পুলিশের সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীদের সংঘর্ষ, যমুনার সামনে ডিএমপি কমিশনার

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ২:৫৬ অপরাহ্ন, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে রাজধানীতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা অভিমুখী সড়কে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও পরে আবার সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে সকালে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা মিছিল নিয়ে যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করেন।

বেলা ১১টার দিকে মিছিলটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আন্দোলনকারীরা আবারও জড়ো হয়ে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে নতুন করে সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবি জানান। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে বারবার সড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও আন্দোলনকারীরা অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সংঘর্ষের কারণে যমুনা ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে যান চলাচল শুরু হয়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো গুরুতর আহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকজন আন্দোলনকারী অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।