মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: এক মাস লড়াইয়ের পর হার মানল শিশু তাসনিয়া
ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধ ও আহত হয়েছিল অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিয়া। দীর্ঘ এক মাস হাসপাতালের শয্যায় লড়াই করেছে। চিকিৎসকরাও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে। দীর্ঘ এক মাসের সে লড়াইয়ের পর হার মানতে বাধ্য হয়েছে তাসনিয়া। চলে গেছে তার আরও অনেক সহপাঠীর মতো সে-ও না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে।
শনিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শিশু তাসনিয়া।
এ নিয়ে মাইলস্টোনে প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৩৬ জনের মৃত্যু হলো। তাদের বেশির ভাগই শিক্ষার্থী। এ ছাড়া দুই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে আরও ২৩ জন।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান শনিবার সকালে জানান, ২১ জুলাই ওই ঘটনার পর তাসনিয়া বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। তাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
গত ২১ জুলাই দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পরদিন রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হয়।
বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ৫৬ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪ জন, ২২ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি।
এ ছাড়া ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১৪ জনের মৃত্যু হয়। এ হাসপাতালে এখনো একজন ভর্তি আছেন। একই দুর্ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতালে একজন করে মারা গেছে।