জনতার কাছে রাজনৈতিক দলের জন্য নাম-প্রতীক চাইলেন হাসনাত

newsdesk
newsdesk newsdesk
প্রকাশিত: ১২:১১ পূর্বাহ্ন, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ | আপডেট: ৬:১১ অপরাহ্ন, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে অনেক দিন ধরেই। এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানালেন, এই রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য তারা জনমত সংগ্রহ করবেন। জনগণের কাছ থেকে নতুন এই দলের জন্য নাম ও প্রতীক প্রস্তাব চেয়েছেন তিনি।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ন ট্রেড সেন্টারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেন দুই সংগঠনের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে দুই সংগঠনের নেতারা বলেন, প্রায় এক লাখ মানুষের মতামত সংগ্রহ করে তার ওপর ভিত্তি করে তারা রাজনৈতিক দল গঠন করবেন।

লিখিত বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করা দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের, বিশেষত তরুণ জনগোষ্ঠীর নতুন আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্রকল্প ধারণ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একটি রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, রিকশাচালক, দোকানদার, দিনমজুর, গৃহকর্মী, শিক্ষক, ঝাড়ুদারসহ সর্বস্তরের এক লাখেরও বেশি মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন রাজনৈতিক দলের বিষয়ে মতামত চাওয়া আমাদের কর্মসূচির লক্ষ্য।

জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, অফলাইন ও অনলাইনে এক লাখ মানুষের কাছে যাবেন তারা। তিনি বলেন, মতামতের ভিত্তিতেই ছাত্রদের নতুন দলের নাম আপনারা নির্ধারণ করবেন। দলেও মার্কাটা কী হবে, সেটার মতামত আপনারা দেবেন।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ছাত্রদের একটি রাজনৈতিক দল গঠনের আলোচনা চলছে। গত কিছুদিনে সেই আলোচনার পালে হাওয়া লেগেছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা নাহিদ ইসলাম হতে পারেন ছাত্রদের এই রাজনৈতিক দলের প্রধান বা আহ্বায়ক। দলের সদস্য সচিব পদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক সারজিস ইসলাম, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে আলোচনায়।

উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, এখনো দল গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। দলের দায়িত্ব নিতে হলে তিনি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।