। জাকিয়া সামি নামে এক বাসিন্দা বলেন, “শেখ রাদওয়ান জ্বলছে। যদি গাজা সিটির দখল থামানো না যায়, আমরা মরে যাব। যারা শুধু দেখছে, কিছু করছে না— তাদের আমরা ক্ষমা করব না।”
গাজার গণমাধ্যম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুধু গাজা সিটিতে গত তিন সপ্তাহে অন্তত ১০০ রোবট বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো আবাসিক ব্লক ও মহল্লা গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অভিযানে গাজা সিটিতেই মারা গেছেন প্রায় ১ হাজার ১০০ ফিলিস্তিনি।
আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ গাজা সিটি থেকে জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি “প্রলয়ংকরী” রূপ নিয়েছে। তিনি বলেন, “মনে হচ্ছে এর কোনো শেষ নেই... পুরো মহল্লা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে একের পর এক। মানুষ কয়েক দশকে যা গড়ে তুলেছিল, সব হারাচ্ছে। এটা যেন এক দুঃস্বপ্ন।”
হামাস বুধবার জানায়, তারা একটি সর্বাত্মক যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে সব ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত। এই বিবৃতি আসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরপরই।
উত্তর গাজা সিটিতে আল-জারিসি পরিবারের বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় হামাস এটিকে “ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধ” আখ্যা দিয়ে বলেছে, ফিলিস্তিনিদের জীবন ধ্বংসে এটি এক নিয়মতান্ত্রিক অভিযানের অংশ।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, অবরোধের কারণে খাদ্য ও সহায়তা প্রবেশে কড়াকড়ি থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় এক শিশুসহ আরও ছয়জন অপুষ্টি ও অনাহারে মারা গেছে। অবরোধ চলাকালে এখন পর্যন্ত ক্ষুধাজনিত কারণে ৩৬৭ জন ফিলিস্তিনি মারা গেছেন, এর মধ্যে ১৩১ শিশু।
জাতিসংঘ বলছে, ইসরায়েলের গাজা সিটি দখল অভিযান প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত করতে পারে। কেবল ১৪ থেকে ৩১ আগস্টের মধ্যে জোরপূর্বক নতুন করে ৮২ হাজার মানুষকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩০ হাজারকে উত্তর থেকে দক্ষিণে সরতে বাধ্য করা হয়েছে।
ইউনিসেফ সতর্ক করেছে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি নাগাদ পাঁচ বছরের নিচের ১ লাখ ৩২ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়বে। সর্বমোট ৩ লাখ ২০ হাজার ফিলিস্তিনি শিশু ভয়াবহ ক্ষুধার মুখে রয়েছে। তারা বলছে, “দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়ছে, শিশুদের এখনই জরুরি মানবিক সহায়তা, বিশেষ পুষ্টি পণ্য প্রয়োজন।”
খাদ্য নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক সংস্থা আইপিসি গত আগস্টেই নিশ্চিত করেছে, উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে এবং তা দ্রুত দক্ষিণে ছড়াচ্ছে। সহায়তাকর্মীদের মতে, ইসরায়েলের সর্বাত্মক অবরোধে প্রতিদিন টিকে থাকাই হয়ে উঠেছে ফিলিস্তিনিদের জন্য সংগ্রাম।
হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানের কঠোর শর্ত
প্রতিরক্ষা চুক্তির আগে মক্কায় তিন দেশের নেতাদের জুমার নামাজ আদায়
নামাজে এককাতারে অংশ নিতে দেখা গেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানসহ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
অর্ধশতাধিক বাংলাদেশিসহ গ্রিসের উপকূলে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার
পরে খবর পেয়ে গ্রিক কোস্ট গার্ড ও একটি মাছ ধরার নৌকা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। নৌকায় থাকা ৪০ জনকেই নিরাপদে তীরে আনা হয়। পরে তাদের আইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে গিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেও দুটি নৌকা থেকে ১১২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রথম নৌকায় থাকা ৫৬ জনের মধ্যে ৩১ জন সুদানের এবং ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন।
অন্য নৌকাটিতেও ৫৬ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং ৯ জন মিসরের নাগরিক। পরবর্তী সময়ে উদ্ধার হওয়া আরও ৪০ জনকে যুক্ত করলে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীর মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ২০২ জনে।
উদ্ধার করা ব্যক্তিদের হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আবাসনকেন্দ্রে রাখা হয়েছে। ক্রিটে সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের আগমন বাড়তে থাকায় তাদের সাময়িক আশ্রয় ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ওপর চাপও বাড়ছে।
লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য ক্রিট গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট হয়ে উঠেছে। ফলে দ্বীপটির উপকূলে নিয়মিত উদ্ধার অভিযান চালাতে হচ্ছে গ্রিক কর্তৃপক্ষকে।
মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএফকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা রাশিয়ার
