অস্ট্রেলিয়ায় খালেদা জিয়ার কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

Tajuddin Ahmed
Tajuddin Ahmed Tajuddin Ahmed
প্রকাশিত: ১২:০৩ অপরাহ্ন, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:১৮ পূর্বাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে চলমান নৈরাজ্য নিরসন ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে জাতীয় নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন কুইন্সল্যান্ড বিএনপির নেতারা।

ব্রিজবেনে আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রাম বিষয়ক এক আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জেল-জুলুম সহ্য করেও বেগম জিয়া গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করেননি। অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিয়ে বিগত সরকারের নিষ্ঠুর আচরণের চিত্র তুলে ধরেন এবং দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাঁর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন সহনশীলতা ও আপসহীন নেতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত রাখতে তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চরম ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বিগত সরকারের আমলে বর্বরোচিত নির্যাতন ও অবহেলা সহ্য করেও তিনি দেশের মানুষের কথা ভেবে গেছেন। বিশেষ করে পরিত্যক্ত কারাগারে তাঁকে বন্দি রাখার ঘটনাকে বিশ্ব ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করেন আলোচকরা।

অনুষ্ঠানে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডক্টর মোহাম্মদ ইসলাম- খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিয়ে তৎকালীন সরকারের নিষ্ঠুর আচরণ, অবহেলার ও মানবিক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তাঁর প্রতি যে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন।

ব্রিজবেন বিএনপির সহ-সভাপতি সাঈদ চৌধুরী বলেন, ‘বেগম জিয়া সবসময়ই প্রতিহিংসা ও সহিংসতার রাজনীতি পরিহার করে চলেছেন। এমনকি হাসিনা সরকারের পতনের পরও তিনি দেশবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বর্তমানের এই সংকটময় সময়ে তাঁর মতো অভিভাবককে বাংলাদেশের খুব প্রয়োজন।’

কুইন্সল্যান্ড বিএনপির সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন স্থিতিশীলতা ফেরানোই মূল চ্যালেঞ্জ। আর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল এই স্থিতিশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।’

অনুষ্ঠান শেষে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।