ইউনূস-মোদি বৈঠকে সংখ্যালঘু-সীমান্তসহ যেসব ইস্যু তুলল ভারত

Newsdesk
Newsdesk Newsdesk
প্রকাশিত: ১১:৫০ অপরাহ্ন, ০৪ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘু নির্যাতন, সেভেন সিস্টার্স, সীমান্তসহ স্পর্শকাতর ইস্যুতে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি উত্থাপন করা হয় বলে নিশ্চিত করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।। তবে ভারত এ ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণের আট মাসের মাথায় শুক্রবারই মোদির সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয় ড. ইউনূসের। আধ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল এই বৈঠক।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি ব্রিফিংয়ে বলেন, এই মুহূর্তে এরচেয়ে বেশি বলা সমীচীন হবে না।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্কের আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি ‘চরমপন্থার উত্থান চেষ্টা’ রোধের ওপর জোর দেন তিনি। আগামী দিনে বিমসটেকের চেয়ার হিসাবে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরীয় ওই জোটকে এগিয়ে নিতে যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করছে বা করবে তাতে ভারতের সমর্থন-সহযোগিতা থাকবে ।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি ব্রিফিংয়ে জানান, ড. ইউনূসের সঙ্গে মোদির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি অন্তর্ভুক্তিমূলক, প্রগতিশীল, শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তা ছাড়া দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলে এমন কথাবার্তা এড়িয়ে চলার কথা বলেছেন। বিভিন্ন রিপোর্টে সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন স্পর্শকাতর ইস্যু যেমন সেভেন সিস্টার্স এবং সীমান্ত সমস্যার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টির ওপর বাংলাদেশের সরকারকে জোর দিতে এবং প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করার আবেদন জানান মোদি।

বিক্রম মিশ্রি তার ব্রিফিংয়ে বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো জরুরি বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।