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনকে (এইচআরএফ) ‘অবাঞ্ছিত’ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে রাশিয়া। সংস্থাটির বর্তমান চেয়ারপারসন ইউলিয়া নাভালনায়া, যিনি ২০২৪ সালে কারাগারে মারা যাওয়া রুশ বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনির স্ত্রী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়ায় এইচআরএফের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে। পাশাপাশি কোনো রুশ নাগরিক সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা করলে বা তাদের প্রকাশিত তথ্য প্রচার করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হতে পারে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাশিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেলের দপ্তর অভিযোগ করে, এইচআরএফ তাদের ‘টায়রানি ট্র্যাকার’ প্রকল্পে রাশিয়াকে ‘পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ ছাড়া সংস্থাটি রুশ সেনাবাহিনীকে ‘অপমানিত’ করছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে এবং আগে থেকেই নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনকে সমর্থন দিচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলে রুশ কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগের জবাবে এইচআরএফের প্রধান আইন ও নীতিবিষয়ক কর্মকর্তা হাভিয়ের এল-হাজে বলেন, ক্রেমলিনের এই সিদ্ধান্তই প্রমাণ করে যে রাশিয়াকে ‘পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ববাদী’ রাষ্ট্র হিসেবে সংস্থাটির মূল্যায়ন সঠিক ছিল। তার ভাষায়, একটি গবেষণা প্রকল্প পরিচালনার জন্য কোনো সংস্থাকে অপরাধী ঘোষণা করা এবং তাদের সহযোগীদের কারাদণ্ডের হুমকি দেওয়া সেই মূল্যায়নকেই আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে গ্যারি কাসপারভের স্থলাভিষিক্ত হয়ে এইচআরএফের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব নেন ইউলিয়া নাভালনায়া। স্বামী আলেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর পর থেকেই তিনি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। একই বছর রাশিয়ার একটি আদালত তার বিরুদ্ধেও ‘চরমপন্থি সংগঠনে অংশগ্রহণের’ অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
২০১৫ সালে ‘অবাঞ্ছিত সংগঠন’ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে রাশিয়া শত শত বিদেশি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এই তালিকায় রয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, বিভিন্ন স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই আইন ব্যবহার করে ক্রেমলিন ভিন্নমত, স্বাধীন গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের ওপর দমন-পীড়ন আরও জোরদার করেছে।
সম্প্রতি একই ধরনের অভিযোগে নিহত বিরোধী নেতা বরিস নেমৎসভের মেয়ে ঝান্না নেমৎসভার বিরুদ্ধেও অনুপস্থিত অবস্থায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে মস্কোর একটি আদালত। পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে, রুশ কর্তৃপক্ষ শুধু দেশের ভেতরের বিরোধীদের নয়, বিদেশে অবস্থানরত সরকারবিরোধী ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধেও ক্রমেই আরও কঠোর অবস্থান নিচ্ছে।
শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার প্রসঙ্গে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত
পেরুতে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩
ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করলেন ট্রাম্প
ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী অস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র
বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩৪ জন নিহত, ৮ নিখোঁজ
পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের দুই কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের জেরে ৩৪ জন খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন এবং এখনও নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ৮ জন শ্রমিক। গতকাল বৃহস্পতিবার বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটেছে।
বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার অদূরে সোরাঞ্জ নামের এক দুর্গম এলাকায় অবস্থিত সেই খনিটির মালিক কুরবান জোগেজাই জানান, খনির ভিতরে থাকা মিথেন গ্যাস এই বিস্ফোরণের জন্য দায়ী। বিস্ফোরণের সময় মোট ৪২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জোগেজাই আরও জানিয়েছেন, এই শ্রমিকদের সবাই পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার শাংলা জেলা থেকে এসেছিলেন।
বৃহস্পতিবার বিস্ফোরণের অল্প সময়ের মধ্যেই বিধ্বস্ত খনিটিতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) উদ্ধারকারী বাহিনী। শুক্রবার উদ্ধারকারী বাহিনীর এক সদস্য জানিয়েছেন, সবার দেহ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত তারা তৎপরতা চালিয়ে যাবেন।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে পুলিশসূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার একই দিন বেলুচিস্তানের হারনাই জেলার একটি কয়লা খনিতে একটি বড় পাথরের চাঁই ধসে নিহত হয়েছেন এক শ্রমিক।
পাকিস্তানের দুই প্রদেশ বেলুচিস্তান এবং সিন্ধে কয়েকটি কয়লা খনি রয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে এসব খনিতে দুর্ঘটনা প্রায় নিয়মিত ব্যাপার।
চলতি জুলাই মাসের শুরুর দকে সিন্ধের থাট্টা জেলার কোহিস্তানে মেটিং রেলওয়ে স্টেশনের কাছে একটি কয়ালা খনিতে ধস নেমেছিল। এতে নিহত হন ৪ জন এবং গুরুতর আহত হন ৫ জন।
সূত্র : রয়টার্স
ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৪