বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট নিহতদের স্মরণে নড়াইলে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

ফরহাদ খান, নড়াইল প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২১

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহতদের স্মরণে নড়াইলে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়েছে। জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে আগস্টের প্রথম প্রহরে (১ আগস্ট) পুরাতন বাস টার্মিনাল চত্বরে বঙ্গবন্ধু মঞ্চে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক এস এম পলাশ, সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম টুটুল, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ময়নুল ইসলাম বাবু, দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ শেখ, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাকিব হাসান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার আল মামুন মিন্টু, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিন্টু, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শেখ রিয়াজ মাহমুদ মিশাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শরীফ ইমদাদুল ইসলাম আপ্পী, যুগ্মআহবায়ক শাহাবুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পলাশ দাশসহ অনেকে।

নেতাকর্মীরা বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগস্টের প্রথম প্রহরে আলোক শিখা প্রজ্জ্বলন করা হয়েছে। 

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে পাঠিয়েছে সংসদ

| প্রকাশিত: ৬:৫৩ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ভোটার তালিকা পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইসির কাছে এই তালিকা পাঠানো হয়।তালিকা পাওয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বা তারিখ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। 

এর আগে সংসদ সচিবালয়ের কাছে ভোটার তালিকা চায় নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি ইসি সচিব ভোটার তালিকা চাওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন।

গত সোমবার নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছিলেন, তারা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে অনুরোধ করেছেন।
ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল এই জিনিসগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। সেই পদেই এখন ভোটের প্রস্তুতি চলছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে থাকেন।
তাই তাদের তালিকা নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।

পরবর্তী খবর

২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

| প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
আগামী ২০ আগস্ট ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ আগস্ট ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৮ আগস্ট।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে ১৩ আগস্ট ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোটগ্রহণ হবে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন কক্ষে।

ইসি সচিব বলেন, সংসদ থেকে আমরা ভোটার তালিকা পেয়েছি।

ভোটার তালিকা এবং সিডিউলটা রেডি করে আপনাদের জানিয়ে দিলাম। এখন বাকিটুকু আমাদের এডমিনিস্ট্রেটিভ যে প্রসিডিউর আছে সেটুকু আমরা করব।

ইসির তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের 'নির্বাচন কর্তার' দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা।

‘গুরুতর অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই বিকেলে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আর সেই শূন্যতায় স্পিকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরাই এ নির্বাচনে ভোটার হন। প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হয়। পাশাপাশি প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হয়। সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল একবারই সংসদের কক্ষে ভোট করতে হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন।
পরবর্তী খবর

সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী

| প্রকাশিত: ২:০৪ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে গ্যাস, হাম, ডেঙ্গুসহ সব ধরনের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তার অঙ্গীকার মোতাবেক জনগণকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি কাজ করছেন।কিন্তু সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েও তাকে ব্যর্থ করতে নানা চক্রান্ত হয়েছে। এখনো তেমন চক্রান্ত হচ্ছে।

পরবর্তী খবর

ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

| প্রকাশিত: ২:০২ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ রক্ষা-সংক্রান্ত সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

সভা শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যে এ কর্ম পরিকল্পনা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, দূষণ যেন না বাড়ে, সেজন্য প্রতিটি কারখানায় ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নদী না বাঁচলে ক্ষতির মুখে পড়বে মানুষ ও পরিবেশ। যারা এ নির্দেশনা মানবে না, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

সারা দেশের নদী দূষণমুক্ত করা হবে জানিয়েছে সিটি প্রশাসক জানান, সারা দেশের জন্যই হবে। তবে এই মুহূর্তে ঢাকাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রমটি শুরু হবে।

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা, ঢাকা বলছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর

| প্রকাশিত: ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা সে দেশের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন ওই অভ্যুত্থানের ঠিক দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির দিনে। সেখানে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ও করেন তিনি। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এ ধরনের ঘটনা শুধু বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননাই নয়, বরং জুলাই বিপ্লবের শহিদদের প্রতিও গুরুতর অসম্মান। পাশাপাশি এ ঘটনা বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের বিকাশের জন্য ক্ষতিকর বলেও উল্লেখ করেছে মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে গণমাধ্যমে এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শুরু হওয়া ওই অনুষ্ঠানে ঘণ্টাখানেক পর ভার্চুয়ালি যুক্ত হন শেখ হাসিনা।


অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ভিডিও কলে যুক্ত হননি, কেবল তার অডিও শোনা যায়। প্রায় আধা ঘণ্টা বক্তব্য রাখেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। অনুষ্ঠানে তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তিনিও বক্তব্য রাখেন এবং সাংবাদিকদের দুয়েকটি প্রশ্নের জবাব দেন।

শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের মতোই বলেন, তিনি ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরতে চান। সাংবাদিকরা তার দেশে ফেরার দিন-তারিখ বা পরিকল্পনা জানতে চাইলে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনার দিল্লিতে এ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার খবর আগেই প্রচারিত হয়েছিল। সে খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখায় বাংলাদেশ। ভারত সরকার বারবার দাবি করে আসছে, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থানরত অবস্থায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অনুমোদন পাচ্ছেন না।


এ অবস্থায় জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির দিনে দিল্লির অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়ার বিষয়ে ভারত সরকারকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাক্ষাৎ করলে উপদেষ্টা তাকে বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য যেন প্রচারিত না হয়।

পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক ব্রিফিংয়ে এ প্রসঙ্গে বলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

নানা আলোচনার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই প্রথমবার শেখ হাসিনার সরাসরি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় নিরীহ বেসামরিক মানুষ, এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের যে তথ্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত করেছে, শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা তা অস্বীকার করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এই প্রচেষ্টা ইতিহাসের গতিপথ উল্টে দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

অতীতেও বাংলাদেশের জনগণ এ ধরনের জঘন্য অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এখনো তা প্রত্যাখ্যান করছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের জনগণ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করেছে, দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনো কোনো ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ হবে না।

একই সঙ্গে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও তার ‘মাফিয়া এন্টারপ্রাইজে’র স্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কখনো হবে না বলেও উল্লেখ করা হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে।


মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক, পারস্পরিক কল্যাণকর ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ২০১৩ সালে সই হওয়া প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডিত আসামি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকার বারবার অনুরোধ জানালেও ভারত সরকার এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো জবাব দেয়নি। বরং, যেকোনো অজুহাতে শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।


এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর— বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়াও সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে অনুরোধ করে তথ্য বিবরণী প্রকাশ করে মঙ্গলবার। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




পরবর্তী খবর

গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ২:৩৮ অপরাহ্ন, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। 

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ, গণআন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার নির্যাতনের সংরক্ষিত আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, বিভিন্ন নিদর্শন ও তথ্য পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নেন।

আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ। আমি প্রায়শই একটি কথা বলি, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। জনগণ যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের ভুলে যায়নি, একইভাবে ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় শহীদদেরও জনগণ ভুলবে না।

তিনি বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে আরেকটি যুগান্তকারী মাইলফলক। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ গুম ও অপহরণের শিকার হয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ নির্যাতন-নিপীড়ন, হামলা কিংবা মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর ঘরছাড়া ছিলেন।

তিনি বলেন, শুধু জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেই হাজারো ছাত্র-জনতা, নারী ও শিশু শহীদ হন এবং অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আহত হন। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ঠেকাতে ফ্যাসিস্ট চক্র হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালিয়েও গণতন্ত্রকামী মানুষকে হত্যা করেছিল। পতিত, পরাজিত ও বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের এমন নৃশংসতা ও বর্বরতা সভ্য জগতে বিরল।

তার ভাষ্য, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন ও অপহরণকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই নৃশংসতার তুলনা কেবল স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে তিন বছরের দুঃশাসনের সঙ্গে চলে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক এই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে তাদের পূর্বসূরিদের সাহসী ইতিহাস যেমন তুলে ধরবে, তেমনি বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশও উন্মোচন করবে।

তার মতে, এই জাদুঘর জনগণের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বেদনা, সাহস ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে ধারণ করার একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। এটি শুধু ২০২৪ সালের নৃশংস ঘটনার স্মারক নয়, বাংলাদেশের মানুষের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্পর্কও তুলে ধরবে। একই সঙ্গে শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থান নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসও এখানে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।

ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র কখনোই দেশে গণতান্ত্রিক শাসন মেনে নিতে পারেনি। তাদের পূর্বসূরিরা ১৯৭৫ সালে সংবিধান পরিবর্তন করে দেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিল। পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে দেশে পুনরায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। এসব ইতিহাসও জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জাদুঘরে জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের পরিচয় ও জীবনকথা, আহতদের সাক্ষ্য, অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, সংবাদ প্রতিবেদন, পোস্টার, দেয়াললিখন, গ্রাফিতি, কার্টুন, কবিতা, গান, নাটক, চিত্রকর্ম, ব্যক্তিগত স্মারক ও ডিজিটাল উপাদান সংরক্ষণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। যারা ব্যক্তিগত স্মারক, দলিল, আলোকচিত্র ও শিল্পকর্ম জাদুঘরের জন্য দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

