নাহিদ-আখতাররা যমুনার সামনে, যোগ দিচ্ছেন নানা সংগঠনের নেতাকর্মীরা

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, ০৯ মে ২০২৫ | আপডেট: ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে হাসনাতের নেতৃত্বে অবস্থান নিয়েছিল ছাত্র-জনতা। সেখানে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অবস্থানে এনসিপির নেতাকর্মীরাও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন যমুনার সামনে। সেখানে অন্যদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে স্লোগান ধরেছেন নাহিদও। ধীরে ধীরে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন অন্যান্য দল ও সংগঠনের নেতাকর্মীরাও।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত ১০টার কিছু সময় পর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ কিছু কর্মী-সমর্থক নিয়ে অবস্থান নেন যমুনার সামনে। তখন থেকেই ধীরে ধীরে ভিড় বাড়তে থাকে যমুনার সামনে। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠতে থাকে গোটা এলাকা।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নিজেও মাইকে স্লোগান দিতে শুরু করেন একপর্যায়ে।

রাত দুইটার কিছুক্ষণ আগে যমুনার সামনে মাইকে স্লোগান ধরেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, আওয়ামী লীগ নো মোর’, ‘ব্যান করো ব্যান করো, আওয়ামী লীগকে ব্যান করো’, ‘গোলামি না আজাদি, আজাদি আজাদি’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’— রাত যত বাড়ছে, এ রকম নানা স্লোগানে গোটা এলাকা তত বেশি উত্তাল হয়ে উঠছে যেন।

মধ্যরাত পেরিয়ে যমুনার সামনে দেখা যায়, সেখানে এনসিপি ছাড়াও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, হেফাজতে ইসলাম, এবি পার্টির মতো বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছেন। তারাও সবাই স্লোগান দিচ্ছেন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে।

রাত পেরিয়ে ভোর ৪টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উপস্থিত সবাই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে স্লোগান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় কয়েক হাজার জনতা সেখানে উপস্থিত দেখা গেছে।

গঠনের পর থেকেই আওয়মী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আসছে এনসিপি, এ দাবিতে তারা কিছু কর্মসূচিও পালন করেছে। এনসিপি নেতারাও নিয়মিত এ দাবি জানিয়ে আসছে।

এর মধ্যে বৃহস্পতিবার এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ফেসবুক প্রোফাইলে দুটি স্ট্যাটাস দেন। এগুলোর মূল বক্তব্য, জুলাই আন্দোলনে গণহত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনতে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। চলতি মে মাসেই সরকারি-বেসরকারি ও সামরিক পর্যায়ে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ও হাইকমিশনের সংশ্লিষ্টরা ২৩টি বৈঠক করেছেন।

হাসনাতের অভিযোগ, আওয়ামী লীগকে দেশের রাজনীতিকে পুনর্বাসনের জন্য এসব কৌশল নেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানান তিনি। পরে রাত পৌনে ১০টার দিকে আরেক স্ট্যাটাসে জানান, যমুনার সামনে অবস্থান নেবেন তিনি।