জুলাই-আগস্টে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন উপস্থাপন

Newsdesk | প্রকাশিত: ১০:০২ অপরাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৫

জুলাই-আগস্টের গণহত্যা নিয়ে জাতিসংঘের তথ্য অনুসন্ধানী মিশনের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছেন সংস্থটির মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। আজ বুধবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই তদন্ত প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

এ সময় ভলকার তুর্ক বলেন, জুলাই গণহত্যায় ব্যাপক ও সংগঠিতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। নারীর প্রতিও সহিংসতা হয়েছে। অনেক শিশু ও তরুণ আছে যারা সারাজীবনের জন্য বিকলাঙ্গ হয়ে গেছে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং প্রতিবেদন তৈরিতে অন্তর্বর্তী সরকার পুরোপুরি সাহায্য করেছে। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশকে সব ধরনের সহায়তা করবে কমিশন।

তিনি আরও বলেন, হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলকে নিয়মিত আপডেট জানানো হবে। এ ব্যাপারে ড. ইউনূসও ব্যক্তিগতভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। বাংলাদেশের জন্য এটি বিরাট সুযোগ। সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গণহত্যার বিচারের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বেশ কিছু সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। তবে এই সংস্কার বাস্তবায়ন বেশ জটিল একটি প্রক্রিয়া।

এ সময় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকার দায়বদ্ধ। শুধু এই প্রতিবেদনই বাংলাদেশের সাথে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের কাজ শেষ হয়ে যাবে না। বর্তমান সরকার বাংলাদেশের সব নাগরিকের মানবাধিকারও নিশ্চিত করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম চলছে। এরইমধ্যে ঐক্যমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। কয়েকটি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। তবে অধিকাংশ ঘটনার পেছনে আওয়ামী সন্ত্রাসীরাই দায়ী। সরকার এমন ঘটনা কোনোভাবেই সমর্থন করে না।

সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে বললে তা একপেশে বক্তব্য হবে। সংখ্যালঘুর চেয়ে বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় মুসলমান ভুক্তভোগীর সংখ্যাই বেশি।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন। তাতে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই অভ্যুত্থানের সময় নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত বছরের ১৯ জুলাই জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে শেখ হাসিনা আন্দোলনের সমন্বয়কদের গ্রেফতার করে মেরে ফেলা ও গুম করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছিল কোর কমিটি। ২০ জুলাই থেকে নিয়মিত বৈঠক করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তারেক রহমান

| প্রকাশিত: ১:৩১ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  
 সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বার্তা পোস্ট করা হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রার্থনা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মালয়েশিয়ার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘস্থায়ী সুস্বাস্থ্য ও শক্তি দান করুন।’



তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের এই বিশেষ বন্ধুর প্রতি বাংলাদেশের জনগণ ও আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন অভিযান আতঙ্কে সাগরে ঝাঁপ, ৭ ঘণ্টা পর মিললো বাংলাদেশি

| প্রকাশিত: ১:২৮ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬
মালয়েশিয়ার পহাং রাজ্যের তানজুং লুমপুরে অভিবাসন বিভাগের অভিযানের সময় আতঙ্কিত হয়ে সাগরে ঝাঁপ দেওয়া এক বাংলাদেশি শ্রমিককে সাত ঘণ্টা পর নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী ওই শ্রমিক প্রায় ৫ কিলোমিটার সাঁতরে কাছের জঙ্গলে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিজ কর্মীদের আবাসনে ফিরে আসেন তিনি।

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তানজুং লুমপুরের একটি নির্মাণস্থলে অভিবাসন বিভাগের পরিদর্শন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও অভিবাসন কর্মকর্তাকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে ওই শ্রমিক সাগরে ঝাঁপ দেন বলে জানায় ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ।

ঘটনার পর তাকে সাগরে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার আশঙ্কায় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। এতে ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগের ২০ জনের বেশি সদস্য, আন্ডারওয়াটার রেসকিউ টিমের ডুবুরি, ড্রোন ইউনিট, পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স ফোর্স অংশ নেয়।

তামান তাস ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ হিলমি কাশফি মাত জালি জানান, সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে অভিবাসন বিভাগের কাছ থেকে এক বিদেশি নাগরিক সাগরে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।

তিনি বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিকে সর্বশেষ যেখানে দেখা গিয়েছিল সেখানে নৌযান ও ড্রোন দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি আন্ডারওয়াটার রেসকিউ টিম সাগরে এবং আরেকটি দল তীরবর্তী এলাকায় অনুসন্ধান চালায়।

পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নির্মাণস্থলের এক সুপারভাইজার জানান, নিখোঁজ শ্রমিকটি নিরাপদে কর্মীদের আবাসনে ফিরে এসেছেন। পুলিশ যাচাই করে তার পরিচয় নিশ্চিত করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেয়।

উদ্ধারকর্মীদের কাছে ওই শ্রমিক জানান, অভিবাসন বিভাগের বিপুলসংখ্যক সদস্য দেখে তিনি ভয় পেয়ে সাগরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পরে তার সুপারভাইজার নিশ্চিত করেন, তার বৈধ ভ্রমণ ও কর্মানুমতি রয়েছে।
পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

| প্রকাশিত: ১:২৬ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বব্যাপী আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন।


আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।


সাক্ষাৎকালে স্টিফেন কার্পিন বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে ভিসার আগ্রহের কথা জানান। 


তিনি বলেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে কাজ করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।


ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশে যেসব ব্যাংক অ্যাকাউন্টধারীর কার্ড ব্যবহারের আওতায়  নেই, তাদের কার্ড ব্যবহারে উৎসাহিত করতে এবং ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে ভিসা কাজ করতে চায়।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সহজ ও দ্রুত করার বিষয়েও ভিসা কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান স্টিফেন কার্পিন।


সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের লেনদেন সহজ করতে মেট্রোরেল, টোল প্লাজা ও এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন সরকারি ও জনসেবামূলক ব্যবস্থায় ভিসা কার্ড ব্যবহারের সুযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।


বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে অবদান রাখতে ভিসা আগ্রহী বলেও জানান স্টিফেন কার্পিন। 


বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক আয় নিরাপদ ও সহজে দেশে আনার জন্য কার্যকর ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।


বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ভিসার একটি প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার বা গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার বাংলাদেশে স্থাপনের জন্য ভিসার প্রতিনিধিকে আহ্বান জানানো হয়। 


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিসার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং ভিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পরবর্তী খবর

সৌদিতে কারখানায় আগুনে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৬

| প্রকাশিত: ৪:৪২ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬–তে।

আজ সোমবার সকাল ৮টা ১৭ মিনিটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্ট থেকে এ তথ্য জানা যায়।

গতকাল রোববার দুপুরে কারখানাটিতে আগুন লাগে। আগুনে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁয়। দুজনের বাড়ি নাটোর। একজনের বাড়ি রাজশাহী।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন নওগাঁর ফরিদ, শুভ, রুবেল প্রামাণিক, সুমন, কলিমউদ্দিন, মোহন প্রামাণিক, সুমন প্রামাণিক, মিনহাজ, হৃদয়, শাহিন, আবদুল জলিল, মজিদুল, সাগর, নাটোরের শামিম, সাব্বির ও রাজশাহীর শ্যামল।

মর্মান্তিক এ অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রাণহানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর শোক, আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানিয়েছেন। পরিবারগুলোর এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোকের সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তসহ মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সৌদির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিকভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দিচ্ছে।
পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

| প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানান।

বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। হাইকমিশনার ঢাকায় গত দুই মাসের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়৷ বাংলাদেশ আশা করে, ভারত শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে।


একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হত্যাকারীদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়েও ভারতের প্রতি অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান নরেন্দ্র মোদি : ভারতীয় হাইকমিশনার

| প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬

প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। 

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এটি কূটনীতি ও গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এসব সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, দুই পক্ষকেই নিজেদের ইস্যুগুলো সমাধানে উদ্যোগী হতে হবে। এমন কোনো সমস্যা নেই, যা আলোচনার মাধ্যমে বসে সমাধান করা সম্ভব নয়। দুই দেশের সাধারণ মানুষই চায়, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ভালো থাকুক।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে গত দুই মাসে আমি যে আদর, প্রীতি ও ভালোবাসা পেয়েছি, তা সত্যিই অভিভূত করেছে।

পরবর্তী খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ:

| প্রকাশিত: ৪:৩৬ অপরাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬



সমতার ভিত্তিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দু'দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভৌগোলিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটসহ নানাদিক থেকে বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। অতীতকে পেছনে ফেলে দুই দেশের  বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে একটি নতুন সূচনা বা ফ্রেশ স্টার্ট জরুরি। তিনি বলেন, দু'দেশের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য বা ইস্যু রয়েছে যেগুলো পারস্পরিক সহযোগিতা ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। সমতার ভিত্তিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দু'দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে। তবে এ বিষয়ে ভারতকে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।


মন্ত্রীর সঙ্গে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান। 


সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ ও ইতিবাচক আলোচনা হয়।


ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা কেবল ভৌগোলিক সীমানা ভাগাভাগি করি না, আমরা সমৃদ্ধির স্বপ্নও ভাগাভাগি করি।” গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে বিভিন্ন ইস্যুতে চ্যালেঞ্জ থাকা স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইস্যু থাকাটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য; ইস্যু না থাকলে সেটা প্রকৃত গণতন্ত্র হতে পারে না। তবে সকল চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে দুই দেশের জনগণের একটাই মূল প্রত্যাশা— তা হলো একটি সুদৃঢ় ও চমৎকার সম্পর্ক, যা উভয় পক্ষের জন্য কল্যাণকর (Win-Win Situation) পরিবেশ তৈরি করবে।


হাইকমিশনার আরও বলেন, আলোচনা ও কূটনৈতিক উপায়ে সমাধান করা যাবে না— দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো জটিল ইস্যু নেই। তিনি আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


বৈঠকে মন্ত্রী বিদ্যমান বন্দি বিনিময় ও এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাসহ ভারতে অবস্থানরত সব চিহ্নিত পলাতক অপরাধীকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি করার লক্ষ্যে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতীয় হাইকমিশনারকে অনুরোধ জানান। তাছাড়া শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ভারত থেকে এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী যথাশীঘ্র সম্ভব বাংলাদেশে ফেরত প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়। হাইকমিশনার ভারতের পক্ষ থেকে আইনগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান।


সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।



পরবর্তী খবর

আজ দেশের প্রথম ৩ ‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী

| প্রকাশিত: ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যে দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি পাইলট প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত এই গ্রামগুলোর শুভ উদ্বোধন করবেন।

বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুন:নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে 'এসডিজি ভিলেজ' প্রকল্প গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। পাইলট প্রকল্পে রাঙামাটি কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা দাকোপ উপজেলার পানখালী ও দিনাজপুর বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম নির্বাচিত করা হয়েছে।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের আলোকে গ্রামে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্হা থাকছে এই প্রকল্পে। এমন সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাঙামাটির মিতিঙ্গাছড়ির গ্রামবাসী।

গ্রামবাসী জানান, রাস্তাঘাট তাড়াতাড়ি পরিবর্তন হলে তো আমাদের জন্য ভালো হবে। রাস্তাঘাট হয়ে গেলে, ছোটখাটো যদি একটা স্কুল হয় এলাকাতে, তাহলে আরও উন্নয়ন হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, এটা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপিত হবে। সেজন্য সরকারের এই পদক্ষেপকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করে আমরা এটাকে বাস্তবায়ন করতে চাই। আমার বিশ্বাস, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বড় কল্যাণে কাজ দিবে।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এসডিজি প্রকল্পের আওতায় মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে পাইলট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

রাঙামাটি এসডিজি ভিলেজের ভিলেজ কো-অর্ডিনেটর মনজুরুল হক বলেন, যদি এই প্রকল্প আমরা—যদি বলার কোনো সুযোগ নেই, বিনা ব্যর্থতায় আমাদেরকে এটি সফল করতে হবে। আমরা এই এক বছর এই পাইলটিং প্রজেক্ট শেষে এবার আমরা আবার এন্ডিং জরিপ করব যে, এখানে আমাদের আগে কী ছিল, এখন কী হলো। তারপরে আমরা এটা ন্যাশনালি সারা বাংলাদেশে স্কেল আপ করবো।

সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ও বাংলাদেশ পরিকল্পনা বিভাগের এই পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে সারাদেশসহ বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা নেবে সরকার।

পরবর্তী খবর

প্রকাশ হলো এসএসসির ফলাফল! পাসের হার ৬২.২৫%

| প্রকাশিত: ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ
এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ এবার পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

২০২৬ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন পরীক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর গড় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল দেখতে পারবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।

ফলাফল দেখার ওয়েবসাইট:

eduboardresults.gov.bd
educationboardresults.gov.bd
এসএমএসে এসএসসির ফল
এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষার ফল জানার জন্য ১৬২২২ নম্বরের পাশাপাশি নতুন ১৬১৪০ নম্বরও যুক্ত করা হয়েছে।

মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে:

SSC <বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর> <রোল নম্বর> <পরীক্ষার বছর>

উদাহরণ:

SSC DHA 123456 2026

এটি ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

মাদরাসা শিক্ষার্থীরা যেভাবে ফল জানবে
মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আগে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ জন্য লিখতে হবে:

Dakhil MAD 123456 2026

এটি ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যাবে।

কারিগরি শিক্ষার্থীদের ফল দেখার নিয়ম
কারিগরি শিক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে লিখবে:


SSC TEC 123456 2026

এটি ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট পেতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে Result Corner-এ প্রবেশ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিয়ে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিস থেকে সরাসরি কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।

তিন সপ্তাহ পর প্রকাশ হলো ফল
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা ছিল। তবে এবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ করা হলো।

পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল।

এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।

পরবর্তী খবর

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, গড় পাসের হার ও জিপিএ–৫ কমেছে

| প্রকাশিত: ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলে ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।

২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন পরীক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে (১১টি শিক্ষা বোর্ড) গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।

এর আগে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে। সকালে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরাও শিক্ষা বোর্ডগুলোর এসব ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে।

এ ছাড়া যেকোনো মুঠোফোন নম্বর থেকে ১৬১৪০ বা ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করেও ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা সংবাদপত্র অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না। ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে।