আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না : ড. শফিকুর
পতিত আওয়ামী লীগকে আবারও রাজনীতিতে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র চলছে।’ ফেসবুকে এমন একটি পোস্ট দিয়েছেন শেখ হাসিনার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। এবার এই ইস্যুতেই ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে ড. শফিকুর রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না। আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে জানিয়ে এ ব্যাপারে সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
‘আওয়ামী_লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না’ শিরোনামে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পোস্টটি হবুহু তুলে ধরা হলো-
বর্তমান পরিস্থিতিতে সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাই।
প্রিয় সম্মানিত দেশবাসী,
আল্লাহ তাআলার একান্ত মেহেরবানিতে আমরা পবিত্র রমাদানুল কারীম অতিক্রম করছি। বাংলাদেশ ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাক অতিক্রম করছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পর ২৪-এর ৩৬ জুলাই আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের একান্ত মেহেরবানিতে উপহার হিসেবে পেয়েছি। এজন্য মহান রবের দরবারে অসংখ্য-অসংখ্য শুকরিয়া।
এ সময় দেশেকে অস্থিতিশীল করার জন্য পতিত ফ্যাসিবাদীরা দেশের ভিতরে এবং বাহিরে নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বাংলাদেশের নির্যাতিত ১৮ কোটি মানুষের দাবি, গণহত্যাকারীদের বিচার, ২৪-এর শহিদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আহত এবং পঙ্গু অসংখ্য ছাত্র, তরুণ, যুবক ও মুক্তিকামী মানুষের সুচিকিৎসা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৫ বছরের সৃষ্ট জঞ্জালগুলোর মৌলিক সংস্কার সাধন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
এ সময় জনগণ অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই গণহত্যার বিচারটাই দেখতে চায়। এর বাহিরে অন্য কিছু ভাবার কোন সুযোগ নেই। আমরা সর্বস্তরের জনগণকে সংযত, সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থেকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাই।
মহান আল্লাহ আমাদের ওপর রহম করুন এবং তার একান্ত সাহায্য দিয়ে পরিস্থিতি উত্তরণে আমাদেরকে মেহেরবানি করুন। আমীন।
এই পোস্টটি দেওয়ার পর কমেন্ট বক্সে একটি মন্তব্যও করেছেন তিনি। যেখানে তিনি লিখেছেন, আওয়ামী লীগের চ্যাপ্টার ৩৬ জুলাই ক্লোজড হয়ে গিয়েছে। নতুন করে ওপেন করার কোনোই অবকাশ নেই।