জুলাই-আগস্টে সংঘটিত অপরাধের তথ্য চেয়ে সর্বসাধারণের উদ্দেশে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত অপরাধের তথ্য চেয়ে সর্বসাধারণের উদ্দেশে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, ‘২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন বাহিনী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটভুক্ত দলসমূহ, সহযোগী সংগঠন, অনুগত বা নিযুক্ত অবৈধ অস্ত্রধারী, অপরাধী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, গুরুতর জখম, অগ্নিসংযোগ, লুটতরাজ এবং অন্যান্য অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত কারো নিকট কোন তথ্য, ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও/ভিডিও ক্লিপ ইত্যাদি থাকলে তা উক্ত অপরাধ প্রমাণের জন্য ব্যবহার করার লক্ষ্যে তদন্ত সংস্থা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ, ঢাকা অফিসে যোগাযোগ করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১১/এ কমরেড ফরহাদ সড়কের বাড়ী নং-৮৭ তে অবস্থিত তদন্ত সংস্থার কো-অর্ডিনেটর মো. মাজহারুল হকের (পিপিএম) দেয়া গণবিজ্ঞপ্তিতে তদন্ত সংস্থার সাথে যোগাযোগের জন্য এই coordinator@ictbdinvestigation.gov.bd ইমেইল ঠিকানা এবং এই ০১৭১১-৯০৫৬০৩, ০১৬১১-৯০৫৬০৩ মোবাইল নাম্বার দুটি (অফিস চলাকালীন সময়ে) দেয়া হয়েছে।
গত ৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন অফিসে অর্ধশতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
গত ১৪ অক্টোবর হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারকে চেয়ারম্যান করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
গত ৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এছাড়া প্রসিকিউশন টিমের অপর পাচ প্রসিকিউটররা হলেন মো. মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম, বি এম সুলতান মাহমুদ, আবদুল্লাহ আল নোমান ও মো. সাইমুম রেজা তালুকদার।
এদিকে, ১০ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা পুনর্গঠন করা হয়েছে। যেখানে তদন্ত সংস্থার কো-অর্ডিনেটর পদে মো. মাজহারুল হককে (অ্যাডিশনাল ডিআইজি, অবসরপ্রাপ্ত) এবং কো-কোঅর্ডিনেটর পদে মুহাম্মদ শহিদুল্যাহ চৌধুরীকে (পুলিশ সুপার, অবসরপ্রাপ্ত) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত সংস্থার অপর কর্মকর্তারা হলেন- মো. আলমগীর, মোহা. মনিরুল ইসলাম, মো. জানে আলম, সৈয়দ আবদুর রউফ, মো. ইউনুছ, মো. মাসুদ পারভেজ, মুহাম্মদ আলমগীর সরকার ও মো. মশিউর রহমান ।
সাড়ে ৭ ঘণ্টা ধরে রোম বিমানবন্দরে আটকা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট
ইতালির রোমের ফিউমিচিনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা ধরে আটকা পড়ে আছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিমানটির ২৫৯ জন যাত্রী।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বিমানটি রোম বিমানবন্দরে জ্বালানি ও ক্যাটারিং (খাবার) সংগ্রহের পর লন্ডনের উদ্দেশে পুনরায় উড্ডয়নের কথা ছিল। তবে টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমানটি উড্ডয়ন করতে পারেনি। সাড়ে ৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিমানটি রোম বিমানবন্দর ছাড়তে পারেনি। এ সময় যাত্রীরা বিমানবন্দরেই অপেক্ষা করছেন।
বিটিভির মহাপরিচালক কে এই কাজী জেসিন?
বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নতুন মহাপরিচালক (গ্রেড-১) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন উপস্থাপক কাজী জেসিন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ কাজী জেসিন। তিনি একাধারে সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক, লেখক ও কবি হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সাংবাদিকতায় সক্রিয় থাকা কাজী জেসিন বিভিন্ন সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন।
গাইবান্ধা জেলায় জন্ম নেওয়া কাজী জেসিন যুক্তরাজ্যের কামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেকসই উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। লেখালেখির শুরু করেন ১৯৯৭ সালে লিটল ম্যাগাজিনে প্রবন্ধ লেখার মাধ্যমে। পরবর্তীতে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন।
পেশাগত জীবনে কাজী জেসিন দৈনিক আমার দেশ, এনটিভি, চ্যানেল ওয়ান, একুশে টেলিভিশন, বাংলাভিশন ও যমুনা টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।
টেলিভিশন সাংবাদিকতায় তার অন্যতম আলোচিত কাজ হলো রাজনৈতিক টকশো ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক বিষয়, জনস্বার্থ ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এই অনুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের সামনে ফিরছেন তিনি।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাহিত্য অঙ্গনেও রয়েছে কাজী জেসিনের পরিচিতি। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘জোৎস্নামত্ত যাত্রা’ (১৯৯৭) এবং ‘তানানুম তানানুম’ (২০১০)।
বর্তমানে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করছেন কাজী জেসিন। সাংবাদিকতা, টেলিভিশন উপস্থাপনা ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
দেশ ছাড়ার পর হাসিনা পরিবারের সদস্যরা এখন কোথায়?
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগে ও পরে তার পরিবারের সদস্য এবং নিকটাত্মীয়দের প্রায় সবাই দেশ ছেড়েছেন। জানা গেছে, তাদের অধিকাংশ বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এ ছাড়া কেউ কেউ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও দুবাইয়ে রয়েছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। জানা যায়, তিনি বর্তমানে লন্ডন ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করছেন। সেদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। সরকার পতনের পর তিনি ভারতে গিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), যিনি ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন, বর্তমানে দিল্লি ও দুবাইয়ে অবস্থান করছেন বলে গণমাধ্যমের খবর প্রকাশিত হয়েছে।
শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি) সরকার পতনের সময় থাইল্যান্ডে ছিলেন। তার স্ত্রী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। রেহানার আরেক মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের নাগরিক ও দেশটির পার্লামেন্ট সদস্য। অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীও যুক্তরাজ্যে থাকেন।
পরিবারের বাইরে শেখ হাসিনার নিকটাত্মীয়দের বড় অংশও দেশ ছেড়েছেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। তার ছেলে শেখ ফজলে নাঈমও কলকাতায় রয়েছেন এবং আরেক ছেলে শেখ ফজলে ফাহিম সরকার পতনের আগেই দেশ ছাড়েন।
যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ সরকার পতনের পর ভারত হয়ে কানাডায় যান। পরে তিনি আবার ভারতে ফিরেছেন। শেখ ফজলুর রহমান মারুফ বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।
শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সরকার পতনের আগেই ভারতে যান বলে জানা গেছে। তার ছেলে আশিক আবদুল্লাহও তার সঙ্গে ভারতে গেছেন। আরেক ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ ভারত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবুল খায়ের আবদুল্লাহও সরকার পতনের পর ভারতে চলে যান বলে দলীয় সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন ও শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে তারা বসবাস করছেন বলে বিভিন্ন সময়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। শেখ হেলালের ছেলে শেখ তন্ময়ও ভারতে রয়েছেন। শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের স্ত্রী শাহানা ইয়াসমিন শম্পাও তার সঙ্গে আছেন। তবে শেখ হেলালের আরেক ভাই শেখ সোহেলের অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়নি।
শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) ও মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী) সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান।জানা গেছে, তারাও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে, শেখ হাসিনার স্বজনদের মধ্যে কেবল আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ঢাকায় গ্রেফতার হন। তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং রাজনৈতিকভাবে তেমন পরিচিত ছিলেন না।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রের দাবি, শেখ হাসিনার স্বজনদের অনেকেই সাতক্ষীরা, সিলেট ও ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক যোগাযোগ এবং বিপুল অর্থের বিনিময়ে তারা নিরাপদে দেশ ছাড়তে সক্ষম হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ। তবে দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী দেশ ছাড়তে না পারায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলেও দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।
নিউজ সূত্র: যুগান্তর
দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানি মন্ত্রী
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
মহেশখালী থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে পাঠিয়েছে সংসদ
২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ভোটার তালিকা পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইসির কাছে এই তালিকা পাঠানো হয়।তালিকা পাওয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বা তারিখ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে সংসদ সচিবালয়ের কাছে ভোটার তালিকা চায় নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি ইসি সচিব ভোটার তালিকা চাওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন।
গত সোমবার নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছিলেন, তারা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে অনুরোধ করেছেন।
ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল এই জিনিসগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। সেই পদেই এখন ভোটের প্রস্তুতি চলছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে থাকেন।
তাই তাদের তালিকা নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।
২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে গ্যাস, হাম, ডেঙ্গুসহ সব ধরনের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তার অঙ্গীকার মোতাবেক জনগণকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি কাজ করছেন।কিন্তু সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েও তাকে ব্যর্থ করতে নানা চক্রান্ত হয়েছে। এখনো তেমন চক্রান্ত হচ্ছে।
ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ রক্ষা-সংক্রান্ত সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
সভা শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যে এ কর্ম পরিকল্পনা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, দূষণ যেন না বাড়ে, সেজন্য প্রতিটি কারখানায় ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নদী না বাঁচলে ক্ষতির মুখে পড়বে মানুষ ও পরিবেশ। যারা এ নির্দেশনা মানবে না, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
সারা দেশের নদী দূষণমুক্ত করা হবে জানিয়েছে সিটি প্রশাসক জানান, সারা দেশের জন্যই হবে। তবে এই মুহূর্তে ঢাকাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রমটি শুরু হবে।