খালেদা জিয়ার জন্য প্রস্তুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স’

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ন, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, বিদেশে নেয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় এলে তবেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

আযম খান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। দেশের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে আগেই যোগাযোগ করা হয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও standby রয়েছে।’

দীর্ঘদিনের জটিলতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের নতুন সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি হন। মেডিকেল বোর্ডের অধীনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা তাকে সিসিইউতে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর খোঁজ নিতে প্রতিদিনই বিএনপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা হাসপাতালে আসছেন।

শনিবার সকালে তাকে দেখতে আসেন বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন আলম। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। পরে যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন জানান, ‘বেগম জিয়ার অবস্থা এখনো অপরিবর্তিত। তার চিকিৎসা ও বিদেশ নেয়া সব সিদ্ধান্ত নেবে মেডিকেল বোর্ড।’

এদিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বেগম জিয়াকে দেখতে যান। প্রতিনিধি দলের সদস্য ডা. তাসনিম জারা জানান, ‘অবস্থা সংকটাপন্ন হলেও বেগম খালেদা জিয়া সজাগ ও সজ্ঞান আছেন, চিকিৎসকদের নির্দেশনা বুঝতে পারছেন।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বর্তমান শারীরিক অবস্থায় তাকে বিদেশে নেয়া সম্ভব নয়। ডাক্তাররা আশা দেখাতে পারছেন না, দেশবাসীকে দোয়া করতে বলেছেন।’

বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তার রোগমুক্তি কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও তার সুস্থতার জন্য বিশেষ আহ্বান জানান এবং চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

তার পরই আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে হাসপাতালে পাঠানো হয় তার অবস্থা সরেজমিনে জানার জন্য।