গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় খুন হন সাম্য: ডিবি

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২:৫৯ অপরাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে মামলার তদন্তসংস্থা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ারকে হত্যা করা হয়েছে।’

শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে এই তথ্য জানান তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মামলার তদন্তসংস্থা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) আদালতে অভিযোগপত্রটি দাখিল করে।

পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ বলেন, ‘এ মামলার অভিযোগপত্রে ৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আর ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।’

অভিযোগপত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আখতার মোর্শেদ উল্লেখ করেন, সাম্য ও তার বন্ধুরা প্রায়ই উদ্যানে সময় কাটাতেন এবং মাদক বিক্রি বন্ধে স্থানীয়দের সচেতন করতেন। এতে মাদক বিক্রেতাদের সঙ্গে তাদের শত্রুতা তৈরি হয়। ১৩ মে রাতে সেই শত্রুতার জের ধরে সাম্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

অভিযোগপত্রে তালিকাভুক্ত আসামিরা হলেন মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ ও মো. রবিন।

এদিকে তালিকাভুক্ত আসামিদের প্রসঙ্গে ডিবি জানায়, তারা সবাই মাদককারবারি।

এছাড়া অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া আসামিরা হলেন তামিম হাওলাদার, সম্রাট মল্লিক, পলাশ সরদার ও সুজন সরকার।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে দিবাগত রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হন শাহরিয়ার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় পরদিন অর্থাৎ ১৪ মে সকালে নিহত সাম্যের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।