লক্ষ্মীছড়িতে ৫৫৬পরিবারে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা বিতরণ
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার লক্ষ্মীছড়িতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৫৫৬পরিবারের মাঝে ১৫কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার(৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে চাল বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াছিন।
১নং লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নের ২৫৬পরিবার, ২নং দুল্যাতলি ইউনিয়নে ১০০পরিবার ও দুর্গম ৩নং বর্মাছড়ি ইউনিয়নে ২০০পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়।
এ সময় লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াছিন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের অংশ হিসেবে চাল বিতরণ করা হয়েছে, এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা রয়েছে। এ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে গঠিত সেলের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ সম্মানী ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন হতে ১৫টি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। পৌরসভাসমূহের মধ্য হতে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে দুইটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
এছাড়া, সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড হতে ছয়টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
চলতি অর্থবছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা হতে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে যার মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি হতে দুইটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি হতে একটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে।
তবে, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।
এ কার্যক্রমের অধীনে নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক প্রত্যেকে পাঁচ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা এবং মসজিদের খাদেম মাসিক দুই হাজার টাকা সম্মানী পান। সম্মানীর এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো হয়।
মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদানের জন্য চলতি অর্থবছরে বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ অর্থবছের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় উপাসনালয় রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসছে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবে।
উল্লেখ্য, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের একমাস না পেরোতেই চলতি বছরের ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও সেলের সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্দা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ সেলের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ হলো এসএসসির ফলাফল! পাসের হার ৬২.২৫%
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ
এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ এবার পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
২০২৬ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন পরীক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর গড় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল দেখতে পারবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।
ফলাফল দেখার ওয়েবসাইট:
eduboardresults.gov.bd
educationboardresults.gov.bd
এসএমএসে এসএসসির ফল
এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার ফল জানার জন্য ১৬২২২ নম্বরের পাশাপাশি নতুন ১৬১৪০ নম্বরও যুক্ত করা হয়েছে।
মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে:
SSC <বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর> <রোল নম্বর> <পরীক্ষার বছর>
উদাহরণ:
SSC DHA 123456 2026
এটি ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
মাদরাসা শিক্ষার্থীরা যেভাবে ফল জানবে
মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আগে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ জন্য লিখতে হবে:
Dakhil MAD 123456 2026
এটি ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।
ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যাবে।
কারিগরি শিক্ষার্থীদের ফল দেখার নিয়ম
কারিগরি শিক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে লিখবে:
SSC TEC 123456 2026
এটি ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট পেতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে Result Corner-এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিয়ে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিস থেকে সরাসরি কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।
তিন সপ্তাহ পর প্রকাশ হলো ফল
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে এবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ করা হলো।
পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল।
এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, গড় পাসের হার ও জিপিএ–৫ কমেছে
চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলে ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।
২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন পরীক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে (১১টি শিক্ষা বোর্ড) গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।
এর আগে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে। সকালে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরাও শিক্ষা বোর্ডগুলোর এসব ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।
এ ছাড়া যেকোনো মুঠোফোন নম্বর থেকে ১৬১৪০ বা ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করেও ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংবাদপত্র অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না। ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনার কথা জানালেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
এসবি প্রধান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন
মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি :-
যশোর বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন করেছেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি সারদার নুরুল আমিন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে পৌঁছান। এ সময় তিনি ইমিগ্রেশনের সার্বিক কার্যক্রম, যাত্রীসেবার মান, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সীমান্ত দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াতসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পরিদর্শন করেন।পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসবি প্রধান সারদার নুরুল আমিন বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করেছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে অনেক যাত্রী ভারতে ভ্রমণে যাবেন এবং ভারত থেকেও অনেক যাত্রী বাংলাদেশে আসবেন। এসব যাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে বেনাপোল-কলকাতা রেল যোগাযোগ দ্রুত চালুর বিষয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের সচিবকে অবহিত করা হবে। রেল যোগাযোগ চালু হলে দুই দেশের যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
এসবি প্রধানের পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শাখাওয়াত হোসেন, নাভারণ সার্কেলের পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন, বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুর রহমান খান, বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইমিগ্রেশনের সার্বিক কার্যক্রম ও যাত্রীসেবা সম্পর্কে এসবি প্রধানকে অবহিত করেন।
মহেশখালী থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
বাগেরহাটের ঘরে মিলল মা, ছেলে ও নানির মরদেহ: স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যা
বাগেরহাটের কচুয়ায় একই পরিবারের দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা সম্পর্কে মা, ছেলে ও নানি। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার রাঢ়িপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরখোলা গ্রামের মৃত আবদার আলী হাওলাদারের বাড়ি থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অন্তত দুই থেকে তিন দিন আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যা।
নিহতরা হলেন—মৃত আবদার আলী হাওলাদারের স্ত্রী মনিরা বেগম মনি (৬০), তার ছেলে আহাদ আলী হাওলাদার (২৫) এবং মনিরার মা রাশিদা বেগম (৯৩)। আহাদ পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন। রাশিদা বেগম কয়েক দিন আগে মেয়ে মনিরার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
হত্যার শিকার মনিরার ভাগনি মিমি বেগম বলেন, "কয়েক দিন আগে নানু রাশিদা বেগম খালা মনিরার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এরপর খালাতো ভাই আহাদ আমাদের ফোন দিয়ে জানায় নানু মারা গেছেন। তখন আমরা ঘটনার বিস্তারিত জানতে খালার মোবাইলে কল করতে থাকি, কিন্তু গত তিন দিন ধরে তিনি ফোন রিসিভ করছিলেন না। মঙ্গলবার আমরা খালার বাড়িতে এসে ঘরে ঢুকে বীভৎস দৃশ্য দেখতে পাই—এক রুমে নানুর মরদেহ, অন্য রুমের খাটের নিচে খালার মরদেহ এবং খালাতো ভাইয়ের মরদেহ খাটের ওপর পড়ে আছে। ঘরে খালার কিছু টাকা-পয়সা ছিল। এটি একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড; যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।"
হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী কারণ থাকতে পারে এবং কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এদিকে একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর খবরে হাজারো মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় জমায় এবং পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন ও প্রতিবেশীদের কান্নায় পুরো বাড়ির পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশসহ সিআইডি ও পিবিআই-এর তদন্ত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। আশা করা যাচ্ছে, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ
সারাদেশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিবসটি পালিত হবে। জাতীয়ভাবে বিশদ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।
দিনটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পৃথক বাণীতে বীর জুলাইযোদ্ধাসহ দেশপ্রেমিক সব নাগরিককে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাঁর বাণীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসুন, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। একই সঙ্গে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করি।’
আন্দোলনে শহীদ ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদান, তাদের পরিবারের কল্যাণ, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে আশ্বাস দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশকে শান্তি, সাম্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বিজয়। এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশে আর কখনও স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া যাবে না।
পৃথক বাণীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন।
জাতীয় পর্যায়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সকালে দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকাসহ ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সাজানো হবে।
এদিন সকাল ৯টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
আরও আয়োজন
এ উপলক্ষে বিএনপি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিশেষ আলোচনা সভা করেছে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দল আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে গণসমাবেশ করবে।
এ ছাড়া গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স, গণফোরামসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
বাগেরহাটে মা-ছেলেসহ একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একটি বসতঘর থেকে মা, ছেলে ও নানিসহ একই পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রামে এ ঘটনা সামনে আসে।
নিহতরা হলেন গ্রামের মৃত আবদার আলী হাওলাদারের ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫), তাঁর মা মনিরা বেগম (৬০) এবং নানি রাশিদা বেগম (৯৩)। তাদের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহে পচন ধরায় ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি কয়েক দিন আগে ঘটেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিবেশীরা বাড়ির বারান্দায় এক বৃদ্ধার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করে।
কচুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ হাসান বলেন, বাড়িটি মূল সড়ক থেকে কিছুটা ভেতরে হওয়ায় সেখানে মানুষের যাতায়াত কম। এ কারণে ঘটনাটি দ্রুত কারও নজরে আসেনি।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুই থেকে তিন দিন আগে এ ঘটনা ঘটেছে। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ঘিরে দেশজুড়ে র্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার
আগামী ৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬' উপলক্ষ্যে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাব। দিবসটি ঘিরে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কুচক্রী মহল যেন নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে র্যাব পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। পাশাপাশি যে–কোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে র্যাব নিরলসভাবে কাজ করছে।
র্যাব জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে পৃথক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং আগাম তথ্য সংগ্রহে গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও বাড়ানো হয়েছে।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত রুট এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে ৪ আগস্ট রাত থেকেই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিফর্মধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে র্যাব সদস্যরা নজরদারি চালাবেন। দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি জেলার অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দিবসটির সাত দিন আগে থেকেই ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকের র্যাব সদস্যরা নজরদারি চালিয়ে আসছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সাইবার পেট্রোলিংও জোরদার করা হয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে বাহিনীটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে।
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
- ২ প্রকাশ হলো এসএসসির ফলাফল! পাসের হার ৬২.২৫%
- ৩ এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, গড় পাসের হার ও জিপিএ–৫ কমেছে
- ৪ আন্তর্জাতিক বাজারে পেয়ারা রপ্তানির সম্ভাবনার কথা জানালেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন
- ৫ এসবি প্রধান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন