নুরাল পাগলার মরদেহ কবর থেকে তোলার নির্দেশদাতা গ্রেফতার

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ৪:১৯ অপরাহ্ন, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৯:৪২ পূর্বাহ্ন, ২২ অগাস্ট ২০২৬

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত মাওলানা আব্দুল লতিফ মোল্লা (৩৫) গ্রেফতার হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোয়ালন্দ সার্কেল) শরীফ আল রাজীব এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আব্দুল লতিফ মাণিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড় ঠাকুরকান্দি গ্রামের মাওলানা বাহাউদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার আসামি অপু কাজীর দেওয়া আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে লতিফের নাম উঠে আসে। তার প্রত্যক্ষ নির্দেশেই নুরাল পাগলার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, নুরাল পাগলার দরবারে হামলায় নিহত ভক্ত রাসেল মোল্লার বাবা আজাদ মোল্লা বাদী হয়ে সোমবার রাতে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা করেন। মামলায় হত্যাসহ অগ্নিসংযোগ, লাশ পোড়ানো, ক্ষতিসাধন, চুরি ও জখমের অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় লতিফ ছাড়াও অভি মণ্ডল রঞ্জু (২৯) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি গোয়ালন্দ পৌরসভার আলম চৌধুরী পাড়ার বাসিন্দা।

এর আগে শুক্রবার (৫ আগস্ট) জুমার নামাজের পর “ঈমান-আকিদা রক্ষা কমিটি”র ব্যানারে স্থানীয় জনতা নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবারে হামলা চালায়। এসময় দরবারে আগুন দেওয়া হয় ও ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে শতাধিক লোক আহত হন এবং নুরাল পাগলার ভক্ত রাসেল মোল্লা নিহত হন। হামলার সময় পুলিশ সদস্যদের ওপরও আক্রমণ চালানো হয়; ভাঙচুর করা হয় দুটি গাড়ি। এতে অন্তত ১২ জন পুলিশ আহত হন।

পরে বিক্ষুব্ধ জনতা কবর থেকে নুরাল পাগলার মরদেহ উত্তোলন করে পুড়িয়ে ফেলে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলায় ৩ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।