ইতিহাস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সত্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসম্পূর্ণ, অতিরঞ্জিত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বয়ান ইতিহাসকে শক্তিশালী করে না; বরং ইতিহাসের বিশ্বাসযোগ্যতা দুর্বল করে এবং ভবিষ্যতে বিভেদের কারণ হয়। তাই প্রতিটি বিষয়ে যথাসম্ভব সত্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জাদুঘরের উপস্থাপনা বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষায়ও রাখার আহ্বান জানান তিনি, যেন বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস জানতে পারেন।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা হতাহত হয়েছেন, পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ঘটনার বিচার হবে। আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেই বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য। সরকারের মতে, আইনের শাসন নিশ্চিত করতে প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের নামে তাদের নিজ নিজ এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা সড়কের নামকরণ করা হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাইযোদ্ধাদের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুরুতর আহতদের থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে ৫০ জন জুলাইযোদ্ধা বিদেশে চিকিৎসাধীন। গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে তাদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে শ্রেণিভিত্তিক মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সহায়তা করতে সরকার আন্তরিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু হয়েছে। দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ৩১ দফা নির্বাচনি ইশতেহারের পাশাপাশি জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কার্যক্রমও পর্যায়ক্রমে শুরু হয়েছে।

একই সঙ্গে গণভোটের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে গঠিত ‘সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ কাজ শুরু করেছে। দেশ পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা শুরু করেছেন। এসব পরিস্থিতি তৈরি করে তারা নিজেদের অজান্তেই পতিত, পরাজিত ও পলাতক স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছেন কি না, সেটি ভেবে দেখার আহ্বান জানান তিনি। 




‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থপতি, ইতিহাসবিদ, গবেষক, জাদুঘর বিশেষজ্ঞ, শিল্পী, সংগ্রাহক, কারিগর, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সহযোগীদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশের সেনাবাহিনীকে অভিনন্দন জানান তিনি। শহীদদের শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই বাংলাদেশ আর কখনোই তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।’ এরপর তিনি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ

| প্রকাশিত: ১:১৭ পূর্বাহ্ন, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ ৫ আগস্ট বুধবার। সারাদেশে সরকারি সাধারণ ছুটি থাকবে। ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও তীব্র প্রতিরোধের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটে।

সারাদেশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিবসটি পালিত হবে। জাতীয়ভাবে বিশদ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।
 
দিনটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পৃথক বাণীতে বীর জুলাইযোদ্ধাসহ দেশপ্রেমিক সব নাগরিককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁর বাণীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসুন, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। একই সঙ্গে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করি।’

আন্দোলনে শহীদ ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদান, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে আশ্বাস দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশকে শান্তি, সাম্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বিজয়। এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশে আর কখনও স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া যাবে না।

পৃথক বাণীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। 

জাতীয় কর্মসূচি 

জাতীয় পর্যায়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সকালে দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকাসহ ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সাজানো হবে।

এদিন সকাল ৯টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আরও আয়োজন


এ উপলক্ষে বিএনপি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিশেষ আলোচনা সভা করেছে। 

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দল আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে গণসমাবেশ করবে। 

এ ছাড়া গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স, গণফোরামসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
পরবর্তী খবর

বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ৬:২৮ অপরাহ্ন, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে। মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন টি. কোহলার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বৈঠকে মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা ও অবদান নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত ‘অপারেশন সি এ্যাঞ্জেল’ -এর কথা স্মরণ করেন।

শাহাদাৎ স্বাধীন বলেন, মার্কিন কমান্ডার বিভিন্ন নৌমহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগামী কারাত (কো-অপারেশন এ্যাফ্লোট রেডিনেস এন্ড ট্রেনিং) বা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া নভেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া তিনি সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘সি ভিশন এক্সাসাইজ (Sea vision exercise)Õ এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত ‘রিম অব দ্য প্যাসিফিক’ বা রিমপ্যাক মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন কমান্ডার স্টিফেন টি. কোহলার।

উপ- প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে জিএসওএমআইএ (জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফোরমেশন এগ্রিমেন্ট) নিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও এর অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়।

তিনি বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় । একই সঙ্গে যুগোপযোগী ও বিস্তৃত সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

কমান্ডার স্টিফেন টি. কোহলার বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কমান্ডার আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার প্রসঙ্গে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত

| প্রকাশিত: ৬:২২ অপরাহ্ন, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, এই আয়োজনটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থার এবং এতে নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা বা সংশ্লিষ্টতা নেই।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসব কথা বলেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক, ভূরাজনীতি, সীমান্ত ইস্যু এবং সিন্ধু ও গঙ্গার পানি চুক্তি সম্পর্কিত একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

বুধবার (৫ জুলাই) দিল্লিতে একটি বেসরকারি গণমাধ্যম আয়োজিত সম্মেলনে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য বক্তব্য দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, ওই অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি উদ্যোগ। ভারত সরকারের এর সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা বা লেনদেন নেই এবং সেখানে প্রকাশিত কোনো মতামতের দায় বা সমর্থন সরকারের নেই।

এর আগে ঢাকা থেকে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়েছিল, শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটিতে বসে এমন কোনো বক্তব্য বা রাজনৈতিক তৎপরতা চালাতে দেওয়া উচিত নয়, যা বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর তাকে ভারতে সফরের যে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তা বহাল রয়েছে। পাশাপাশি, আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের (BIMSTEC) বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তার অর্পিত ক্ষমতার ভিত্তিতেই তাকে আগামী ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে দিল্লি। এটি ব্রিকসের নিয়মিত বৈশ্বিক কাঠামোরই একটি অংশ।

বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি যৌথ নদী রয়েছে। গঙ্গা চুক্তিসহ যেকোনো পানিসম্পদ সংক্রান্ত আলোচনা যৌথ নদী কমিশন এবং দুদেশের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যমান কূটনৈতিক ও কারিগরি কাঠামোর মাধ্যমেই এগিয়ে নেওয়া হবে।

এর আগে সকালে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, সে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, এর আগেও এ বিষয়ে গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল সরকার।

কেউ যদি আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং পরে তা প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তাহলে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি আরো বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না—এটি তার ব্যক্তিগত মতামত। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে আদালতে গিয়ে সেই আদেশ চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ তা সবাইকে মেনে চলতে হবে।

পরবর্তী খবর

ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে জামায়াত: নুর

| প্রকাশিত: ১:১৩ অপরাহ্ন, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে জামায়াতে ইসলামী বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ইসলামের ঠিকাদার কি জামায়াতে ইসলামী? না। বরং ইসলামের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে জামায়াত। এই যে দেখেন এখন ভিডিও বাইর হয় বিভিন্নভাবে। এখন তারা পাগল হয়ে সরকারি দলের নেতা বা যারা আমরা জোটে আছি- এদের বিভিন্ন ফটোকার্ড বানিয়েছে আর কারো ভিডিও বানিয়েছে।

সোমবার ঢাকা কলেজের শহিদ আ ন ম নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়ামে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ কর্তৃক ‘অগ্নিঝরা জুলাই, সংগ্রামের সুর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। নুর বলেছেন, এই মুহূর্তে আন্দোলন-সংগ্রামের রাজনীতি জনগণ পছন্দ করছে না। কারণ, ১৭ বছরের দৈত্য-দানব ফ্যাসিবাদ জনগণ হটিয়েছে। এখন একটি সরকারের ছয় মাসও পূর্ণ হয়নি, এর মধ্যেই সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের ডাক দেওয়া হচ্ছে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ধরেন সরকার দায়িত্ব ছেড়ে দিল, তারপর কে দেশ ও রাষ্ট্র চালাবে? কে আছে দেখান? এই মুহূর্তে এমন একটি জিওপলিটিক্যাল ক্রাইসিসে বাংলাদেশকে লিড দেয়ার মতো বিএনপি সরকার ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

এসময় এনসিপি বর্তমানে রাজনীতিতে বিষ ফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিমন্ত্রী নুর। তিনি বলেন, এনসিপি আজকে বিরোধীদলে আছে, রাজনীতি শিখুক। তাদের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। না হলে দেশের আরও সংকট তৈরি হবে। এনসিপি নিজেদের বুদ্ধিতে-শক্তিতে রাজনীতি করছে না। আন্দোলনের শেষদিকে ফ্যাসিবাদের পতন সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, তখন একটা বিদেশি গ্রুপ তাদের উপরে ভর করেছে। এখন তাদেরকে দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারকে জিম্মি করে ফায়দা নিতে চাচ্ছে। এনসিপি এখন রাজনীতিতে বিষ ফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে। এই বিষ ফোঁড়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।