মানিকগঞ্জ-০১ (ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়) সংসদীয় আসনে নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণে সংবাদ সম্মেলন।

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৫:০৭ অপরাহ্ন, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৩:২৮ অপরাহ্ন, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

রিপোর্ট : তাজউদ্দীন আহমদ 


আমি ড. খোন্দকার আকবর হোসেন (বাবলু), সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি, জ্যেষ্ঠপুত্র বিএনপি'র দুর্দিনের কান্ডারী প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। আমার সাথে উপস্থিত আছেন আমার ছোট বোন ডাঃ দেলোয়ারা বেগম পান্না, ছোট ভাই খোন্দকার আকতার হামিদ পবন, আমার ভাতিজা মরহুম খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলুর ছেলে খোন্দকার রোমান । এছাড়াও আরো উপস্থিত আছেন-দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শফিউল আলম বিল্টু, ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয় বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল আওয়াল মাষ্টার প্রমুখ শুরুতেই আমি বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মাতা, বিএনপির চেয়ারপার্সন, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

আজকে সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য হলো হাজারো ছাত্র-জনতা ও আমাদের দলের অস্যংখ্য নেতা-কর্মীদের রক্তের বিনিময়ে জুলাই আন্দোলনে আমরা যে ফ্যাসিষ্ট, স্বৈরাচার, অবৈধ মাফিয়া সরকারকে উৎখাত করেছিলাম, সেই সরকারের কোনো দোসর সুবিধাভোগী এবং ৫ আগষ্ট পরবর্তী দলকে ব্যাক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে লাভবান হওয়া ব্যক্তির মনোনয়ন পরিবর্তন করে সৎ, এলাকায় ক্লিন ইমেজ, সাহসী, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা ও জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যাক্তিকে দল থেকে মনোনয়ন দেবার দাবী ও অনুরোধ জানিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষন করার পাশাপাশি দেশবাসীকে সার্বিক বিষয়ে অবহিত করার প্রয়োজনীয়তার উপলব্দি থেকে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন ।

সুপ্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ,

আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয় নেত্রী গুরুতর অসুস্থ থাকা অবস্থায় কেনো আমাদের এই জরুরী সংবাদ সম্মেলনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে? আপনারা জানেন আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয় নেত্রী যখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে ঠিক সেই মুহূর্তে গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপি'র ইতিপূর্বে ঘোষিত স্থগিত আসনগুলোর বেশ কয়েকটিতে দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। যেখানে আমরা আমাদের প্রতিদিনের দলীয় কর্মসূচীতে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় প্রতিদিন মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে প্রার্থনায় ব্যস্ত, সেখানে একদল নেতাকর্মীরা সব ভুলে মিষ্টি বিতরণসহ নানারকম আনন্দ উল্লাসে বাস্ত এবং আরেকদল হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভে ম্যাডামের রোগমুক্তির জন্য মূল উদ্দেশ্য দোয়া মাহফিল থেকে সরে এসেছেন । মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়) সংসদীয় আসনেও এর ব্যাতিক্রম হয়নি।


আমাদের দলের

প্রিয় মানিকগঞ্জবাসী ও সাংবাদিক বৃন্দ,

আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে বীর মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষা সৈনিক, স্বৈরাচার পতন সংগ্রামের অগ্রনায়ক, ১/১১ এর সময়ে দলের ক্রান্তিকালের কান্ডারী, দুঃসাহসী ব্যাক্তিত্ত্ব বিএনপি'র প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন দেশপ্রেম, দল ও জিয়া পরিবারের প্রতি আনুগত্য; সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত দলের জন্য সততার সাথে কাজ করে গিয়েছেন । জিয়া পরিবারকে “মাইনাস” করার জন্য তাঁর ও তাঁর পরিবারের প্রতি মামলা-হামলা, গ্রেফতার, চাকরীচ্যুত, ছোট ছেলে পবনকে বার বার রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার ও সেই অত্যাচারের ভিডিও তাঁকে দেখিয়ে মানসিকভাবে দূর্বল করার চেষ্টাসহ এমন কোন কাজ নেই যে সে সময়ে মঈউদ্দিন-ফকরুদ্দিনের অবৈধ সরকার ও দলের তথাকথিত সংস্কার পন্থীরা করে নাই। শত কোটি টাকা ও রাষ্ট্রপতি করার প্রলোভন এবং সর্বশেষ বাসায় গিয়ে সরকারী সংস্থার লোকদের হুমকি “ You will be killed and your family will be destroyed” দেয়ার পরেও তাঁকে তাঁর আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র আদর্শচ্যুত করতে পারে নাই এবং সাহসীকতার সাথে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখেন এবং ‘মাইনাস-টু' প্ল্যান নশ্চ্যৎ করে দেন। সর্বশেষ তিনি ২০১১ সালের ৪ মার্চ সিঙ্গাপুর চিকিৎসায় যাবার আগ মুহূর্তে চিকিৎসক ও দলীয় নেতা-কর্মী পরিবেষ্টিত গুরুতর অসুস্থ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন অক্সিজেন মাক্স খুলে স্পষ্টভাবে দেশবাসীর কাছ থেকে বিদায় নিলেন এবং দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিদায় নিয়ে ছিলেন ।

সুপ্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ ও দেশবাসী,

বিএনপি'র প্রয়াত মহাসচিবের সাথে আমার ছোট ভাই এ্যাডভোকেট মরহুম খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলু বাবার সাথে রাজনীতি করে আসছিলেন। আমি বাবার মৃত্যুর পরে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০১২ সাল থেকে রাজনীতির মাঠে সরাসরি সম্পৃক্ত হই । আমাদের পরিবারের অন্য সদস্যরাও প্রতিকূল পরিবেশে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করেছি। রাজনীতিতে যোগদানের পর থেকেই এলাকায় ও কেন্দ্রে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করাসহ এলাকায় দুঃখ-দূর্দশায়, বন্যা, নদী-ভাঙ্গন ও কোভিডে বিপর্যস্ত এলাকাবাসীর পক্ষে সাধ্যমতো পাশে থেকে তাঁদের ভালোবাসা ও সম্মান অর্জন করেছি। আমার ভাই-বোনেরাও আমার পাশে থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করে গিয়েছে। রাজনীতির কারণে অন্যান্য বিএনপি'র নেতাকর্মীদের মতো আমি আমার পরিবার আমার ভাই বোন বিশেষ করে আমার ছোট ভাই পবনসহ সকলেই হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও গ্রেফতারের শিকার হয়েছি। আলোচিত ২০২৩ সালের ২৮ শে অক্টোবরের সমাবেশে শেষ পর্যন্ত মাঠে থেকে আমি ও আমার অসংখ্য নেতাকর্মী টিয়ারশেলের আঘাতে আহত হয়েছি । ড্যামি নির্বাচনে পূর্ণ হরতাল অবরোধে বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভীর সাথে রাজপথে থেকে পিকেটিং এ অংশগ্রহণ করেছি। অবাধ এ তথ্য প্রবাহের যুগে আজ কোনো কিছুই গোপন নয় বিধায় আমার ও আমার পরিবারের বিগত আন্দোলন সংগ্রামের ভূমিকা ও ৫ আগষ্ট পরবর্তী ভূমিকা আমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (www.facebook.com/akbar.khandaker) সহ প্রায় সকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচারিত ও সংরক্ষিত আছে। আমি আজ অব্দি আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে মানিকগঞ্জ-০১ আসনে প্রতিটি এলাকায় দ্বারে দ্বারে এলাকাবাসীর কাছে গিয়েছি এবং যাচ্ছি।


ন সংগ্রামের

সচিব

সুপ্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ ও নেতৃবৃন্দ,

আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যেরে অহংকার এবং আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান দলীয়সহ বিভিন্ন ফোরামে বারবার বলেছেন আগামী নির্বাচনটা হবে অনেক কঠিন নির্বাচন। আগামী নির্বাচনে শুধু মার্কা দেখে নয় প্রার্থী দেখে জনগন ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। আর তাঁর এই সুচিন্তিত ভাবনা ও আগামী দিনে জনগণের দল শহীদ রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি'র আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন প্রাপ্তির জন্য কিছু ক্রাইটেরিয়া ঘোষণা করেছিলেন যার অন্যতম হচ্ছেঃ পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, এলাকায় জনপ্রিয়তা, দলের প্রতি ত্যাগ ও আনুগত্য ও সাংগঠনিক সক্ষমতা। উপরোক্ত ক্রাইটেরিয়ার প্রতিটিই আমার মধ্যে বিদ্যমান। এলাকায় কাউকে পদ-পদবী দেওয়ার ক্ষমতা না থাকার পরও দলের সত্যিকারের নিবেদিত, স্বার্থহীন, ত্যাগী-নির্যাতিত, ‘পা-ফাটা’ সাধারণ জণগোষ্ঠী এবং আমার মরহুম পিতার জনপ্রিয়তার কারণে আমার সাথে অনেকেই আছেন। ৫ আগষ্ট পূর্ববর্তী ও পরবর্তী এলাকায় আমার ভূমিকা ও অবস্থান বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টে ও আমাকে সর্বাগ্রে রাখা হয়েছিলো। আমার মরহুম পিতা বিএনপি'র প্রয়াত মহাসচিব মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের গৌরবজ্জ্বল ভূমিকা আমার ও পরিবারের এলাকায় জনপ্রিয়তার কারণে সকলেই নিশ্চিত ছিলো যে দলের সিদ্ধান্ত আমার পক্ষেই হবে। এছাড়াও দলের চেয়ারপার্সনের ঘনিষ্ট ও অনেক নীতি নির্ধারকরাও আমাকে মনোনয়ন দেয়ার ব্যপারে আশ্বস্ত করেছিলেন । আমাকে এ ও বলা হয়েছিলো, দলের চেয়ারপার্সন আমার ব্যাপারে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে সুন্দরভাবে মনোনয়ন দেয়ার পক্ষে বলেছেন।

গত ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ আমিসহ সারা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করলো পূর্বে ঘোষিত বিএনপি'র স্থগিত হওয়া আসনগুলোতে মনোনয়ন প্রার্থীদের নাম ঘোষিত হলো। যার মধ্যে মানিকগঞ্জ-০১ (ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়) আসনে এমন একজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হলো - যে নিজ এলাকায় তার সন্ত্রাসী কার্যক্রম, চাঁদাবাজী, দখলবাজী, বালু মহল দখলসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। এই প্রার্থী আওয়ামী পরিবারের সন্তান, পতিত স্বৈরাচার মাফিয়া সরকারের কাছ থেকে সুবিধাভোগী দেশের এক বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠীর কর্ণধারের ঘনিষ্ট আত্মীয় ৫ আগষ্ট পরবর্তী এলাকায় এমন কোন হীন কাজ নেই যে তার এবং তার সাংগ-পাংগদের দ্বারা সংগঠিত হয় নাই । এই বিতর্কিত ব্যক্তির হাত থেকে দলের নিবেদিত নেতা-কর্মীসহ যারাই তার অপকর্ম ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছে তাদের সকলকেই মিথ্যা মামলা হামলা ও জেল জুলুমের স্বীকার হতে হয়েছে। আজ তাঁদের কয়েকজন আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আছেন। আপনারা তাঁদের কাছ থেকে তাঁদের মুখে তাঁদের উপর বিএনপি ঘোষিত প্রার্থীর অত্যাচারের বর্ণনা ধৈয্য ধরে শুনবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি

প্রিয় সাংবাদিক ও মানিকগঞ্জবাসী,

দলের একজন নগণ্য কর্মী ও শতভাগ বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী পরিবারের সদস্য হিসাবে আমিসহ আমার পরিবারের সকলেই দলের যে কোন সিদ্ধান্তের প্রতি অনুগত ও শ্রদ্ধাশীল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্টপতি জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, “ব্যাক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”। যদি তাই হয় তাহলে আমিসহ এলাকাবাসী এবং সারাদেশের অসংখ্য নেতাকর্মীদের ভিতর প্রশ্ন জেগেছে; অযোগ্যতা, এলাকায় ভাবমুর্তি এবং সর্বোপরি দলকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে যিনি লাভবান হয়েছেন তিনি কিভাবে দলের মনোনয়ন পান? কি তার যোগ্যতা? তার যোগ্যতা কি তাহলে অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকা- পয়সা এবং কোনো বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠীর আর্শিবাদ?



আজ দলের ভিতর ঘাপটি মেরে থাকা সিন্ডিকেট সদস্যরা যারা শুধু টাকা-পয়সা থাকাকে যোগ্যতার একনায় মাপকাঠি রুপে বিচার করে। এরাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, কোম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দলকে জনগণের কাছে বিতর্কিত করে তুলছে। তাদেরকে অবিলম্বে চিহ্নিত করে দল থেকে বের করার পাশাপাশি নির্যাতিত নেতাকর্মী, দল ও দেশের সাথে বেঈমানীর জন্য উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের অপকর্মের বদলে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের প্রাণের দল বিএনপির লক্ষ লক্ষ নির্যাতিত, ত্যাগী নেতা-কর্মীরা প্রচন্ড কষ্ট পাচ্ছে। সিন্ডিকেটভুক্ত অসৎ সদস্যদের জন্যেই আমাদের নেতা আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান ও দলের ইমেজের প্রচুর ক্ষতি সাধন হচ্ছে। আমি অন্য এলাকার কথা বলবো না, আমি যে আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী, সেই আসনের সাধারণ জনগণ, নেতাকর্মীসহ সকলেই বর্তমান ঘোষিত দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে কি ধরনের কথাবার্তা বলছে এবং কিসের ভিত্তিতে মনোনয়ন পেয়েছে সেটা গোপনে বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে দলের নীতি নির্ধারকদের খোঁজ নেবার জন্য অনুরোধ রাখছি।

পরিশেষে বলবো ১/১১এর সময় জাতীয় রাজনীতি থেকে আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তৎকালীন মাঈনুদ্দিন-ফারুদ্দিন ও দোসররা মাইনাস করতে চেয়েছিলো কিন্তু সেই সময়ে আমার মরহুম পিতা সততা ও বিশ্বস্ততার সাথে দায়িত্ব পালন করে সেই অপচেষ্টা রুখে নিয়েছিলেন এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সেফার ছিলেন। এখন জাতীয় ও মানিকগঞ্জের রাজনীতি থেকে মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পরিবারকে মাইনাস করার যে অপচেষ্টা, সেই অপচেষ্টা রুখে দেয়ার জন্য আমার পিতার অসমাপ্ত কাজ, রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার নিমিত্তে আমাকে বিএনপির মনোনয়নে পূর্ণ বিবেচনা করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের সুযোগ সৃষ্টির জন্য আমার প্রানপ্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমানের সু-দৃষ্টি কামনা

আমাদের প্রানপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য মহান সৃষ্টি কর্তার নিকট প্রর্থনা ছি। আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর নিকট দোয়া চাচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অমর হোক, খালেদা জিয়া সুস্থ হোক তারুন্যের অহংকার তারেক রহমান জিন্দাবাদ।

খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পরিবার ও মানিকগঞ্জ-১ আসনের সচেতন নেতা-কর্মীদের পক্ষে ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবু

সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি,

জ্যেষ্ঠ পুত্র বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ও মানিকগঞ্জ-১ সংসদীয় আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি।