ছুটি নেবেন কি না— ৪ দশক আগের নজির টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Shahinur Rahman Uzzol
Shahinur Rahman Uzzol Shahinur Rahman Uzzol
প্রকাশিত: ১২:১৭ অপরাহ্ন, ০৫ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ওই দায়িত্বের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব একই সঙ্গে পালন করবেন কি না— এমন প্রশ্নের কৌশলী জবাব দিয়েছেন খলিলুর রহমান। ইউএনজিএ সভাপতি নির্বাচিত হলে এক বছরের ছুটি নেবেন বলে আগে খবর এসেছিল গণমাধ্যমে। তবে ভোটের পর তিনি বলছেন, একই সঙ্গে দুই দায়িত্ব পালনে কোনো জটিলতা নেই। একসঙ্গে দুটি দায়িত্ব পালনের নজিরও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, ‘চাকরি ছাড়ব কি না, ছুটি নেব কি না— এটাই তো প্রশ্ন? এত ব্যস্ত হবেন না, এটার প্রিসিডেন্স আছে।’

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন খলিলুর রহমান। এর মধ্য দিয়ে চার দশক পরে বাংলাদেশ এ পদে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে। চার দশক আগে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী একই পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।


ওই উদাহরণ টেনে খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি তখন তার ব্যক্তিগত সচিব ছিলাম। তিনি দুই দায়িত্বই সফলভাবে পালন করেছিলেন। তখন ছিল ইন্টারনেটপূর্ব যুগ। এখন প্রযুক্তির এই সময়ে দুটো কাজ একসঙ্গে করা আরও সহজ।’

এর আগে অবশ্য গত ১৩ মে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় খলিলুর রহমান বলেছিলেন, নির্বাচিত হলে তিনি সবার জন্য নিরপেক্ষ ও পূর্ণকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনে এক বছরের জন্য ছুটিতে যেতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।

ওই সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আমি কি পদত্যাগ করব? না। আমার প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) আমাকে স্পষ্টভাবে বলেছেন, পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি আমাকে এক বছরের সময় দেবেন। পদত্যাগই একমাত্র পথ নয়, আমি ছুটিও নিতে পারি।’