শবে কদরের ফজিলত : কদরের রাতেই অবতীর্ণ হয় পবিত্র কোরআন
ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু রাত রয়েছে, যা অন্য সব রাতের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শবে কদর বা লাইলাতুল কদর। এটি এমন এক বরকতময় রাত, যখন আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। কোরআনের মাধ্যমে মানবজাতির জন্য আলোর দিশা এসেছে, যা কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
কোরআন ও হাদিসে শবে কদরের অসংখ্য ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে। এটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম (সুরা কদর: ৩), যার অর্থ হলো এই রাতে করা ইবাদতের প্রতিদান ৮৩ বছর ৪ মাস ইবাদতের চেয়েও বেশি। এ রাতে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত বর্ষিত হয়, ফেরেশতারা পৃথিবীতে অবতরণ করেন, এবং বান্দাদের জন্য দোয়া ও ক্ষমার দ্বার উন্মুক্ত থাকে।
শবে কদর ও কোরআনের ঘোষণা
শবে কদরের গুরুত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ কোরআনে বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি শবে কদরে।’ (সুরা কদর: ১) ‘আপনি জানেন কি, শবে কদর কী? শবে কদর হলো হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।’ (সুরা কদর: ২-৩)
অন্য আয়াতে বলা হয়েছে: ‘আমরা এটি (কোরআন) নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে। নিশ্চয়ই আমরা সতর্ককারী। এই রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাময় বিষয় নির্ধারিত হয়।’ (সুরা আদ-দুখান: ৩-৪)
এই আয়াতগুলো থেকে বোঝা যায়, শবে কদর শুধু কোরআন অবতীর্ণের রাত নয়, বরং এটি একটি নিয়তি নির্ধারণের রাত, যখন মানুষের আগামী বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়।
হাদিসে শবে কদরের গুরুত্ব
শবে কদরের ফজিলত সম্পর্কে অসংখ্য হাদিস রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ‘যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় শবে কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৯০১; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭৬০)
রাসূল (সা.) আরও বলেন: ‘শবে কদরকে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে অনুসন্ধান করো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২০১৭; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬৭)
আয়েশা (রা.) বলেছেন: ‘আমি রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমি যদি শবে কদর পেয়ে যাই, তাহলে কী দোয়া করব?’
তিনি বললেন: এই দোয়া পড়ো- اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي (উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আননি)
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করাকে ভালোবাসো, আমাকে ক্ষমা করে দাও।’ (তিরমিজি, হাদিস: ৩৫১৩) এই হাদিসগুলো থেকে বোঝা যায়, শবে কদরের রাত মাগফিরাতের (গুনাহ মাফের) শ্রেষ্ঠতম সুযোগ।
শবে কদরের বরকত ও প্রতিদান
১. হাজার মাসের চেয়ে উত্তম
আল্লাহ বলেন: ‘শবে কদর হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।’ (সুরা কদর: ৩) হাজার মাস মানে প্রায় ৮৩ বছর ৪ মাস। তাই, যে ব্যক্তি এই রাতে ইবাদত করবে, সে প্রায় এক শতাব্দীর ইবাদতের সওয়াব পাবে!
২. গুনাহ মাফের সুযোগ
শবে কদরে যে ব্যক্তি আল্লাহর ইবাদত করে ও আন্তরিকভাবে তওবা করে, আল্লাহ তার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
৩. ফেরেশতাদের অবতরণ
আল্লাহ বলেন: ‘সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল আ.) তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে প্রত্যেক বিষয়ে অবতরণ করে।’ (সুরা কদর: ৪) এই রাতে ফেরেশতারা মুমিনদের জন্য
তওবা করে, আল্লাহ তার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
৩. ফেরেশতাদের অবতরণ
আল্লাহ বলেন: ‘সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল আ.) তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে প্রত্যেক বিষয়ে অবতরণ করে।’ (সুরা কদর: ৪) এই রাতে ফেরেশতারা মুমিনদের জন্য শান্তি, রহমত ও মাগফিরাতের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন।
৪. শান্তির রাত
‘এ রাত ফজরের সময় পর্যন্ত শান্তি ও নিরাপত্তার রাত।’ (সুরা কদর: ৫)
শবে কদরের অনুসন্ধান ও ইবাদত
কখন শবে কদর? রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ‘শবে কদরকে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে অনুসন্ধান করো।’ (সহিহ বুখারি: ২০১৭; মুসলিম: ১১৬৭)
সাধারণত, ২১, ২৩, ২৫, ২৭ বা ২৯তম রাত শবে কদর হতে পারে। তবে, ২৭তম রাতকে অধিকাংশ মুসলমান শবে কদর হিসেবে উদযাপন করেন।
কীভাবে শবে কদর কাটাবো?
শবে কদরের সর্বোচ্চ ফজিলত পাওয়ার জন্য নিচের আমলগুলো করা উচিত:
১. নামাজ
বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া। বিশেষ করে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
২. কোরআন তিলাওয়াত
শবে কদরের রাত কোরআন নাজিলের রাত। তাই, বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা উচিত।
৩. দোয়া ও জিকির
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي (উপরোক্ত দোয়াটি পড়া) অন্যান্য আস্তাগফার ও দরুদ শরিফ পড়া।
৪. তওবা
আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে নিজের পূর্ববর্তী গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া ও ভবিষ্যতে পাপ থেকে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞা করা।
৫. দান-সদকা
গরিব-দুঃখীদের মাঝে খাদ্য, পোশাক ও আর্থিক সাহায্য প্রদান করা।
শবে কদর হলো এমন এক রাত, যা মুমিনদের জন্য অমূল্য সুযোগ। এটি কোরআন নাজিলের রাত, ভাগ্য নির্ধারণের রাত, এবং বান্দার জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের রাত।
আমরা যেন এই রাতের ফজিলত বুঝে, যথাযথ ইবাদত করে, আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে পারি—এটাই হোক আমাদের সকলের লক্ষ্য। আল্লাহ আমাদের সবাইকে শবে কদরের ফজিলত অর্জনের তাওফিক দান করুন, আমিন!
লেখক: মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সাড়ে ৭ ঘণ্টা ধরে রোম বিমানবন্দরে আটকা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট
ইতালির রোমের ফিউমিচিনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা ধরে আটকা পড়ে আছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিমানটির ২৫৯ জন যাত্রী।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বিমানটি রোম বিমানবন্দরে জ্বালানি ও ক্যাটারিং (খাবার) সংগ্রহের পর লন্ডনের উদ্দেশে পুনরায় উড্ডয়নের কথা ছিল। তবে টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমানটি উড্ডয়ন করতে পারেনি। সাড়ে ৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিমানটি রোম বিমানবন্দর ছাড়তে পারেনি। এ সময় যাত্রীরা বিমানবন্দরেই অপেক্ষা করছেন।
বিটিভির মহাপরিচালক কে এই কাজী জেসিন?
বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নতুন মহাপরিচালক (গ্রেড-১) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন উপস্থাপক কাজী জেসিন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ কাজী জেসিন। তিনি একাধারে সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক, লেখক ও কবি হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সাংবাদিকতায় সক্রিয় থাকা কাজী জেসিন বিভিন্ন সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন।
গাইবান্ধা জেলায় জন্ম নেওয়া কাজী জেসিন যুক্তরাজ্যের কামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেকসই উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। লেখালেখির শুরু করেন ১৯৯৭ সালে লিটল ম্যাগাজিনে প্রবন্ধ লেখার মাধ্যমে। পরবর্তীতে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন।
পেশাগত জীবনে কাজী জেসিন দৈনিক আমার দেশ, এনটিভি, চ্যানেল ওয়ান, একুশে টেলিভিশন, বাংলাভিশন ও যমুনা টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।
টেলিভিশন সাংবাদিকতায় তার অন্যতম আলোচিত কাজ হলো রাজনৈতিক টকশো ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’। অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক বিষয়, জনস্বার্থ ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এই অনুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের সামনে ফিরছেন তিনি।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাহিত্য অঙ্গনেও রয়েছে কাজী জেসিনের পরিচিতি। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘জোৎস্নামত্ত যাত্রা’ (১৯৯৭) এবং ‘তানানুম তানানুম’ (২০১০)।
বর্তমানে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করছেন কাজী জেসিন। সাংবাদিকতা, টেলিভিশন উপস্থাপনা ও লেখালেখির মাধ্যমে তিনি দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।
দেশ ছাড়ার পর হাসিনা পরিবারের সদস্যরা এখন কোথায়?
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগে ও পরে তার পরিবারের সদস্য এবং নিকটাত্মীয়দের প্রায় সবাই দেশ ছেড়েছেন। জানা গেছে, তাদের অধিকাংশ বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এ ছাড়া কেউ কেউ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও দুবাইয়ে রয়েছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। জানা যায়, তিনি বর্তমানে লন্ডন ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করছেন। সেদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। সরকার পতনের পর তিনি ভারতে গিয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), যিনি ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন, বর্তমানে দিল্লি ও দুবাইয়ে অবস্থান করছেন বলে গণমাধ্যমের খবর প্রকাশিত হয়েছে।
শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি) সরকার পতনের সময় থাইল্যান্ডে ছিলেন। তার স্ত্রী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। রেহানার আরেক মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের নাগরিক ও দেশটির পার্লামেন্ট সদস্য। অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীও যুক্তরাজ্যে থাকেন।
পরিবারের বাইরে শেখ হাসিনার নিকটাত্মীয়দের বড় অংশও দেশ ছেড়েছেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন। তার ছেলে শেখ ফজলে নাঈমও কলকাতায় রয়েছেন এবং আরেক ছেলে শেখ ফজলে ফাহিম সরকার পতনের আগেই দেশ ছাড়েন।
যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ সরকার পতনের পর ভারত হয়ে কানাডায় যান। পরে তিনি আবার ভারতে ফিরেছেন। শেখ ফজলুর রহমান মারুফ বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।
শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সরকার পতনের আগেই ভারতে যান বলে জানা গেছে। তার ছেলে আশিক আবদুল্লাহও তার সঙ্গে ভারতে গেছেন। আরেক ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ ভারত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবুল খায়ের আবদুল্লাহও সরকার পতনের পর ভারতে চলে যান বলে দলীয় সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন ও শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে তারা বসবাস করছেন বলে বিভিন্ন সময়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। শেখ হেলালের ছেলে শেখ তন্ময়ও ভারতে রয়েছেন। শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের স্ত্রী শাহানা ইয়াসমিন শম্পাও তার সঙ্গে আছেন। তবে শেখ হেলালের আরেক ভাই শেখ সোহেলের অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়নি।
শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) ও মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী) সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান।জানা গেছে, তারাও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে, শেখ হাসিনার স্বজনদের মধ্যে কেবল আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ঢাকায় গ্রেফতার হন। তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং রাজনৈতিকভাবে তেমন পরিচিত ছিলেন না।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রের দাবি, শেখ হাসিনার স্বজনদের অনেকেই সাতক্ষীরা, সিলেট ও ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক যোগাযোগ এবং বিপুল অর্থের বিনিময়ে তারা নিরাপদে দেশ ছাড়তে সক্ষম হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ। তবে দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী দেশ ছাড়তে না পারায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলেও দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।
নিউজ সূত্র: যুগান্তর
দুই-তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানি মন্ত্রী
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
মহেশখালী থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে পাঠিয়েছে সংসদ
২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ভোটার তালিকা পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইসির কাছে এই তালিকা পাঠানো হয়।তালিকা পাওয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বা তারিখ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।
এর আগে সংসদ সচিবালয়ের কাছে ভোটার তালিকা চায় নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি ইসি সচিব ভোটার তালিকা চাওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন।
গত সোমবার নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছিলেন, তারা ভোটার তালিকার জন্য পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে অনুরোধ করেছেন।
ভোটার তালিকা পাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল এই জিনিসগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। সেই পদেই এখন ভোটের প্রস্তুতি চলছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেবল সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে থাকেন।
তাই তাদের তালিকা নিয়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।
২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে : রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে গ্যাস, হাম, ডেঙ্গুসহ সব ধরনের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তার অঙ্গীকার মোতাবেক জনগণকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি কাজ করছেন।কিন্তু সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েও তাকে ব্যর্থ করতে নানা চক্রান্ত হয়েছে। এখনো তেমন চক্রান্ত হচ্ছে।
ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধে কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ রক্ষা-সংক্রান্ত সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
সভা শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যে এ কর্ম পরিকল্পনা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, দূষণ যেন না বাড়ে, সেজন্য প্রতিটি কারখানায় ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নদী না বাঁচলে ক্ষতির মুখে পড়বে মানুষ ও পরিবেশ। যারা এ নির্দেশনা মানবে না, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
সারা দেশের নদী দূষণমুক্ত করা হবে জানিয়েছে সিটি প্রশাসক জানান, সারা দেশের জন্যই হবে। তবে এই মুহূর্তে ঢাকাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রমটি শুরু হবে।