পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি" বাতিলের দাবিতে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি" বাতিলের দাবিতে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত
রিপোর্ট : তাজউদ্দীন আহমদ
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি" নামক অবৈধ কালো চুক্তি বাতিল করে সম্প্রীতি চুক্তি করার দাবিতে আজ ০২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাব সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিচারপতি আব্দুস সালাম মামুন এর সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করবেন সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা। এসময় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমান আযমি।
এসময় প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাছুম (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), আশরাফ আলী আকন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য, অধ্যাপক ড আৰু মূসা মোঃ আরিফ বিল্লাহ (ভিজিটিং প্রফেসর, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এইচ আর এম রোকন উদ্দিন, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল নাসিমুল গণী, কর্নেল হাসিনুর রহমান, লেঃ কর্নেল খন্দকার ফরিদুল আকবর, এস এম জহিরুল ইসলাম, শামীম রেজা, খানে আসাদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী ও পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দাদের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তাগণ বলেন, ১৯৯৭ সালের আকজের এই দিনে পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায়ের সূচনা হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জনসংহতি সমিতির (pcjss) এর সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের সংবিধান, সার্বভৌমত্ব, দেশের অখণ্ডতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলা এই চুক্তিটি সেসময় রাজনৈতিকভাবে “শান্তি প্রতিষ্ঠার সাফল্য" হিসেবে প্রচার পেলেও বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। চুক্তিটি শুরু থেকেই অসম, বৈষম্যমূলক এবং রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী বলে বহু বিশেষজ্ঞ, সামরিক কর্মকর্তা এবং নীতিনির্ধারক গণের বিশ্লেষণে উঠে আসে। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শান্তি চুক্তিকে কালো চুক্তি আখ্যায়িত করে জামাত, বিএনপিসহ সাত দলের সমন্বয়ে লংমার্চে করে ছিলেন। চুক্তির মোট ৭২টি ধারার বহুাংশই সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক, বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক কর্তৃত্ব, নিরাপত্তা
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী জনতার সুদৃঢ় ঐক্য চাই
শাহসুফি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদি, চেয়ারম্যান, ইসলমিক বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট
আমাদের স্থল সীমান্তের ২৯৭৯কিঃমিঃ ব্যাপি ভারত বেষ্টিত, মাত্র কয়েকশত কিঃমিঃ বার্মা সীমান্ত। ভারতের আয়তন প্রায় ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গ কিঃমিঃ, পৃথিবীর সপ্তম দেশ। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৬,৬১০ কিঃ মিঃ। ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। আমাদের থেকে প্রায় ২২ গুণ বড়। জনসংখ্যায় ভারত ১৪৬ কোটি আর বাংলাদেশ হলো ১৭ কোটি ৩৫ লক্ষ ৬২ হাজার ৩৬৪ প্ৰায় ১৮ কোটি। লোকসংখ্যায় ভারত আমাদের থেকে প্রায় ৮ গুণ বেশি। বিশ্বে আমরা ৮ম বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ। ভারতের সাথে আমরা যতই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আশা করি ভারত আমাদেরকে তত বন্ধু ভাবে না। ভাবে আমরা ছোট ভাই, ভারত আমাদের বড় দাদা। একটি কর্তৃত্ব সুলভ সম্পর্ক ভারত আমাদের উপর বজায় রাখতে চায়। বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রি ড. মোমেন খান বলেছিলেন “ভারতের সাথে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক”। কিন্তু দুইটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে আমরা সমান । আমাদের সাথে সম মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের চলা উচিত। কিন্তু ভারতের সুদূর প্রসারি দৃষ্টি হচ্ছে ভারত ভবিষ্যতে আমাদের দেশ দখল করে নিবে হায়দ্রাবাদের মত। প্রশ্ন হলো এখন কেন নেয় না। কারন ভারত আমাদের গ্রাস করার পটভূমি তৈরির কাজ শেষ করে নি। পটভূমি হলো ভারত আমাদের অর্থনীতি পঙ্গু করতে চায়, আমাদের রাজনীতিবীদদের ক্রয় করে তাবেদার বানাতে চায়। যেন আমাদের জনগণ প্রতিবাদ করতে না পারে। আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে জাতীয় একতা নষ্ট করার এবং পরষ্পর হানাহানিতে লিপ্ত করার কাজ ভারত করে যাচ্ছে। যাতে আমরা নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। স্বাধীনতা রক্ষার দিকে আমাদের নজর না থাকে। যেমনি ভারত কাশমীরের স্বায়ত্ব শাসন বিনষ্ট করে কাশমীরকে আজ পূর্ণ করায়ত্ব করে ফেলেছে। এখন কাশমীরে তেমন কোনো আন্দোলন নেই। প্রায় প্রতি ১০জন কাশমীরীর বিপরীতে একজন ভারতীয় সশস্ত্র সৈন্য কাশমিরকে ঘিরে রেখেছে ফলে যুদ্ধেরও ও নড়াচড়ারও সুযোগ নেই কাশ্মির বাসীদের। তেমনি ভারত ভৌগলিক আগ্রাসনের পটভূমি এখন তৈরী করছে। আমাদের দূর্বল পয়েন্ট হলো ফেনী নদী। ভারত পার্বত্য চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিতে নৃগোষ্ঠিদের অর্থ ও অস্ত্রদিয়ে সেখানে তাদের মুক্তিযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ভারতের ১৩ লক্ষ সৈন্যের একটি অংশ তারা মনিপুর ও মিজরামে মোতায়েন করেছে। যাতে যেকোন মুহূর্তে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যে তারা বাংলাদেশের ঢুকে যেতে পারে।
ভারত তাদের দুর্বল পয়েন্ট চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের দুই পাশে দুইটি সৈন্য ঘাঁটি স্থাপন করছে। এবং বিমান ঘাঁটিও স্থাপনের উদ্যেগ নিয়েছে। তারা এখান দিয়েও তাদের তল্পিবাহক রাজনৈতিক দলের সাহায্যে বাংলাদেশে আগ্রাসন চালাতে পারে। এখন আমাদের দেশের বাহিরে ভারতের রাজনৈতিক বন্ধু তাদের দেশেই অবস্থান করছে। দেশের অভ্যন্তরে আরেকটি দলকে তাদের বি টিম বানাতে পারে। তাহলে বুঝুন আগ্রাসন কত সহজ হয়। ভারত তক্কে তক্কে আছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনার কথা জানালেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী
প্রতিবছর দেশে ৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী
শিক্ষা ব্যবস্থায় টেকসই পরিবর্তন আনতে সময় প্রয়োজন: ববি হাজ্জাজ
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৪
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১ দল
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষকে এই সংকট থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা বসে নেই। এই চক্র কৌশলে দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে বেশ সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খাত নিয়ে তারা নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
আজ শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অস্বীকার করেনি যে বর্তমানে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে রয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে পূর্বে যে অপরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশ, দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে পেয়েছে। নানা সংকট কাটিয়ে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে ইতোমধ্যে আমরা নানা কাজ শুরু করেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে যেন গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকট থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে বের করে আনা যায়।
এর আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে চিকিৎসক সমাবেশ শুরু হয়। এ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।
ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।
স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর