চট্টগ্রাম ইপিজেডে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন
চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) আল হামিদ টেক্সটাইল নামে একটি কারখানায় আগুন লেগেছে। কারখানাটিতে হাসপাতালে ব্যবহার করার যন্ত্রপাতি তৈরি হতো। নয়তলা ভবনটিতে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
https://youtube.com/shorts/fdBdtnvzz_4?si=0p7b73Dm9_hubPrM
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দীন জানান, এ পর্যন্ত ৬টি স্টেশনের ১৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া যোগ দিয়েছে সেনা ও নৌবাহিনী।
ইপিজেড থানার ওসি মোহাম্মদ জামির হোসেন জিয়া জানান, ‘ভবনটির মেডিকেল ইকুইপমেন্ট তৈরির প্রতিষ্ঠানের সপ্তম তলায় আগুন লাগে। পরবর্তীতে তা ছয়তলায় ছড়িয়ে পড়ে।’
ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ সহকারী পরিচালক আবদুল মান্নান বলেন, ‘ওই কারখানায় কোন শ্রমিক কর্মচারী আটকা পড়েছে কিনা তা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি।’
চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক আবদুস সোবহান বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এখনো পর্যন্ত প্রাণহানি বা আহত হওয়ার কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি।’
বিআরটিএর ডিজিটাল সেবা নিয়ে জাইমা রহমান: প্রযুক্তি তখনই কাজে আসে, যখন মানুষের জীবন সহজ করে
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল করার উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তবে ডিজিটাল সেবা তখনই কার্যকর হয়, যখন তা বাস্তবে মানুষের জীবন সহজ করে—এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন জাইমা রহমান। একই পোস্টে তিনি বাংলাদেশে জীবনের দ্বিতীয় ড্রাইভিং টেস্ট দেওয়ার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।
জাইমা রহমান লেখেন, ‘গত সপ্তাহে আমি জীবনের দ্বিতীয় ড্রাইভিং টেস্ট দিলাম, এবার বাংলাদেশে গাড়ি চালানোর অনুমতির জন্য। প্রথমটি দিয়েছিলাম লন্ডনে, দশ বছরেরও বেশি আগে। দুটিতেই প্রথমবারে উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু গাড়ি চালানোর বাস্তবতার জন্য একটি পরীক্ষা আমাকে যতটা প্রস্তুত করেছে, অন্যটি ততটা করেনি।’
ড্রাইভিং টেস্টের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এখানকার পুরো প্রক্রিয়াটির ভেতর দিয়ে যেতে যেতে আমি কেবল ড্রাইভিং টেস্ট বা লাইসেন্স নিয়ে ভাবিনি। ভেবেছি আমাদের সড়ক ব্যবহারের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা নিয়ে, আর সেই সড়ক নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি ব্যবস্থাগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে।’
জাইমা রহমান আরও বলেন, ‘অনেক তরুণ বাংলাদেশির, বিশেষ করে ঢাকার তরুণদের, একটি মৌলিক হতাশা আছে: আমাদের কাছ থেকে নিয়ম মেনে চলার প্রত্যাশা করা হয় এমন একটি ব্যবস্থার ভেতরে, যেটি সব সময় নিরাপদ বা অনুমানযোগ্য মনে হয় না।’
পথচারীদের নানা সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যাপ্ত ক্রসিং না থাকায় পথচারীদের অনেক সময় দ্রুতগতির সড়ক পার হতে হয়। কোথাও ফুটপাত হঠাৎ শেষ হয়ে যায়, আবার কোথাও ফুটপাত দখল হয়ে থাকে। এর পাশাপাশি বাস, মোটরসাইকেল, রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির ভিড়ের মধ্যে পথ চলতে হয়, যেগুলো অনেক সময় ভিন্ন ভিন্ন অলিখিত নিয়মে চলাচল করে।
তিনি বলেন, বিআরটিএর সেবাগুলো ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেবা ডিজিটাল করাই শেষ কথা নয়। সেই ডিজিটাল ব্যবস্থা মানুষের দৈনন্দিন ভোগান্তি কমিয়ে সত্যিকার অর্থে জীবনকে সহজ করছে কি না, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
জাইমার মতে, নিরাপদ ও পূর্বানুমানযোগ্য সড়কব্যবস্থা নিশ্চিত করতে শুধু চালকদের নিয়ম মানার ওপর নির্ভর করলে হবে না; পথচারী, চালক, গণপরিবহন, সড়ক অবকাঠামো এবং নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার মধ্যে সমন্বিত পরিবর্তন প্রয়োজন।
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর
সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী
হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র : বাণিজ্যমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুল নেওয়ার খবরটিকে গুজব বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বুধবার (১২আগস্ট) রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে বিশ্ব যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি গুজবের একটি অংশ। তিনি আরও বলেন, ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন কোনো জটিলতা নেই যা সমাধান করা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী বলেন, তরুণরাই একটি দেশ ও জাতির মূল শক্তি। তরুণরাই একটি দেশের জন্য আশীর্বাদ। বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাদের সঠিক স্কিল এবং শিক্ষা দিতে পারলে তারা দেশের জন্য অবদান রাখবে।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। পৃথিবী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করছে। মন্ত্রী আরও বলেন, তরুণদের শক্তি একটি দেশের উন্নতিতে ইতিবাচক মাত্রা যোগ করে। ইতোমধ্যেই বর্তমান সরকার তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
ভারত থেকে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৯টি নতুন কোচ
বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ভারতের কাপুরথালায় অবস্থিত রেল কোচ ফ্যাক্টরি (আরসিএফ) তৈরি করেছে ১৯টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের প্রথম রেক।
বুধবার (১২ আগস্ট) এই রেকটি আনুষ্ঠানিকভাবে রোল আউট করার কথা রয়েছে।
ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রথম রেকে রয়েছে তিনটি এসি স্লিপার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, ১১টি নন-এসি চেয়ার কোচ এবং দুটি পাওয়ার কার। বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী ও পরিচালনাগত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে বিশেষভাবে এসব কোচের নকশা ও বিভিন্ন সুবিধা সংযোজন করা হয়েছে।
কোচগুলোতে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বিশেষভাবে তৈরি রিক্লাইনিং চেয়ার, স্টেইনলেস স্টিলের আর্মরেস্ট ও ফুটরেস্ট রয়েছে। পাশাপাশি এসি কোচে ফ্যান, সমন্বিত সিসিটিভি নজরদারি ব্যবস্থা, যাত্রীদের জন্য অ্যালার্ম সিস্টেম, আংশিক খোলা যায় এমন জানালা, শিশু পরিচর্যা কক্ষ এবং নামাজের কক্ষ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের বিশেষ পরিচালন পরিস্থিতি বিবেচনায় কোচের ছাদও শক্তিশালী করা হয়েছে।
নিরাপত্তার দিক থেকেও কোচগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ইউরোপীয় মানদণ্ড ইএন ১৫২২৭ অনুসরণ করে সংঘর্ষে তুলনামূলক বেশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো নকশা রাখা হয়েছে। এ জন্য কোচের বডি শেলের নকশায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া ভারতীয় রেলের প্রচলিত ৭৫০ ভোল্টের পরিবর্তে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী এসব কোচে ৪১৫ ভোল্টের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
পিআইবি জানিয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরির সহযোগিতার ইতিহাসও রয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করেছিল। এরপর ২০২৪ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে সাত ধরনের ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ তৈরির নতুন অর্ডার দেয়। এবারের ১৯ কোচের রেক সেই অর্ডারেরই প্রথম চালান।
কোকোর জন্মদিন, বনানী কবরস্থানে বিএনপি নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন পালিত হচ্ছে আজ বুধবার (১২ আগস্ট)। দিবসটি উপলক্ষে সকালে বনানী কবরস্থানে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
এ ছাড়া নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সেই সঙ্গে বিকেল সাড়ে ৫টায় মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের (এসবিএনসিএস) মিডিয়া সেন্টারে তার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো। তিনি ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ায় মারা যান।
তিনি স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডিশ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকস। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুইডেনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা ও প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সুইডেনসহ ইউরোপের বাজারে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষণ জোরদার এবং দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানির ক্ষেত্রে সুইডেন সরকারের নিবিড় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
আলোচনায় সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের ‘দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কৌশল’ (Bilateral Cooperation Strategy) রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই গভীর হচ্ছে বলেও জানান তিনি। রেডিমেড গার্মেন্টস, স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি অবস্থান করছেন, যাদের বড় একটি অংশ শিক্ষার্থী।
সুইডেনে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, অসাধু মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে কিছু নিরপরাধ মানুষ অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। উন্নত জীবনের প্রত্যাশা এবং পাচারকারীদের প্রলোভনই অনিয়মিত অভিবাসনের অন্যতম প্রধান কারণ। এ সমস্যা দূর করতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
রোহিঙ্গা সংকটকে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সুইডেন রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হওয়ায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজরে রাখতে দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
সুইডিশ রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে কাজ করার সুইডিশ আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র সমাধান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডিশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এনার্জি সেক্টরে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি: জ্বালানিমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সভায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, বিরোধী দলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং হুইপ আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম বকুল, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া ও এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) অংশ নেন।
সভায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, রাষ্ট্র কাঠামোর সর্বক্ষেত্রে ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে হবে। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ একটি ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ।
সভায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষ ব্যবহার, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা প্রদান এবং সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ বিষয়ে সভার কার্যবিবরণী প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ অনুমোদন করা হয়।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা ও অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ৩ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
সভায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ - দুর্ঘটনা
- ১ বিস্ফোরণে আগারগাঁওয়ে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ
- ২ কড়াইল বস্তিতে আগুনের ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার উদ্বেগ ও সমবেদনা
- ৩ কড়াইল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার
- ৪ ভূমিকম্পে যেসব ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানাল ফায়ার সার্ভিস
- ৫ লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী নৌকাডুবি, ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু