ওড়নায় ঝুলছিল দম্পতির মরদেহ, স্ত্রী ছিলেন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা
লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের কুমারপাড়া গ্রামে ওড়নায় ঝুলন্ত অবস্থায় এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শাশুড়ির সঙ্গে পুত্রবধূর ঝগড়ার জের ধরে তারা দুজন একই ওড়নায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। স্ত্রী ছিলেন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমারপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ওই দম্পতি গলায় ফাঁস দেন। পরে পুলিশ গিয়ে দুজনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে।
নিহত দম্পতি হলেন— কুমারপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে অলি মিয়া (৩০) ও তার স্ত্রী একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোবহানের মেয়ে ছকিনা বেগম (২৫)।
প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানান, সোমবার সকালে শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। বউ-শাশুড়ির বিবাদ ছেলে পর্যন্ত গড়ায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চান। এ ছাড়া ওই দম্পতি অর্থকষ্টেও ছিলেন। পরে অভিমানে সন্ধ্যায় অলি মিয়া ও তার স্ত্রী ছকিনা ঘরের দরজা বন্ধ করে একসঙ্গে গলায় ফাঁস দেন।
রাতে খাবারের জন্য স্বজনরা ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া শব্দ না পেলে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর দিলে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুননবী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে , পারিবারিক কলহ, আর্থিক অনটন ও চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দেওয়ার ঘটনায় ওই দম্পতি অভিমানে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এ ঘটনায় ছকিনার ভাই আজিজুল হক বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন
আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনার কথা জানালেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী
প্রতিবছর দেশে ৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী
শিক্ষা ব্যবস্থায় টেকসই পরিবর্তন আনতে সময় প্রয়োজন: ববি হাজ্জাজ
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৪
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
কর্নেল অলিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১ দল
মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষকে এই সংকট থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা বসে নেই। এই চক্র কৌশলে দেশের জ্বালানি বা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে বেশ সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ খাত নিয়ে তারা নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
আজ শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অস্বীকার করেনি যে বর্তমানে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটে রয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা দিতে পূর্বে যে অপরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশ, দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে পেয়েছে। নানা সংকট কাটিয়ে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে ইতোমধ্যে আমরা নানা কাজ শুরু করেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে যেন গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি সংকট থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে বের করে আনা যায়।
এর আগে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে চিকিৎসক সমাবেশ শুরু হয়। এ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন।
ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।
স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর